Tag: ওসমান হাদি

  • আধিপত্যবাদবিরোধী স্লোগানে মুখর রাজধানী

    আধিপত্যবাদবিরোধী স্লোগানে মুখর রাজধানী

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে ব্যাপক বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি ও আধিপত্যবাদবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, ছাত্রসংগঠন ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে শুক্রবার পুরো শাহবাগ এলাকা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে।

    শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে বিক্ষোভকারীরা শাহবাগে জড়ো হন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনসমাগম বাড়তে থাকায় শাহবাগ কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

    সমাবেশস্থলে ‘দিল্লি না ঢাকা—ঢাকা, ঢাকা’, ‘হাদি ভাই কবরে—খুনি কেন বাইরে’, ‘আজাদী না রাজপথ—রাজপথ, রাজপথ’সহ নানা স্লোগানে প্রতিবাদ জানান আন্দোলনকারীরা।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন ঘটলেও তাদের সহযোগীরা এখনো সক্রিয় রয়েছে। তারা পরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করতে সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে। তিনি হাদি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

    জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান রাশেদ প্রধান বলেন, ওসমান হাদির মৃত্যু একটি আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে এবং দেশের মাটিতে কোনো বিদেশি প্রভাব মেনে নেওয়া হবে না বলে তিনি ঘোষণা দেন।

    সমাবেশে অংশ নেওয়া রায়েরবাগ থেকে আসা বাবলা ও সজীব বলেন, একজন সাহসী কণ্ঠস্বরকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাই খুনিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতেই তারা রাজপথে নেমেছেন।

    কাঁঠালবাগান থেকে আগত মৌসুম সিদ্দিক বলেন, গণআন্দোলনের পরও এমন হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে বিচারব্যবস্থার দুর্বলতা। তিনি অবিলম্বে দায়ীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

    সমাবেশে ইনকিলাব মঞ্চ ছাড়াও জুলাই ঐক্য, এবি পার্টি, ডাকসু, জাগপাসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • শেষ ঠিকানায় ওসমান হাদি: ঢাকায় পৌঁছেছে মরদেহ

    শেষ ঠিকানায় ওসমান হাদি: ঢাকায় পৌঁছেছে মরদেহ

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ অবশেষে দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৩৮৫ নম্বর ফ্লাইটে তার মরদেহ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

    এর আগে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩ মিনিটে সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

    উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে নির্বাচনি প্রচারণা চলাকালে সন্ত্রাসীদের গুলিতে মাথায় গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয় তাকে। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়।

    দীর্ঘ চিকিৎসা প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • সিঙ্গাপুরে অস্ত্রোপচারের পর ওসমান হাদির মৃত্যু, যে তথ্য জানালেন চিকিৎসক ডা. আহাদ

    সিঙ্গাপুরে অস্ত্রোপচারের পর ওসমান হাদির মৃত্যু, যে তথ্য জানালেন চিকিৎসক ডা. আহাদ

    এবিএনএ:  ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হওয়ার পর তার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসক এবং ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের (এনএইচএ) সদস্য সচিব ডা. মো. আব্দুল আহাদ।

    বৃহস্পতিবার রাতে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ডা. আহাদ জানান, বাংলাদেশ সময় বিকেল পাঁচটার দিকে হাদির পরিবার অস্ত্রোপচারের জন্য সম্মতি দেয়। এরপর তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। অপারেশন শেষ হওয়ার পর আর কোনো চিকিৎসা আপডেট পাওয়া যায়নি। পরে সরাসরি তার মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়।

    হাদির মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. আব্দুল আহাদ বলেন, মৃত্যুর খবরটি এইমাত্র পাওয়া গেছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

    উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগ কার্যক্রম চলাকালে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে অস্ত্রোপচারের পর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

  • জীবন-মৃত্যুর কঠিন লড়াইয়ে ওসমান হাদি, চিকিৎসকদের দৃষ্টি এখন ‘টাইম উইন্ডোতে’

    জীবন-মৃত্যুর কঠিন লড়াইয়ে ওসমান হাদি, চিকিৎসকদের দৃষ্টি এখন ‘টাইম উইন্ডোতে’

