Tag: কুয়াশা

  • সপ্তাহজুড়ে উষ্ণতার ঊর্ধ্বগতি: শীত সরে গিয়ে ফিরছে শুষ্ক আবহাওয়া

    সপ্তাহজুড়ে উষ্ণতার ঊর্ধ্বগতি: শীত সরে গিয়ে ফিরছে শুষ্ক আবহাওয়া

    এবিএনএ: উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দেশের আবহাওয়ায় বড় কোনো পরিবর্তন না এলেও ধীরে ধীরে উষ্ণতা বাড়তে পারে। পাঁচ দিনের বর্ধিত পূর্বাভাসে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর—এই সময়ে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম, আর সার্বিকভাবে আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকা এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা দিতে পারে। শুরুতে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় স্থির থাকলেও সপ্তাহের শেষভাগে উভয় তাপমাত্রাই ধাপে ধাপে বাড়ার ইঙ্গিত রয়েছে।

    সিনপটিক পরিস্থিতির ব্যাখ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর-এ, যার একটি অংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দুই ব্যবস্থার প্রভাবে দেশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে।

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিদিনই একই ধাঁচের আবহাওয়া বিরাজ করার কথা জানানো হয়েছে—শুষ্ক পরিবেশ, ভোরে হালকা কুয়াশা এবং ধীরে ধীরে উষ্ণতা বাড়ার প্রবণতা। কোনো কোনো দিনে দিনের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে, তবে সামগ্রিকভাবে উষ্ণতার ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকার আভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, শীতের শেষপ্রান্তে এ ধরনের শুষ্ক ও উষ্ণ প্রবণতা স্বাভাবিক। তাই দিনের বেলা রোদে বের হলে হালকা পানিশূন্যতা এড়াতে পানি পান বাড়ানো এবং সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন এলাকায় চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • শুষ্ক আবহাওয়ার দাপট সারা দেশে, নদী অববাহিকায় ভোরে কুয়াশার সতর্কতা

    শুষ্ক আবহাওয়ার দাপট সারা দেশে, নদী অববাহিকায় ভোরে কুয়াশার সতর্কতা

    এবিএনএ: সারা দেশে আপাতত শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকা এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও দেশের সার্বিক আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। একই সঙ্গে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন ভোরের দিকে নদী অববাহিকার কিছু এলাকায় কুয়াশা দেখা দিতে পারে। তবে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    এছাড়া বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। তবে এদিন সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি। এই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাঙামাটিতে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

    সিনপটিক পরিস্থিতি অনুযায়ী, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

  • শীত আরও কয়দিন? কুয়াশা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    শীত আরও কয়দিন? কুয়াশা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    এবিএনএ: দেশজুড়ে শীত ও কুয়াশার প্রভাব আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারাদেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে এবং রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা দেখা দিতে পারে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সময়ে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার প্রভাব উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    প্রথম দিনের পূর্বাভাসে জানানো হয়, সারাদেশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাসেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন হবে না।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে তৃতীয় দিনে দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা দেখা দিতে পারে। এই সময়ে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও দিনের তাপমাত্রা প্রায় স্থিতিশীল থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে চতুর্থ দিনে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে পঞ্চম দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে এবং রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের পরেও দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা আপাতত নেই।

  • শেষরাত থেকে কুয়াশায় ঢাকবে দেশ: সকালের আগে দৃশ্যমানতা কমার সতর্কতা আবহাওয়া অফিসের

    শেষরাত থেকে কুয়াশায় ঢাকবে দেশ: সকালের আগে দৃশ্যমানতা কমার সতর্কতা আবহাওয়া অফিসের

    এবিএনএ: শেষরাত থেকে ভোর ও সকালবেলা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুয়াশার প্রভাব বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা সকালের দৃশ্যমানতা কমাতে পারে।

    শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব এলাকায় তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে এবং এই পরিস্থিতি আরও কিছু সময় স্থায়ী হতে পারে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারাদেশে আকাশ সাময়িকভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। রাতের তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই, তবে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টিপাতের তথ্য পাওয়া যায়নি। এ সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে ২৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে, যার বিস্তার উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে।

  • হাড় কাঁপানো শীতের সতর্কতা: আগামীকাল দেশের কিছু এলাকায় নামতে পারে ৬ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা

    হাড় কাঁপানো শীতের সতর্কতা: আগামীকাল দেশের কিছু এলাকায় নামতে পারে ৬ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা

