Tag: কুষ্টিয়া

  • কুষ্টিয়ায় পীর শামীম হত্যাকাণ্ড: চারজনের নামসহ দুই শতাধিক অজ্ঞাত আসামি, দায়ের হলো হত্যা মামলা

    কুষ্টিয়ায় পীর শামীম হত্যাকাণ্ড: চারজনের নামসহ দুই শতাধিক অজ্ঞাত আসামি, দায়ের হলো হত্যা মামলা

    এবিএনএ: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে পীর শামীম জাহাঙ্গীর হত্যার ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিহতের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় মামলাটি করেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে আরও প্রায় দুই শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের পরিবারের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

    মামলার অভিযোগে পীরের দরবারে হামলার ঘটনায় উস্কানির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চারজনের নামসহ অজ্ঞাত ২০০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। মামলার ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনার নেপথ্যের কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

    এর আগে নিহত পীর শামীমের পরিবার মামলা না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেন বলে জানা যায়। তবে পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় মামলা দায়ের করা হয়।

    উল্লেখ্য, গত শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে ধর্মীয় ইস্যুকে কেন্দ্র করে পীর শামীম জাহাঙ্গীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে ও তার অনুসারীদের মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    পরদিন রোববার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যার দিকে ফিলিপনগরের পশ্চিম-দক্ষিণ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

  • কুষ্টিয়ায় পীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের পর মৃত্যু; ধর্মীয় বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা

    কুষ্টিয়ায় পীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগের পর মৃত্যু; ধর্মীয় বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা

    এবিএনএ: কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় এক পীরের আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন ওই আস্তানার প্রধান শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর। পরে তাকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

    শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধর্মীয় বক্তব্য নিয়ে বিতর্কের জেরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন আস্তানায় হামলা চালায়।

    সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে উত্তেজনা

    স্থানীয়দের দাবি, শামীম রেজার বক্তব্য সংবলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তার কিছু বক্তব্য ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসীর একাংশ। এরপর দুপুরের দিকে লোকজন জড়ো হয়ে আস্তানায় হামলা চালায়।

    হামলার সময় স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পাশাপাশি শামীম রেজা ও তার অনুসারীদের মারধরের ঘটনাও ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

    বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

    স্থানীয়দের মতে, শামীম রেজা দীর্ঘদিন ধরে ভিন্নধর্মী মতবাদ প্রচার করছিলেন। ইসলামের প্রচলিত কিছু ইবাদত সম্পর্কে ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া এবং অনুসারীদের বিশেষ আচার পালনের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব বিষয় নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই ক্ষোভ ছিল।

    এছাড়া অনুসারীদের দাফন কার্যক্রমে প্রচলিত নিয়মের বাইরে কিছু আচরণ এবং ধর্মীয় স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগও ওঠে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ আরও বাড়ে।

    আগেও ছিল মামলা

    জানা গেছে, শামীম রেজার বিরুদ্ধে এর আগেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০২১ সালে দৌলতপুর থানায় মামলা হয়েছিল। ওই সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি পুনরায় কার্যক্রম শুরু করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ

    ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • মব কালচার’ বন্ধের ঘোষণা, কিন্তু সহিংসতা থামছে না—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    মব কালচার’ বন্ধের ঘোষণা, কিন্তু সহিংসতা থামছে না—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    এবিএনএ: আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বা ‘মব কালচার’ বন্ধে সরকারের ঘোষণার পরও বাস্তবে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে মাজারে হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং এক পীরকে হত্যার ঘটনায় সরকারকে দায়ী করে তীব্র সমালোচনা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

    শনিবার রাতে দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, একদল উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি মাজারে হামলা চালিয়ে প্রধান পীর শামীম রেজা জাহাঙ্গীরকে হত্যা করেছে। দলটির মতে, এটি একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ এবং আইনের শাসনের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।

    আদালতের বদলে ‘মব বিচার’ নিয়ে উদ্বেগ

    এনসিপি বলেছে, ধর্ম অবমাননা বা সংবেদনশীল যেকোনো অভিযোগের তদন্ত ও বিচার আদালতের মাধ্যমে হওয়া উচিত। কিন্তু এ ঘটনায় আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, স্থানীয় প্রভাবশালী শক্তির সহযোগিতা ছাড়া এ ধরনের হামলা সম্ভব নয়। অতীতেও রাজবাড়ীতে মাজার ভাঙচুর ও সহিংস ঘটনার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠেছিল বলে উল্লেখ করা হয়।

    সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ছড়ানোর পর হামলা

    দলটির দাবি, নিহত পীরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই উত্তেজনা তৈরি হয়। এরপর দুপুরের দিকে মাজারে হামলার ঘটনা ঘটে। পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগাম ব্যবস্থা নিতে পারেনি—এ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এনসিপি।

