Tag: কোভিড-১৯ বাংলাদেশ

  • ঢাকায় ফের করোনার হানা, ৪ জনের পরীক্ষায় ৩ জন আক্রান্ত

    ঢাকায় ফের করোনার হানা, ৪ জনের পরীক্ষায় ৩ জন আক্রান্ত

    এবিএনএ:

    দেশে আবারও করোনা সংক্রমণের আভাস মিলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের শরীরেই করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। যদিও এই সময়ের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করেননি।

    রবিবার (৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে প্রকাশিত নিয়মিত করোনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। আক্রান্তরা সবাই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত একদিনে করোনায় আক্রান্তদের শনাক্তের হার ছিল ৭৫ শতাংশ, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম উচ্চ হার। তবে আশার কথা, একই সময়ে ৬ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    এর আগেও দীর্ঘ বিরতির পর গত ৫ জুন দেশে একজন করোনা রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল, যা ছিল সাম্প্রতিক কালের মধ্যে প্রথম প্রাণহানি। তবে রবিবারের হিসাব অনুযায়ী, মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে বাংলাদেশ।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, জনসচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই করোনা সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব। যদিও দৈনিক নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম, তবুও সংক্রমণের হার চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, যেহেতু সংক্রমণের হার হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে, তাই সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • করোনার নতুন ঊর্ধ্বগতি, ভিড়পূর্ণ জায়গায় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হতে পারে

    এবিএনএ:

    বাংলাদেশে আবারও বেড়েছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার। এমন পরিস্থিতিতে জনাকীর্ণ এলাকায় মাস্ক ব্যবহারের বিষয়ে নতুন করে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

    শুক্রবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংক্রমণের বর্তমান ঊর্ধ্বগতি বিবেচনায় নিয়ে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভিড়পূর্ণ জায়গায় মাস্ক পরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বয়স্ক এবং যাদের পূর্বে থেকে শারীরিক জটিলতা রয়েছে তাদের। জনসমাগমপূর্ণ পরিবেশ এড়িয়ে চলা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষাবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    সরকারি সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত হয়ে একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে, যিনি ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। এই মৃত্যুর খবর সামনে আসার পরই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত নতুন নির্দেশনা দেয়।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামনে বর্ষার সময় হওয়ায় অন্যান্য ভাইরাল জ্বরের সঙ্গে মিশে করোনার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই সচেতনতা ও সতর্কতা ছাড়া সামনে থাকা কঠিন হতে পারে।