Tag: ক্রিকেট আপডেট

  • তাসকিন–মিরাজের তোপে বিপাকে পাকিস্তান, প্রতিরোধে বাবর আজম

    তাসকিন–মিরাজের তোপে বিপাকে পাকিস্তান, প্রতিরোধে বাবর আজম

    এবিএনএ: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। তবে অভিজ্ঞ ব্যাটার বাবর আজম একপ্রান্ত সামলে দলকে বিপর্যয় থেকে টেনে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার আগে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৯৬ রান। বাবর আজম ৩৭ এবং সালমান আলি আগা ৬ রানে অপরাজিত আছেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৭৮ রানের তুলনায় এখনও ১৮২ রানে পিছিয়ে রয়েছে সফরকারীরা।

    দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর পর থেকেই আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপে রাখেন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। খুব দ্রুতই সেই চাপের ফল পেতে শুরু করে বাংলাদেশ। দিনের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন। উইকেটের পেছনে দারুণ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ৯ রান করে বিদায় নেন তরুণ এই ব্যাটার।

    এরপর আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেননি তাসকিন। দেরিতে সুইং করা বলে ব্যাটের কানায় লেগে শর্ট লেগে থাকা মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করা আজান এদিন করেন ১৩ রান।

    দুই ওপেনার দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক শান মাসুদ ও বাবর আজম। তবে এই জুটিও বড় হতে দেননি মেহেদি হাসান মিরাজ। ২১ রান করা মাসুদ কাভার অঞ্চলে খেলতে গিয়ে বদলি ফিল্ডার নাঈম হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন।

    এরপর ক্রিজে আসা সৌদ শাকিলও মিরাজের ঘূর্ণিতে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। চাপ কাটাতে সুইপ খেলতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লেগে আকাশে উঠে যায়, আর সহজ ক্যাচ নেন লিটন দাস। ২৮ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

    ৭৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পাকিস্তানকে সামাল দেওয়ার দায়িত্ব নেন বাবর আজম ও সালমান আলি আগা। বিশেষ করে বাবর ধৈর্য ও অভিজ্ঞতার পরিচয় দিয়ে সিঙ্গেল-ডাবল আর বাউন্ডারিতে স্কোরবোর্ড সচল রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের বোলাররা যদিও এখনও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রেখেছেন।

  • মিরপুরে হঠাৎ শিলাবৃষ্টি, থমকে বাংলাদেশ–পাকিস্তান দ্বিতীয় ওয়ানডে; শুরুতেই চাপে টাইগাররা

    মিরপুরে হঠাৎ শিলাবৃষ্টি, থমকে বাংলাদেশ–পাকিস্তান দ্বিতীয় ওয়ানডে; শুরুতেই চাপে টাইগাররা

    এবিএনএ: মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে হঠাৎ শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে খেলা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। দিনের শুরু থেকেই আকাশ মেঘলা ছিল, শেষ পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টি নামায় ম্যাচ থামাতে বাধ্য হন আম্পায়াররা।

    ম্যাচ বন্ধ হওয়ার আগে বাংলাদেশের ইনিংসে মাত্র ৬.৩ ওভার খেলা সম্ভব হয়। এই সময়ের মধ্যেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা।

    বৃষ্টির কারণে স্টেডিয়ামের পিচ দ্রুত কভার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। বজ্রপাতের আশঙ্কায় বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগেই আম্পায়াররা খেলা বন্ধের ঘোষণা দেন।

    ইনিংসের শুরুতে শাহিন শাহ আফ্রিদির প্রথম ওভারে তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসানের উদ্বোধনী জুটি মাত্র ১ রান তুলতে পারে। দ্বিতীয় ওভারে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে আসে ৭ রান। তবে তৃতীয় ওভারের শেষ বলে শাহিনের বাউন্সারে তানজিদ তামিম ক্যাচ দিয়ে আউট হন।

    আগের ম্যাচে ৪২ বলে ৬৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা তানজিদ আজ মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপরের ওভারের প্রথম বলেই আউট হন সাইফ হাসান। ১২ বলে তিনি করেন ১২ রান।

    এরপর ক্রিজে এসে কোনো রান না করেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্ত, যা ক্রিকেটের ভাষায় ‘সিলভার ডাক’। তখন দলের সংগ্রহ ছিল ১৫ রান।

    পরে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তাদের ব্যাটে আরও ১২ রান যোগ হওয়ার পরই বৃষ্টি শুরু হওয়ায় খেলা বন্ধ হয়ে যায়। তখন বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল আরও ২৪৮ রান।

    এর আগে পাকিস্তানকে ২৭৪ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ। এক পর্যায়ে শেষ সাত উইকেট মাত্র ৪৩ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলে সফরকারীরা।

    বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও রিশাদ হোসেন। মিরাজ ৩৪ রানে ২টি উইকেট নেন এবং রিশাদ ৫৬ রানে শিকার করেন ৩টি উইকেট।

