Tag: কর্মসংস্থান

  • মৌলিক সুবিধা দেশের সব অঞ্চলে গড়ে তোলার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

    মৌলিক সুবিধা দেশের সব অঞ্চলে গড়ে তোলার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকার ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ মৌলিক নাগরিক সুবিধা ধাপে ধাপে দেশের সব অঞ্চলে সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুযোগ-সুবিধা ঢাকাকেন্দ্রিক হওয়ায় মানুষ বাধ্য হয়ে রাজধানীমুখী হচ্ছে, এই প্রবণতা কমাতে বিকেন্দ্রীকরণই হবে সরকারের মূল লক্ষ্য।

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দন আহমদ।

    কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম রাজধানী ঢাকাকে বাসযোগ্য ও আধুনিক নগরীতে রূপ দিতে জনঘনত্ব নিয়ন্ত্রণ ও প্রশাসনিক-অর্থনৈতিক কার্যক্রম ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা জানতে চান। তিনি বলেন, ঢাকার নাগরিক সমস্যা সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন এবং মানুষের ঢাকামুখী প্রবণতা কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

    জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্মসংস্থান, উন্নত চিকিৎসা ও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাকেন্দ্রিকভাবে গড়ে উঠেছে। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ কাজ, পড়াশোনা ও চিকিৎসার প্রয়োজনেই রাজধানীতে চলে আসে। এই বাস্তবতা পরিবর্তনে সময়সাপেক্ষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

    সরকারপ্রধান আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে শিল্পায়ন বাড়াতে বিশেষ শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ চলছে। পাশাপাশি জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে উন্নত চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ এবং আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কাজও ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

    তিনি বলেন, এসব সুযোগ-সুবিধা যদি আঞ্চলিকভাবে গড়ে ওঠে, তাহলে মানুষের ঢাকায় আসার প্রয়োজন কমে যাবে। এর ফলে রাজধানীর ওপর চাপ কমবে এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নও ভারসাম্যপূর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

  • জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা: অপচয় কমাতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, ভর্তুকিতে চাপ সামাল দিচ্ছে সরকার

    জ্বালানি সংকটের সতর্কবার্তা: অপচয় কমাতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান, ভর্তুকিতে চাপ সামাল দিচ্ছে সরকার

    এবিএনএ:  জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের সব স্তরে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি খাতে চাপ বাড়লেও সরকার জনগণের স্বার্থে দাম বাড়ায়নি; বরং প্রতিদিন বিপুল ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত স্বাধীনতা পুরস্কার–২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও দেশে জনদুর্ভোগ এড়াতে সরকার এখনো মূল্য সমন্বয় করেনি। এতে প্রতিদিন শত কোটি টাকার বেশি ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও সরকার স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখতে কাজ করছে। জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে সংকট মোকাবিলায় রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে পারিবারিক পর্যায়েও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে তিনি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। জ্বালানি খাতে অপচয় কমাতে সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ওপর চাপ কমবে।

    স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান

    অনুষ্ঠানে দেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় জীবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) সহ ১৫ জন ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

    সরকারের অগ্রাধিকার তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী

    নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি, দুর্বল প্রশাসন ও অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সরকার যাত্রা শুরু করেছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জনজীবনে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

    তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন ও দুর্নীতি দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখন বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থনীতির পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থাকেও আধুনিক ও কর্মমুখী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষাকে বাস্তবমুখী করতে হবে। এ লক্ষ্যে শিক্ষা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করাকে উন্নয়নের অন্যতম শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

    ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ শুরু করেছে। দলীয় ইশতেহার ও ঘোষিত জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের ব্যাপারে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তার মতে, কেবল নীতিগত পরিবর্তন নয়, মানসিকতার পরিবর্তনও জরুরি।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলামসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুরস্কারপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে কয়েকজন অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

  • ফ্যামিলি কার্ডে মাসিক সহায়তা থেকে ১০ লাখ চাকরি—বিএনপির ইশতেহারে যেসব বড় চমক থাকছে