    এবিএনএ: দেশজুড়ে কনকনে ঠাণ্ডার দাপট আরও বাড়তে যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। একই সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে ভোরের দিকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, বুধবার ভোরে রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু জেলায় ভোর ৬টার দিকে তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কুয়াশার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ফেনী, সিলেট ও সুনামগঞ্জ ছাড়া দেশের প্রায় ৬১টি জেলার ওপর কুয়াশার চাদর বিস্তৃত রয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকলেও অন্যান্য বিভাগে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় দুপুর ১২টার আগ পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলবে না। অন্য বিভাগগুলোতে সকাল ১০টা থেকে দুপুরের মধ্যে ধীরে ধীরে কুয়াশা কেটে রোদ উঠতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, চলতি জানুয়ারি মাসে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, সোমবার রাত থেকেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে এবং মাসের মধ্যে এক থেকে দুইটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    শীতের তীব্রতা বাড়ায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক ও আবহাওয়াবিদরা।

  • সারাদেশের আরও কমতে পারে তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদপ্তর

    সারাদেশের আরও কমতে পারে তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদপ্তর

    এবিএনএ: আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সারাদেশে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সামগ্রিকভাবে তাপমাত্রা নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও স্বল্প সময়ের জন্য রাত ও দিনের তাপমাত্রায় সামান্য ওঠানামা হতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে বিমান চলাচল, সড়ক ও নৌ যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

    বর্তমানে মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কিছু এলাকায় এই শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব ধীরে ধীরে কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    পরবর্তী কয়েক দিনে নদী অববাহিকা ও খোলা এলাকায় কুয়াশার প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার নাগাদ রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর নাগরিকদের শীত ও কুয়াশাজনিত ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

  • হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন দুশ্চিন্তা, দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন দুশ্চিন্তা, দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এবিএনএ: দেশজুড়ে চলমান হাড় কাঁপানো শীতের মধ্যেই নতুন করে দুশ্চিন্তার খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাসে জানানো হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যার প্রভাব উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানান, বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত সারাদেশে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

    ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপথ এবং সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ সময় সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে কুয়াশার প্রভাবে শীতের অনুভূতি আরও বাড়তে পারে।

    বুধবার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে কুয়াশার প্রকোপ অব্যাহত থাকবে। এ সময় দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়লেও শীতের অনুভূতি পুরোপুরি কমবে না।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পরবর্তী দুই দিন তাপমাত্রা প্রায় স্থির থাকতে পারে। এরপর আবারও শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপট: রাতে ঢাকায় আরও বাড়তে পারে শীত

    কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপট: রাতে ঢাকায় আরও বাড়তে পারে শীত

    এবিএনএ: গত কয়েক দিন ধরে সারা দেশের মতো রাজধানী ঢাকাতেও শীতের দাপট স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকেই কুয়াশার আস্তরণে ঢেকে যায় আকাশ, সঙ্গে হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়ে স্বাভাবিক জনজীবন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

    সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া ঢাকা ও আশপাশের এলাকার আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময় আকাশ প্রধানত শুষ্ক থাকবে। তবে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বিরাজ করতে পারে, যা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করে তুলবে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ছিল ৯১ শতাংশ।

    দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে।

  • রাত বাড়লেই বাড়বে শীতের কামড়, উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশার সতর্কতা

    রাত বাড়লেই বাড়বে শীতের কামড়, উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশার সতর্কতা

    এবিএনএ: দেশজুড়ে রাতের শীত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা পড়তে পারে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে কোথাও কোথাও ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাব বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি মৌসুমী স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় দেশের আবহাওয়ায় শুষ্কতা বজায় থাকলেও কুয়াশা ও তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটতে পারে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রথম দিন সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমার আশঙ্কা রয়েছে।

    ২৬ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী কয়েক দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা দিতে পারে। কিছু দিনে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও সামগ্রিকভাবে শীতের অনুভূতি বজায় থাকবে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে, ফলে শীতের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • দেশজুড়ে নামছে শীতের আমেজ: রাতের তাপমাত্রা কমবে, ভোরে পড়বে কুয়াশা

    দেশজুড়ে নামছে শীতের আমেজ: রাতের তাপমাত্রা কমবে, ভোরে পড়বে কুয়াশা

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ধীরে ধীরে বাড়ছে শীতের প্রভাব। সন্ধ্যার পর থেকেই ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে, আর রাতের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী কয়েক দিন সারাদেশেই শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে, তবে ভোরের দিকে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় হালকা কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। দিনের তাপমাত্রাও সামান্য কমবে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সারাদেশে আপাতত বৃষ্টি নেই, তবে রাতের তাপমাত্রা ক্রমেই নিচের দিকে নামছে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী চার দিন শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে। প্রতিদিন ভোরে উত্তরাঞ্চলে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। ১০ নভেম্বর থেকে রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ১১ নভেম্বর রাতের তাপমাত্রা আবারও সামান্য নামতে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। পাঁচ দিনের শেষ দিকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শীতের অনুভূতি টিকে থাকবে।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় থেকেই ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের আমেজ শুরু হচ্ছে। উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ডিসেম্বরের শুরুতেই শীত পুরোপুরি প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    শীতপ্রবণ অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের এখন থেকেই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।