    পাকিস্তানের হয়ে মাজ সাদাকাত ও সালমান আলী আগা অর্ধশতক করেন।

    উল্লেখ্য, সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট করে ৮ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। আজকের ম্যাচে জিততে পারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করতে পারবে মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল।

  • টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় জয়ের লক্ষ্য নারী টাইগারদের

    টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় জয়ের লক্ষ্য নারী টাইগারদের

    এবিএনএ: নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ নারী দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয়ের পর আজ মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংল্যান্ড, ফলে ব্যাটিংয়ে নামছে বাংলাদেশ।

    এই ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে এসেছে দুটি পরিবর্তন। অফ ফর্মে থাকা ফারজানা হককে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে, তার পরিবর্তে দলে ফিরেছেন অলরাউন্ডার ঋতু মনি। স্পিন আক্রমণে বৈচিত্র্য আনতে নিশিতা নিশির জায়গায় নেওয়া হয়েছে বাঁ-হাতি স্পিনার সানজিদা আক্তার মেঘলাকে।

    নিগার সুলতানার দল প্রথম ম্যাচের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও জয় তুলে নিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। অন্যদিকে, টামি বিউমাউন্ট ও হিথার নাইটের নেতৃত্বে ইংল্যান্ডও শুরুতেই প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে চায়।

    বাংলাদেশ একাদশ: রুবায়া হায়দার, শারমিন আক্তার, নিগার সুলতানা, সোবহানা মুস্তারি, ঋতু মনি, স্বর্ণা আক্তার, ফাহিমা খাতুন, নাহিদা আক্তার, রাবেয়া খান, মারুফা আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা।

    ইংল্যান্ড একাদশ: টামি বিউমাউন্ট, এমি জোনস, হিথার নাইট, নাট স্কাইভার ব্রান্ট, সোফিয়া ডাঙ্কলে, এমা ল্যাম্ব, এলিসা ক্যাপ্সি, কার্লোথি ডিন, সোফিয়া এক্লেস্টোন, লিনসি স্মিথ, লওরা বেল।

    বাংলাদেশ যদি এই ম্যাচেও জয় পায়, তাহলে সেমিফাইনালের পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে যাবে নিগার বাহিনী।

  • ফাইনালমুখী ম্যাচে আগে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নতুন মুখ শেখ মেহেদী ও তানজিম

    ফাইনালমুখী ম্যাচে আগে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নতুন মুখ শেখ মেহেদী ও তানজিম

    এবিএনএ: টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারার পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও হোঁচট খেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত কামব্যাক করে টাইগাররা। ডাম্বুলায় ৮৩ রানের বড় জয় এনে শ্রীলঙ্কাকে সমতায় ফেলে সিরিজকে করে তোলে ১-১। আজ সেই সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচটি রূপ নিয়েছে এক প্রকার ফাইনালে। এই গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে টস ভাগ্যে পিছিয়ে গেছে বাংলাদেশ।

    লঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ায়, আগে ফিল্ডিং করতে নামছে লিটন দাসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ দল।

    এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলে এসেছে দুইটি পরিবর্তন। বাদ পড়েছেন অভিজ্ঞ স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ এবং পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তাদের জায়গায় একাদশে ঢুকেছেন স্পিনিং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসান ও তরুণ পেসার তানজিম হাসান সাকিব।

    📋 বাংলাদেশ একাদশ:
    লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, পারভেজ হোসেন, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলি, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ও তানজিম হাসান সাকিব।

    দ্বিতীয় ম্যাচে দারুণ জয়ের পরও একাদশে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট, যা ম্যাচ পরিকল্পনার কৌশলগত অংশ বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।

    এখন দেখার বিষয়, সিরিজের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ফিল্ডিং দিয়ে শুরু করে কতটা সফলতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগাররা।


    এই ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করবে সিরিজ জয়ী দল—তাই আজকের মাঠের প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে দুই দলের জন্য।

  • লঙ্কানদের ধ্বংস করে দুর্দান্ত জয়, সমতায় ফিরল বাংলাদেশ টি-২০ সিরিজে!

    লঙ্কানদের ধ্বংস করে দুর্দান্ত জয়, সমতায় ফিরল বাংলাদেশ টি-২০ সিরিজে!