    ফ্যামিলি কার্ডে মাসিক সহায়তা থেকে ১০ লাখ চাকরি—বিএনপির ইশতেহারে যেসব বড় চমক থাকছে

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার প্রকাশ করা হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    বিএনপির এবারের ইশতেহার মূলত ‘রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা’ ও পূর্বঘোষিত ‘২৭ দফা’র সমন্বয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও সুশাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    দলীয় সূত্র জানায়, ইশতেহারের সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগ হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’। এই কর্মসূচির আওতায় প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা অথবা চাল, ডাল, তেল ও লবণের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্যাকেজ দেওয়া হবে। নারীদের আর্থিক ক্ষমতায়ন ও পরিবারভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষাই এর মূল লক্ষ্য।

    কৃষি খাতকে পুনরুজ্জীবিত করতে প্রবর্তন করা হবে ‘কৃষি কার্ড’। এর মাধ্যমে কৃষকরা সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষিযন্ত্র ন্যায্যমূল্যে পাবেন। পাশাপাশি কৃষি বীমা, সহজ শর্তে ঋণ, সেচ সুবিধা এবং মোবাইলে আবহাওয়া ও বাজারদরের তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    কর্মসংস্থান ইস্যুতে বিএনপি দিয়েছে বড় প্রতিশ্রুতি। দলটির লক্ষ্য আগামী ১৮ মাসে সরকারি-বেসরকারি ও পিপিপি উদ্যোগে ১০ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি। এজন্য মাধ্যমিক স্তর থেকেই কারিগরি শিক্ষা ও বিদেশি ভাষা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রায় এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় অংশই নারী। শিক্ষা খাতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মিড-ডে মিল চালুর অঙ্গীকার করা হয়েছে।

    ইশতেহারে ধর্মীয় ও সামাজিক মর্যাদার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়ের প্রধানদের জন্য মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

    পরিবেশ রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণ, ক্রীড়া খাতে প্রতিটি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ এবং দুর্নীতি দমনে শক্তিশালী দুদক ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক কাঠামো গঠনের অঙ্গীকারও রয়েছে ইশতেহারে।

    বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, এই ইশতেহার কোনো কাগুজে স্বপ্ন নয়; বরং সাধারণ মানুষের জীবন বদলের বাস্তব পরিকল্পনা।

  • জনগণের স্বপ্ন উপেক্ষিত হলে আবারও ঘটতে পারে গণঅভ্যুত্থান: সতর্ক করলেন নাহিদ ইসলাম

    জনগণের স্বপ্ন উপেক্ষিত হলে আবারও ঘটতে পারে গণঅভ্যুত্থান: সতর্ক করলেন নাহিদ ইসলাম

    এবিএনএ: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, জনগণের মৌলিক চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষা বারবার অবহেলিত হলে ভবিষ্যতে আবারও নতুন গণঅভ্যুত্থান ঘটতে পারে। তিনি জানান, বিগত সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় এমন এক পক্ষপাতদুষ্ট ব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল, যেখানে ক্ষমতা ছিল লুটেরা ও মাফিয়া শ্রেণির হাতে এবং সাধারণ মানুষ বঞ্চিত ছিল তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে।

    শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। সম্মেলনের আয়োজক ছিল ‘দৈনিক বণিক বার্তা’।

    তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের বৈষম্যমূলক নীতি মানুষের মধ্যে অসন্তোষ, ক্ষোভ ও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছিল। তরুণদের নেতৃত্বে সেই প্রত্যাশা থেকে জন্ম নেয় জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান, যা ছিল বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে একটি ন্যায্য আন্দোলন।

    বর্তমান চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সামনে দুটি বড় সংকট—কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ ও শহরাঞ্চলের মধ্যবিত্ত এবং তরুণ সমাজের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক সেবায় ন্যায্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, নতুন রাষ্ট্রীয় বিন্যাসে নগর পরিবহন ব্যবস্থা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, তরুণদের দক্ষতা বিকাশ ও মানসম্মত কর্মসংস্থানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

    প্রবাসীদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অংশ নিতে চান, কিন্তু ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া তা কখনো স্থায়ী হবে না। দুর্নীতি দমন ও সুশাসন নিশ্চিত না হলে বিদেশি বিনিয়োগও আকৃষ্ট হবে না।