    এবিএনএ: সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসাধীন অবস্থায় এখনো জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন ওসমান হাদি। চিকিৎসকদের সর্বশেষ মূল্যায়নে তার শারীরিক অবস্থাকে গুরুতর বলেই উল্লেখ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুরে সিঙ্গাপুরে ওসমান হাদির চিকিৎসা পরিস্থিতি সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য জানান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জন ও তার চিকিৎসা দলের সদস্য ডা. আহাদ। তিনি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বরাতে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

    ডা. আহাদ জানান, সর্বশেষ মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী ওসমান হাদির মস্তিষ্কে ইস্কোমিক পরিবর্তন এবং ব্রেন ইডেমা বা মস্তিষ্কের ফোলা এখনো কমেনি। চিকিৎসকেরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তার অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছেন।

    চিকিৎসকদের মতে, এই মুহূর্তে পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতার জন্য স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা দোয়া কামনা করছেন।

  • হাদির অবস্থা নিয়ে চিকিৎসকদের উদ্বেগ, এখনো জীবনঝুঁকিতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র

    হাদির অবস্থা নিয়ে চিকিৎসকদের উদ্বেগ, এখনো জীবনঝুঁকিতে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র

    এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা এখনও গুরুতর ও ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছে তার চিকিৎসায় নিয়োজিত মেডিকেল বোর্ড। চিকিৎসকদের মতে, আপাত উন্নতির কিছু লক্ষণ থাকলেও সার্বিক পরিস্থিতি এখনো সংকটজনক পর্যায়ে রয়েছে।

    রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের মাল্টিডিসিপ্লিনারি মেডিকেল বোর্ড দ্বিতীয় দিনের মতো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়। এতে জানানো হয়, পরিস্থিতির প্রয়োজনে রোগীকে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।

    মেডিকেল বোর্ড জানায়, রোগীর পরিবার অথবা সরকারিভাবে বিদেশে চিকিৎসার উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সব প্রক্রিয়ায় এভারকেয়ার হাসপাতাল পূর্ণ সহায়তা করবে। বর্তমান অবস্থায় রোগীর সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করাই বোর্ডের প্রধান লক্ষ্য।

    এর আগে গত ১২ ডিসেম্বর গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ওসমান হাদির ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন দেখা দিলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।

    সর্বশেষ সিটি স্ক্যান রিপোর্টে তার মস্তিষ্কে ফোলা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যা চিকিৎসকদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। যদিও ফুসফুস ও কিডনির কার্যকারিতা আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে ব্রেন স্টেমে আঘাতজনিত জটিলতা থাকায় সার্বিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।

    এদিকে চিকিৎসকরা রোগীর বিষয়ে গুজব ও অনুমাননির্ভর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর দোয়া কামনা করেছে মেডিকেল বোর্ড।

  • হাদি’র উপর হামলার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

    হাদি’র উপর হামলার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

    এবিএনএ, শরণখোলা: শুক্রবার দুপুরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে বাগেরহাটের শরণখোলায় বিক্ষোভ মিছিল ও বিক্ষোভ সভা করেছে শরণখোলা উপজেলা বিএনপি। ১৩ ডিসেম্বর শনিবার বিকেল ৪:০০ টায় শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা পাঁচরাস্তা থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি রায়েন্দা বাজার প্রদক্ষিণ করে শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে শেষ হয়।

    বিক্ষোভ মিছিল শেষে শরণখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খান মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য রাখেন, শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন বাদল, সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল আলম লিটন,ধানসাগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অহিদুজ্জামান বাবু, রায়েন্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ, শরণখোলা উপজেলা যুবদল নেতা মাসুম হোসেন, শরণখোলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মদলের সভাপতি রবিউল ইসলাম, খোন্তাকাটা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি স্বাধীন জোমাদ্দারসহ শরণখোলা উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

    এ সময় সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল আলম লিটন বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করতেই ওসমান হাদীর উপর হামলা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের গুন্ডারা এই ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

    শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিউদ্দিন বাদল বলেন, ওসমান হাদীর উপর হামলা সম্পুর্ন পরিকল্পিত। জুলাই আন্দোলনের অগ্রসেনা ওসমান হাদীর উপর হামলায় জড়িতদের অতিদ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।

    শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক খান মতিয়ার রহমান বলেন, ওসমান হাদীর উপর হামলা বর্তমান বাংলাদেশে একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এই ঘটনায় আওয়ামী প্রেতাত্মারা জড়িত। শরণখোলা উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং ওসমান হাদীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।