    সরকারের দ্বৈত অবস্থানের অভিযোগ

    এনসিপি অভিযোগ করেছে, একদিকে সরকার ‘মব কালচার’ বন্ধের কথা বলছে, অন্যদিকে সরকার-সমর্থিত পক্ষের কর্মকাণ্ডে কঠোর অবস্থান দেখা যাচ্ছে না। জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে ‘মব’ চাপের মাধ্যমে কর্মকর্তাদের পদত্যাগে বাধ্য করার উদাহরণও তুলে ধরা হয়।

    দলটির মতে, ‘মব কালচার’ শব্দটি এখন রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও অবনতি ঘটছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

    পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান

    বিবৃতির শেষে এনসিপি বলেছে, সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারছে না এবং দেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দুর্বল হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রাজনৈতিক বক্তব্যের পরিবর্তে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • রমজানে খুলনায় কখন সাহরি ও ইফতার? জেনে নিন ২০২৬ সালের পূর্ণ সময়সূচি

    রমজানে খুলনায় কখন সাহরি ও ইফতার? জেনে নিন ২০২৬ সালের পূর্ণ সময়সূচি

    এবিএনএ: পবিত্র রমজান মাসে সঠিক সময়ে সাহরি ও ইফতার গ্রহণ রোজাদারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থেকে সংযম ও ইবাদতের মাধ্যমে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন।

    ভোররাতে সাহরি খাওয়ার মাধ্যমে প্রতিদিনের রোজা শুরু হয় এবং সন্ধ্যায় ইফতারের মাধ্যমে তা সম্পন্ন হয়। সারাদিন রোজাদাররা আল্লাহর নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে খাদ্য ও অন্যান্য ভোগ্য বিষয় থেকে বিরত থাকেন। হাদিসে রোজার ফজিলত সম্পর্কে বলা হয়েছে—রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মৃগনাভির সুগন্ধির চেয়েও উত্তম (বুখারি, মুসলিম ও তিরমিজি)।

    রমজান ২০২৬ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন খুলনা বিভাগের জন্য পৃথক সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। এতে খুলনাসহ বিভাগের সব জেলার জন্য নির্ধারিত সময় উল্লেখ রয়েছে, যা অনুসরণ করে রোজাদাররা নির্ভুলভাবে ইবাদত পালন করতে পারবেন।

    📍 খুলনা বিভাগের জেলার সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি (২০২৬):

    • খুলনা জেলা: Khulna Sehri Iftar Time 2026

    • সাতক্ষীরা: Satkhira Sehri Iftar Time 2026

    • যশোর: Jashore Sehri Iftar Time 2026

    • মেহেরপুর: Meherpur Sehri Iftar Time 2026

    • মাগুরা: Magura Sehri Iftar Time 2026

    • বাগেরহাট: Bagerhat Sehri Iftar Time 2026

    • নড়াইল: Narail Sehri Iftar Time 2026

    • ঝিনাইদহ: Jhenaidah Sehri Iftar Time 2026

    • চুয়াডাঙ্গা: Chuadanga Sehri Iftar Time 2026

    • কুষ্টিয়া: Kushtia Sehri Iftar Time 2026

    সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন

  • শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা, কুষ্টিয়ায় চিরনিদ্রায় লালনসম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীন

    শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা, কুষ্টিয়ায় চিরনিদ্রায় লালনসম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীন

    এবিএনএ:  বাংলা লোকসংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী ও লালনসম্রাজ্ঞী ফরিদা পারভীনের প্রতি শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। রোববার দুপুরে তাঁর মরদেহ আনা হলে শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ সাধারণ মানুষ বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। সেখানকার পৌর কবরস্থানে মা–বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হবে।

    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে জাসাস। শ্রদ্ধা জানান সংস্কৃতিবিষয়ক সচিব মো. মফিদুর রহমান, বিএনপির সংস্কৃতিক সম্পাদক চিত্রনায়ক উজ্জ্বল, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজমসহ বিশিষ্টজনেরা। ভিডিও কলে অংশ নিয়ে সংগীতশিল্পী রুনা লায়লাও ফরিদা পারভীনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    বাংলাদেশ বেতার, জাতীয় জাদুঘর, কবি নজরুল ইনস্টিটিউট, শিল্পকলা একাডেমি ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকেও শ্রদ্ধা জানানো হয়।

    ফরিদা পারভীন লালনগানকে জনপ্রিয় করতে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। শুধু দেশে নয়, বিশ্বমঞ্চেও তিনি লালনের গান পৌঁছে দিয়েছেন। জাপান, সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ নানা দেশে তাঁর কণ্ঠে লালনসংগীত মুগ্ধ করেছে শ্রোতাদের।

    ১৯৮৭ সালে একুশে পদক, ১৯৯৩ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ২০০৮ সালে জাপানের ফুকুওয়াকা পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। লালনসংগীতের বাইরেও তাঁর কণ্ঠে ‘তোমরা ভুলে গেছ মল্লিকাদির নাম’, ‘এই পদ্মা এই মেঘনা’সহ অনেক গান শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে।

    লোকসংগীতের আকাশে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে ফরিদা পারভীন চিরকাল বেঁচে থাকবেন তাঁর সৃষ্টিকর্মের মধ্য দিয়ে।