    তিনি আরও বলেন, সমাজে যদি ফ্যাসিবাদী মনোভাব বজায় থাকে, তাহলে কোনো সংস্কার বা উন্নয়ন স্থায়ী হবে না। পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনতে কার্যক্রম চলছে, এবং দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পুনর্গঠনে আমরা সচেষ্ট থাকবো।

  • বিএনপি সরকার গঠন করলে গ্রামে গ্রামেই কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে : আমীর খসরু

    বিএনপি সরকার গঠন করলে গ্রামে গ্রামেই কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে : আমীর খসরু

    এবিএনএ:  বিএনপি ক্ষমতায় গেলে রাজধানী বা বড় শহরে কাজের খোঁজে মানুষকে আর ছুটে আসতে হবে না বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তাঁর দাবি, বিএনপি সরকার গঠন করলে গ্রামীণ অর্থনীতি হবে কর্মসংস্থানের কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ নিজ গ্রামেই কাজের সুযোগ পাবেন।

    সোমবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি)–এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘দক্ষ জনশক্তি: দেশ গঠনের মূল ভিত্তি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    আমীর খসরু বলেন, “বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রথম এক বছরের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। আমাদের লক্ষ্য নতুন বাংলাদেশ গড়া— যেখানে জনসংখ্যা হবে জনসম্পদ।”

    তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর সমন্বয়ের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই আইটি, কলসেন্টার, নার্সিং ও আধুনিক কুটির শিল্পে বিপ্লব ঘটানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ এবং তাদের তৈরি পণ্যের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং নিশ্চিত করা হবে।

    সরকারি দপ্তরে হয়রানি ও দুর্নীতি কমাতে ডিজিটাল সেবার প্রসার ঘটানো হবে বলেও জানান তিনি। তাঁর ভাষায়, “জনগণের সময় ও অর্থের অপচয় বন্ধ করাই হবে আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার।”

    বিএনপি নেতা আরও বলেন, ঢাকায় বসে নয়, জনগণের রায় নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে। জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়াই বিএনপির মূল লক্ষ্য। এছাড়া ক্ষমতায় এলে কোনো মেগাপ্রকল্প নেওয়া হবে না, বরং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বাজেটের ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

    সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আইডিইবি’র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু ও ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী আশরাফুল আলম।

  • তারেক রহমানের ঘোষণা: কৃষকের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে বিএনপি

    তারেক রহমানের ঘোষণা: কৃষকের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে বিএনপি

    এবিএনএ: বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে কৃষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের শক্তি নিহিত আছে সেই কৃষকের হাতে, যারা প্রতিদিন এই মাটিকে জীবন্ত রাখে। বিএনপি সেই হাতগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে কৃষকরাই আগামী বাংলাদেশের উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তার চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারেন।

    বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, “একটি অনিশ্চিত বিশ্বে বাংলাদেশ প্রমাণ করতে পারে যে খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন ও কৃষকের মর্যাদা কোনো স্বপ্ন নয়, বরং তা অর্জনযোগ্য বাস্তব।”

    তিনি জানান, বিএনপি নতুন প্রযুক্তি, জ্ঞান ও উদ্ভাবনী চিন্তার মাধ্যমে একটি অংশীদারিত্বভিত্তিক খাদ্য ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখে। এই ব্যবস্থায় কৃষককে সম্মান দেওয়া হবে, প্রযুক্তিকে কাজে লাগানো হবে এবং বৈশ্বিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হবে—যাতে পুষ্টিসমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারে।

    তারেক রহমান এই লক্ষ্যে ছয়টি মূল কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন—(১) কৃষকের কার্ড উদ্যোগ, (২) জলবায়ু সহনশীল কৃষি, (৩) পানি নিরাপত্তা ও সংরক্ষণমূলক কৃষি, (৪) পুষ্টি ও মানব উন্নয়ন, (৫) কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং (৬) পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন।