  • হাদিকে গুলির ঘটনার প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ

    হাদিকে গুলির ঘটনার প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ

    এবিএনএ,মোংলা: ঢাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদির উপর গুলির ঘটনার প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের পৌর ও উপজেলা শাখার আয়োজনে নেতা-কর্মীরা শুক্রবার রাতে মোংলা পৌর শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরে এ ঘটনার প্রতিবাদে পৌর মার্কেট চত্বরে আধা ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।

    এ অবস্থান কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের মোংলা পৌর সভাপতি মোঃ নাঈম বিন রফিক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলআমিন কাজী, উপজেলা সভাপতি মোঃ ফরহাদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল বিন আব্দুল আজিজ ও পৌর যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম।

    এ সময় বক্তারা বলেন, হাদির উপর যারা গুলি চালিয়েছে তাদেরকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করা না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। প্রয়োজনে আবারও জুলাইর মত আন্দোলন শুরু করা হবে।

    বিক্ষোভ, প্রতিবাদ ও অবস্থান কর্মসূচি শেষে হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • ইনকিলাব মঞ্চের হাদিকে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

    ইনকিলাব মঞ্চের হাদিকে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

    এবিএনএ,চট্টগ্রাম: শরীফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল করেছে একাধিক সংগঠন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ‘বীর চট্টলার ছাত্র-জনতা’ ব্যানারে নগরীর দুই নম্বর গেইট এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। তারা অবিলম্বে হাদির হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

    মিছিলে এনসিপি, ইনকিলাব মঞ্চ ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ছিলেন। এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব সাগুফতা বুশরা মিশমা ও চট্টগ্রাম নগরের সমন্বয়কারী রিদুয়ান হৃদয়কে দেখা যায় মিছিলে।

    সন্ধ্যা ৬টায় নগরীর বিপ্লব উদ্যানে অবস্থান নেয় শতাধিক ছাত্রজনতা। পরে তারা দুই নম্বর গেট মোড়ে গিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। সেখানে ১০ মিনিট অবস্থানের পর মিছিল নিয়ে নগরীর জিইসি মোড়ের দিকে যান বিক্ষোভকারীরা।

    রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর দেওয়ানহাট মোড় থেকে আগ্রাবাদ পর্যন্ত মিছিল করে ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম নগর দক্ষিণ শাখা। আর রাত ৯টায় নগরীর চন্দনপুরা এক্সেস রোড এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম নগর উত্তর শাখা।
    এর আগে বিকেলে নগরীর বিপ্লব উদ্যান এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে নগর ছাত্রদল।

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু):
    ক্যাম্পাসের জিরো পয়েন্ট থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে সোহরাওয়ার্দীর মোড় ঘুরে আবার জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ শেষে মাগরিবের নামাজের পর জিরো পয়েন্ট মসজিদে ওসমান হাদির সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল হয়।

    শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকার বিজয়নগরে বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হাদি। মাথায় গুলিবিদ্ধ হাদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।পরে তাকে ‘লাইফ সাপোর্টে’ রাখার কথা জানান হাসপাতালের পরিচালক। এখন তাকে ঢাকার বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

  • গুলির আঘাতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ওসমান হাদি, পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

    গুলির আঘাতে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ওসমান হাদি, পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

    এবিএনএ: গুলিতে গুরুতর আহত ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। চিকিৎসকদের মতে, তার চিকিৎসা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আগামী ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এর আগে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

    শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণার সময় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে পরবর্তীতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    শনিবার দুপুরে হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এভারকেয়ার হাসপাতাল বাংলাদেশের মেডিকেল সার্ভিসেস পরিচালক ডা. আরিফ মাহমুদ জানান, ওসমান হাদির মস্তিষ্কে আঘাত অত্যন্ত জটিল। যদিও তার হৃদ্‌যন্ত্র সচল রয়েছে, তবে মস্তিষ্কের অবস্থা উদ্বেগজনক।

    তিনি আরও বলেন, মস্তিষ্কের স্টেমে আঘাতের কারণে রোগীর চোখের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না। তবে কিছুটা আশার দিক হলো—শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ এখনও কার্যকর রয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি বা অবনতি—সবকিছুর জন্য আরও সময় প্রয়োজন বলে জানান চিকিৎসক।