    এবিএনএ: ডাম্বুলার রাঙগিরি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে একেবারে গুড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে হারের ধাক্কা ভুলে লঙ্কানদের ৯৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৮৩ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এর ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে সফরকারীরা।

    টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা হতাশাজনক হলেও, লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়ের দায়িত্বশীল জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় দল। উদ্বোধনী দুই ব্যাটার পারভেজ ইমন (০) ও তানজিদ তামিম (৫) দ্রুত আউট হলেও, তৃতীয় উইকেটে ৬৯ রানের জুটি গড়েন লিটন-হৃদয়। হৃদয় ২৫ বলে করেন ৩১ রান, যার মধ্যে ছিল দুটি চার ও একটি ছক্কা।

    অফ ফর্ম কাটিয়ে ফিরে আসা লিটন দাস তুলে নেন ঝকঝকে এক অর্ধশতক। তার ৫০ বলে ৭৬ রানের ইনিংসে ছিল পাঁচটি ছক্কা ও একটি চার। অপরদিকে শামীম হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ২৭ বলে ৪৮ রান, যার মধ্যে পাঁচটি ছক্কা ও দুটি চার ছিল। এই দুই ইনিংসেই বড় সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ, স্কোর দাঁড়ায় ১৭৮ রান।

    লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। মাত্র ৩০ রানের মধ্যেই চার উইকেট হারায় দলটি। ওপেনার কুশল মেন্ডিস (৮) রানআউট হন। কুশল পেরেরা (০), আভিস্কা ফার্নান্দো (২) ও আশালঙ্কা (৫) দ্রুত সাজঘরে ফেরেন।

    তবুও একমাত্র ওপেনার নিশাঙ্কা কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে তিনিও ফেরেন ২৯ বলে ৩২ রান করে। এরপর দাশুন শানাকার ২০ রানের ইনিংসটি ছিল লঙ্কানদের শেষ প্রতিরোধ।

    বাংলাদেশি বোলারদের দাপটে শতরানও ছুঁতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। শরিফুল ইসলাম মাত্র ১২ রান খরচায় দুই উইকেট নেন, রিশাদ হোসেন ৩.২ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট, সাইফউদ্দিন ২১ রানে ২ উইকেট তুলে নেন। মুস্তাফিজ ও মেহেদী হাসান মিরাজও একটি করে উইকেট দখল করেন।

    তৃতীয় ও সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জুলাই, একই ভেন্যুতে।

  • শেষ মুহূর্তে আইপিএলে ৬ কোটিতে মুস্তাফিজ! আবারও দিল্লির জার্সিতে মাঠে নামছেন ‘দ্য ফিজ’

    শেষ মুহূর্তে আইপিএলে ৬ কোটিতে মুস্তাফিজ! আবারও দিল্লির জার্সিতে মাঠে নামছেন ‘দ্য ফিজ’

    এবিএনএ:  শেষ মুহূর্তে দারুণ এক চমক দিয়ে চলতি আইপিএল ২০২৫-আবারও মাঠে ফিরছেন বাংলাদেশি তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। ব্যক্তিগত কারণে আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ানো অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাকগার্কের পরিবর্তে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। তাকে দলে নিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি গুনেছে কোটি রুপি।

    নিলামে মুস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য ছিল কোটি রুপি, তবে সেখান থেকে কেউ আগ্রহ দেখায়নি। কিন্তু ভারত-পাকিস্তান সংঘাত এবং হঠাৎ করে একাধিক খেলোয়াড়ের ছিটকে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে নতুন করে মূল্যায়ন করা হয় তার দক্ষতাকে। সেই সুবাদেই দিল্লির হয়ে আবারও মাঠে ফিরছেন ‘দ্য ফিজ’।

    বুধবার আইপিএল কর্তৃপক্ষ এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে। আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, তাকে সাময়িক বিকল্প হিসেবে নেওয়া হয়েছে, ফলে এই মৌসুম শেষ হলে তাকে ধরে রাখতে পারবে না দিল্লি ক্যাপিটালস।

    এই চুক্তির ফলে মুস্তাফিজ এখন আইপিএলে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি অর্থমূল্যে দল পাওয়া ক্রিকেটার। এর আগে ২০০৯ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে লাখ ডলারে (প্রায় কোটি টাকা) দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।

    চলমান আসরে দিল্লি ক্যাপিটালস এখন পর্যন্ত ১১ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট অর্জন করে টেবিলের নম্বরে অবস্থান করছে। শেষ চারে জায়গা করে নেওয়ার দারুণ সম্ভাবনা আছে তাদের। প্লে-অফের আগে এখনও চারটি ম্যাচ বাকি, সেখানে মুস্তাফিজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

    আইপিএলে এর আগেও দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন মুস্তাফিজ। এখন পর্যন্ত ৫৭ ম্যাচে ৬১ উইকেট নেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন ১০৬ ম্যাচ, উইকেট সংখ্যা ১৩২।

    ২০১৬ সালে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে আইপিএলে যাত্রা শুরু হয় তার। এরপর খেলেছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস, দিল্লি ক্যাপিটালস এবং সর্বশেষ ২০২৪ মৌসুমে ছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে। ২০২৫ সালে আবারও পুরোনো দল দিল্লির হয়ে নতুন করে মঞ্চে ফিরছেন তিনি।

    এবার দিল্লির হয়ে আইপিএলের রঙিন মঞ্চে মুস্তাফিজ কতটা আলো ছড়াতে পারেন, তা দেখার অপেক্ষায় তার ভক্ত-সমর্থকরা।