    তিনি জানান, প্রত্যেক কৃষককে দেওয়া হবে একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিচয়পত্র। এর মাধ্যমে তারা মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি ভর্তুকি, ঋণ, ফসল বীমা, ন্যায্যমূল্য ও সরকারি ক্রয় সুবিধা পাবেন। এছাড়া ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল পুনরুদ্ধার, সম্প্রদায়ভিত্তিক সেচব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন এবং আধুনিক তিস্তা ও গঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    তারেক রহমান বলেন, “আমাদের পরিকল্পিত উদ্যোগগুলো কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাতে ১৩ লাখ নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করবে, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে নতুন গতি দেবে।”

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন নেতৃত্ব গ্রহণ করেন, তখন দেশ দুর্ভিক্ষে জর্জরিত ছিল। তাঁর নেতৃত্বেই সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ, খাল পুনঃখনন ও বহুবর্ষজীবী ফসল চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে যায়। সেই আদর্শেই বিএনপি কৃষকের পাশে থেকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে চায়।

  • কর্মসংস্থান সংকট মহামারীর মতো বিস্তার লাভ করছে: ড. হোসেন জিল্লুরের সতর্কবার্তা

    কর্মসংস্থান সংকট মহামারীর মতো বিস্তার লাভ করছে: ড. হোসেন জিল্লুরের সতর্কবার্তা

    এবিএনএ:  বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিশিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তাঁর মতে, ধীরগতির প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ খরা ও মানসম্মত শিক্ষার অভাব এ পরিস্থিতিকে মহামারীর মতো ছড়িয়ে দিয়েছে।

    শনিবার আয়োজিত এক অনলাইন সংলাপে তিনি বলেন, শিক্ষা ও শিখন উভয় ক্ষেত্রেই দেশ পিছিয়ে পড়েছে, ফলে তরুণরা চাকরির সুযোগ পাচ্ছে না।

    পিপিআরসির গবেষণার ফলাফল তুলে ধরে তিনি জানান, ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে ১০ শতাংশ। কভিড-১৯, রাজনৈতিক স্থবিরতা, মূল্যস্ফীতি ও দীর্ঘস্থায়ী রোগ দারিদ্র্য বৃদ্ধির মূল কারণ। প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশের ৫১ শতাংশ পরিবারে অন্তত একজন দীর্ঘস্থায়ী রোগী রয়েছেন, ৪০ শতাংশ মানুষ ক্রমাগত ঋণের বোঝা বইছেন।

    গবেষণায় আরও বলা হয়, ১২ শতাংশ দরিদ্র পরিবার খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, ৩৬ শতাংশ মানুষ এখনো স্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিন ব্যবহার করতে পারছে না। কর্মসংস্থান বিবেচনায় ৩৮ শতাংশ মানুষ বেকার এবং ৪৫ শতাংশ আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত।

    অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান বলেন, দারিদ্র্যের হার সবসময়ই বেশি ছিল, কিন্তু কোনো সরকারই যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি। তাঁর মতে, অন্তর্বর্তী সরকারকে এখনই অন্তত ১৮-২৪ মাসের একটি শক্তিশালী কর্মসূচি নিতে হবে।

    সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন জানান, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি তথাকথিত ‘চাকরিহীন প্রবৃদ্ধি’। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২৩-২৪ শতাংশে আটকে আছে, বৈদেশিক বিনিয়োগ জিডিপির ১ শতাংশেরও নিচে। এ হারে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি অসম্ভব।

    এছাড়া ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন সতর্ক করেন, নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ বিশেষত শহরাঞ্চলে কমছে, যা শ্রমবাজারের জন্য উদ্বেগজনক।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সেলিম রায়হান বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন কার্যকর অর্থনৈতিক সংস্কার ও মানসম্মত প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।

    সংলাপে অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও শিক্ষাবিদরা অংশ নিয়ে কর্মসংস্থান সংকট নিরসনে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

