Tag: ওয়ানডে সিরিজ

  • রশিদ খানের ঘূর্ণিতে বিপর্যয়: দুইশ’র পরেই থেমে গেল বাংলাদেশের ইনিংস

    রশিদ খানের ঘূর্ণিতে বিপর্যয়: দুইশ’র পরেই থেমে গেল বাংলাদেশের ইনিংস

    এবিএনএ: আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে আবারও ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভুগল বাংলাদেশ। টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ১০১ রানের একমাত্র জুটি ছাড়া বাকিরা ছিলেন ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত দুইশ’র ঘর পেরিয়ে মাত্র ২১১ রানে গুটিয়ে যায় টাইগারদের ইনিংস।

    ইনিংসের শুরুটা একেবারেই মন্থর ছিল। ওপেনার তানজিদ তামিম মাত্র ১০ রান করে ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষকের হাতে। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত (২) একইভাবে ফিরেন ওমরজাইয়ের বলে। কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেও অভিষিক্ত সাইফ হাসান ২৬ রানের ইনিংসে থামেন সীমানায় ক্যাচ দিয়ে।

    চতুর্থ উইকেটে তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদী হাসান মিরাজ মিলে দলের হাল ধরেন। তাদের ব্যাটে আসে ১০১ রানের দারুণ জুটি। হৃদয় ৮৫ বল খেলে ৫৬ রান করেন, মিরাজ খেলেন ৮৭ বলে ৬০ রানের ইনিংস। দুজনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে কিছুটা আশা জাগলেও পরে রশিদ খানের ঘূর্ণিতে ছন্নছাড়া হয়ে পড়ে পুরো দল।

    রশিদের নিখুঁত গুগলিতে একে একে আউট হন মিরাজ, জাকের আলী (১০) ও নুরুল হাসান সোহান। ওমরজাই তিন উইকেট তুলে নিয়ে শুরুতে ধাক্কা দেন, আর গজনফর ইনিংসের শেষ দুই উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে দেন ৪৫তম ওভারে।

    বাংলাদেশের হয়ে এই ম্যাচে সর্বাধিক রান আসে মিরাজ (৬০) ও হৃদয়ের (৫৬) ব্যাট থেকে। বাকিদের কেউই দুই অঙ্কের বেশি রান করতে পারেননি। ফলে প্রথম ম্যাচেই চাপে পড়ে টাইগাররা।

  • রেকর্ড রান উৎসবে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক জয়, দক্ষিণ আফ্রিকা বিধ্বস্ত

    রেকর্ড রান উৎসবে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক জয়, দক্ষিণ আফ্রিকা বিধ্বস্ত

    এবিএনএ: দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচে রেকর্ড গড়ল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাকায়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ এরেনায় তারা ৪৩১ রানের পাহাড় গড়ে প্রোটিয়াদের গুঁড়িয়ে দিয়েছে। ম্যাচটি অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বাধিক বড় জয় হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

    ব্যাট হাতে দুর্দান্ত তিন সেঞ্চুরি উপহার দেন ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শ ও ক্যামেরুন গ্রিন। হেড খেলেন ১০৩ বলে ১৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস, যেখানে ছিল ১৭টি চার ও পাঁচটি ছক্কা। তার সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে অধিনায়ক মার্শ তুলে নেন ১০৬ বলে ১০০ রান। এরপর তিনে নামা গ্রিন ৫৫ বলে খেলেন বিস্ফোরক ১১৮ রানের ইনিংস, ছয়টি চার ও আটটি ছক্কার মার দিয়ে। অ্যালেক্স কেরিও দলীয় সংগ্রহে যোগ করেন দ্রুতগতির ৫০ রান।

    ৪৩১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা শুরুতেই ধসে পড়ে। মাত্র ৫০ রানের মধ্যেই তারা হারায় চার উইকেট। যদিও টনি ডি জর্জি (৩০ বলে ৩৩) ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস (২৮ বলে ৪৯) কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন, কিন্তু সেটি যথেষ্ট হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২৪.৫ ওভারে ১৫৫ রানে গুটিয়ে যায় প্রোটিয়ারা।

    অস্ট্রেলিয়ার তরুণ বাঁ-হাতি স্পিনার কুপার কনলি ছিলেন বোলিংয়ের নায়ক। মাত্র ২২ রানে পাঁচ উইকেট তুলে নেন তিনি। এছাড়া জাভিয়ের বার্টলেট ও শেন অ্যাবোট পান দুটি করে উইকেট।

    তবে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকাই। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার এই ঐতিহাসিক জয় দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে।

  • পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন শাহীন, নেই বাবর-রিজওয়ান!

    পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন শাহীন, নেই বাবর-রিজওয়ান!

    এবিএনএ: বাংলাদেশ সফর শেষে এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের পথে রওনা দিচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে তারা খেলবে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সফরের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে এসেছে বড় কিছু পরিবর্তন, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি দলে বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানকে রাখা হয়নি, যা অনেককে অবাক করেছে।

    অপরদিকে, পাকিস্তানের পেস তারকা শাহীন শাহ আফ্রিদি ফিরেছেন টি-টোয়েন্টি দলে। দীর্ঘ সময় পর বল হাতে ফেরার অপেক্ষায় থাকা শাহীন এই ফরম্যাটে নিজের জায়গা ফিরে পেয়েছেন।

    ওয়ানডে স্কোয়াডে আছেন ২২ বছর বয়সী তরুণ ব্যাটার হাসান নওয়াজ, যিনি সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে নজরকাড়া পারফরম্যান্সে সকলের দৃষ্টি কেড়েছেন। তার দ্রুততম সেঞ্চুরির ঝলক এবার ওয়ানডেতে দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সফল টি-টোয়েন্টি সিরিজের পরও ঘরের মাঠে খেলা হাসান আলী বাংলাদেশ সিরিজে ছিলেন না। তবে এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের দুই ফরম্যাটেই রয়েছেন তিনি। বাদ পড়েছেন সালমান মির্জা ও আব্বাস আফ্রিদি।

    এছাড়া মোহাম্মদ নওয়াজ ও হুসেইন তালাত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দুই দলেই নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন।

    এই সিরিজ দিয়ে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের ওয়ানডে দলের দায়িত্ব নিচ্ছেন সাদা বলের প্রধান কোচ মাইক হেসন। তার অধীনে রিজওয়ান ও বাবর আজম ওয়ানডেতে মাঠে নামবেন। পেস বোলিং বিভাগে নেতৃত্ব দেবেন শাহীন শাহ আফ্রিদি ও নাসিম শাহ।

    টি-টোয়েন্টি সিরিজের সূচি:
    শুরু হবে ৩১ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের লডারহিলে। বাকি দুটি ম্যাচ হবে ২ ও ৩ আগস্ট।

    ওয়ানডে সিরিজ:
    ৮, ১০ ও ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে ব্রায়ান লারা ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে, ত্রিনিদাদে।


    টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড:

    সালমান আলী আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, হারিস রউফ, হাসান আলী, হাসান নওয়াজ, হুসেইন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নওয়াজ, শাহিবজাদা ফারহান (উইকেটকিপার), সাইম আইয়ুব, শাহীন শাহ আফ্রিদি, সুফিয়ান মুকিম।


    ওয়ানডে স্কোয়াড:

    মোহাম্মদ রিজওয়ান (অধিনায়ক), সালমান আলী আগা, আব্দুল্লাহ শফিক, আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, হাসান আলী, হাসান নওয়াজ, হুসেইন তালাত, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নওয়াজ, নাসিম শাহ, সাইম আইয়ুব, শাহীন শাহ আফ্রিদি, সুফিয়ান মুকিম।


    পাকিস্তানের এই সফরে অভিজ্ঞ ও নতুনদের মিশেলে দল সাজানো হয়েছে। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে নতুন পরিকল্পনার ইঙ্গিত মিলেছে স্কোয়াডে বাবর ও রিজওয়ানকে না রাখার মাধ্যমে। এখন দেখার বিষয়, দল কেমন পারফর্ম করে এই চমকজাগানো কম্বিনেশন নিয়ে।