Tag: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

  • ভাষা শহীদদের স্মরণে অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এ প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    ভাষা শহীদদের স্মরণে অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এ প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    এবিএনএ: মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে অমর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার রাত ১২টা ৭ মিনিটে তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এর বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় পরিবেশিত হয় একুশের চেতনায় অনুপ্রাণিত কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দলীয় নেতৃবৃন্দ ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি আবারও শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান।

    এদিন বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক পদধারী ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, পেশাজীবী সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারাও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। শিক্ষাঙ্গনের প্রতিনিধিরা, বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর প্রশাসন ও ছাত্রসংগঠনগুলোও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।

    একুশে ফেব্রুয়ারি ঘিরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকা বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়। শহীদ বেদি ও সংলগ্ন পথে আলপনায় ফুটে ওঠে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি; দেয়ালে স্থান পায় কবি-লেখকদের অনুপ্রেরণামূলক উক্তি। নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ও পর্যবেক্ষণ টাওয়ার স্থাপন করা হয় এবং সন্ধ্যা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নির্ধারিত রুটম্যাপ কার্যকর থাকে।

    ভাষার অধিকার রক্ষায় জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে এই শ্রদ্ধা নিবেদন নতুন প্রজন্মকে একুশের চেতনায় উজ্জীবিত করবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

  • অমর একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা—ভাষা শহীদদের স্মরণে নীরবতা ও গান

    অমর একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা—ভাষা শহীদদের স্মরণে নীরবতা ও গান

    এবিএনএ: মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শনিবার রাত ১২টা ০১ মিনিটে তিনি শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় বাজানো হয় কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’।

    রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার সদস্যরা শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান। সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান-এর নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরাও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    এছাড়া বিচার বিভাগীয় প্রতিনিধিরা, নির্বাচন কমিশনাররা, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ বিভিন্ন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতারা এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো ধারাবাহিকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ করেন।

    অমর একুশে উপলক্ষে পুরো শহীদ মিনার এলাকা সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। বেদিসহ আশপাশে আলপনায় ফুটে উঠেছে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি; দেয়ালে লেখা হয়েছে কবি-লেখকদের স্মরণীয় উক্তি। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো এলাকা সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়, স্থাপন করা হয় ওয়াচ টাওয়ার। সন্ধ্যা থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নির্ধারিত রুটম্যাপ কার্যকর করা হয়।

  • আমরা অনিরাপদ হলে প্রতিপক্ষও নিরাপদ থাকবে না: মাহফুজ আলম

    আমরা অনিরাপদ হলে প্রতিপক্ষও নিরাপদ থাকবে না: মাহফুজ আলম

    এবিএনএ:  অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম বলেছেন, দেশের জনগণকে অনিরাপদ অবস্থায় রাখার চেষ্টা হলে প্রতিপক্ষ শক্তিকেও নিরাপদে থাকতে দেওয়া হবে না।

    সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। সমাবেশে তিনি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতা ও হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।

    মাহফুজ আলম বলেন, অতীতে নিজেদের সংযম ও সহনশীলতার কারণে কিছু গোষ্ঠী সহিংসতায় জড়ানোর সাহস পেয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক সহনশীলতাকে দুর্বলতা হিসেবে নেওয়া হলে ভবিষ্যতে আর ছাড় দেওয়া হবে না।

    তিনি আরও বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে কেউ কেউ আন্তর্জাতিক পরিসরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। এ ধরনের তৎপরতার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়ে মাহফুজ আলম বলেন, প্রয়োজনে প্রতিরোধের আন্দোলনও দেশের সীমানা ছাড়িয়ে প্রতিফলিত হতে পারে।

    বক্তব্যে তিনি বলেন, ন্যায়বিচারের নামে একদিকে বিচার প্রক্রিয়ার কথা বলা হলেও অন্যদিকে আইনের ফাঁক গলে বিদেশে আশ্রয় নেওয়া ও সেখান থেকে সহিংসতা চালানোর ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা জানান।

    বিদেশি স্বার্থ ও অভ্যন্তরীণ সহযোগীদের প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম বলেন, যারা দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করবে, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রশ্নই আসে না। দেশের জনগণ নিরাপদ না থাকলে প্রতিপক্ষ শক্তিও নিরাপদ থাকতে পারবে না।

    তিনি আরও দাবি করেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু আদর্শ ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক চর্চার কারণে বহু মানুষের জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অবস্থার বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদে দাঁড়িয়েছে, তাদের অন্যতম একজন ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।