  • মহেশখালী-মাতারবাড়ীতে গড়ে উঠছে নতুন শহর: প্রফেসর ইউনূসের ভিশন

    মহেশখালী-মাতারবাড়ীতে গড়ে উঠছে নতুন শহর: প্রফেসর ইউনূসের ভিশন

    এবিএনএ:  প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, মহেশখালী-মাতারবাড়ী কেবল একটি গভীর সমুদ্র বন্দরকেন্দ্রিক এলাকা নয়, বরং সেখানে একটি নতুন শহরের জন্ম হবে। বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নবগঠিত মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    বৈঠকে মিডার চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন প্রকল্পের তিন ধাপের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, ২০২৫ থেকে ২০৫৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং দেশের জিডিপিতে যুক্ত হবে দেড়শ’ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “শুধু একটি বন্দর নয়, আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি পূর্ণাঙ্গ ব্লু ইকোনমি গড়ে তোলা। এখান থেকে বিশ্বব্যাপী কানেক্টিভিটি তৈরি হবে, আর সমুদ্রই হবে আমাদের আন্তর্জাতিক মহাসড়ক।”

    ইউনূস গভীর সমুদ্র গবেষণা, আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপন ও একাডেমিক গবেষণার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি পরামর্শ দেন, ওশান ইকোনমি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করতে হবে এবং বিশ্বের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা নিতে হবে।

    বৈঠকে পরিবেশ সংরক্ষণ ও ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রফেসর ইউনূস জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের বনভূমির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যতের রূপ কেমন হবে, তা নিয়ে এখনই পরিকল্পনা করা জরুরি।”

  • তারেক রহমানের ঘোষণা: স্লোগাননির্ভর রাজনীতির যুগ শেষ, এখন লক্ষ্য কর্মসংস্থান

    তারেক রহমানের ঘোষণা: স্লোগাননির্ভর রাজনীতির যুগ শেষ, এখন লক্ষ্য কর্মসংস্থান

    এবিএনএ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্লোগাননির্ভর রাজনীতির দিন শেষ হয়ে গেছে। এখন দেশের মানুষ বাস্তবসম্মত পরিবর্তন চায়, আর সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু হবে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন।

    আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় তিনি বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার দিকনির্দেশনা দেন।

    তারেক রহমান জানান, দেশের অধিকাংশ জনগণ কর্মক্ষম বয়সে রয়েছে। এই জনসংখ্যাকে উৎপাদনশীল জনশক্তিতে রূপান্তর করাই বিএনপির অন্যতম লক্ষ্য। এজন্য কারিগরি শিক্ষার প্রসার, প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন এবং খেলাধুলায় প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “যুব সমাজকে দক্ষ করে তুলতে পারলেই তারা দেশের উন্নয়নে আশীর্বাদ হয়ে উঠবে।”

    তিনি ‘নতুন কুড়ি’ পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়ে জানান, এবার এতে খেলাধুলার বিষয়ও যুক্ত থাকবে। ক্রীড়া শিক্ষাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও দেন তিনি, যাতে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, সাংবাদিক মুক্তাদির রশীদ রুমি, শরীফুল ইসলাম খান এবং নাট্যনির্মাতা মাবরুর রশিদ বান্নাহ।

  • অতি শিগগিরই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান, নেতাকর্মীদের ঐক্যের আহ্বান

    অতি শিগগিরই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান, নেতাকর্মীদের ঐক্যের আহ্বান

    এবিএনএ:  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, ইনশাআল্লাহ খুব শিগগিরই তিনি দেশবাসীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করবেন। রবিবার রাজশাহী মহানগর বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তারেক রহমান বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ বিএনপির ওপর আস্থা রাখে। সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে পুনর্গঠনের পথে এগোতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরের রমজানের আগেই নির্বাচনের মাধ্যমে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হবে। তবে এরপরও নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

    জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার সরকারের পতনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় আমরা স্বৈরাচারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে সক্ষম হয়েছি।”

    বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে তারেক রহমান অভিযোগ করেন, স্বৈরাচারী শাসন দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সেসব ক্ষেত্র পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেবে। পাশাপাশি দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষার প্রসার ও তরুণদের ভবিষ্যৎ গঠনে কাজ করবে।

    দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনই হবে বিএনপির মূল লক্ষ্য। এজন্য দলকে মানুষের কাছে নিয়ে যেতে হবে এবং তাদের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে।