Tag: করোনাভাইরাস বাংলাদেশ

  • করোনায় ফের একজনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২৬

    করোনায় ফের একজনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২৬

    এবিএনএ:

    দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আবারও একজনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ২৬ জন।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একই সময়ে ২৯১টি নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে এসব তথ্য উঠে এসেছে। নতুন আক্রান্তসহ দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮৩৩ জনে। আর মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫০৩ জনে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪০৫ জনে।

    উল্লেখ্য, এর আগের দিন শনিবার দেশে করোনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি, তবে শুক্রবার দুইজনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, করোনার প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও এর বিস্তার রোধে সতর্কতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। বিশেষ করে যাদের বয়স বেশি বা আগে থেকে রোগ আছে, তাদের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

  • দেশে আবার করোনার হানা, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত ১০ জন!

    দেশে আবার করোনার হানা, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত ১০ জন!

    এবিএনএ:

    বাংলাদেশে আবারও নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তবে আশার কথা হলো, এ সময়ে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    বুধবার পাঠানো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত করোনা বুলেটিনে জানানো হয়, এই ২৪ ঘণ্টায় মোট ১০৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়, যেখানে শনাক্তের হার ছিল ৯.৩৫ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৭০ জনে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দেশে করোনা শনাক্তের শুরু থেকে এ পর্যন্ত পরীক্ষার ভিত্তিতে গড় শনাক্তের হার ১৩.০৫ শতাংশ এবং মোট মৃত্যুহার ১.৪৪ শতাংশ।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। একই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এরপর ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দিন দু’টিতে সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মৃত্যুবরণ করেন।

    দেশে করোনা সংক্রমণ বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিয়মিত নজরদারি ও পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসচেতনতা ও টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখাই এ ভাইরাস প্রতিরোধে মূল চাবিকাঠি।