Tag: এনবিআর

  • কর রাজস্ব ঘাটতিতে আইএমএফের অব্যাহতি চাইবে বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন অর্থ উপদেষ্টা

    কর রাজস্ব ঘাটতিতে আইএমএফের অব্যাহতি চাইবে বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন অর্থ উপদেষ্টা

    এবিএনএ:  আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচির আওতায় কর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। ফলে আসন্ন পর্ষদ সভায় দেশটিকে অব্যাহতির আবেদন জানাতে হবে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে অন্যান্য সব শর্ত পূরণ হওয়ায় ঋণ কিস্তি অনুমোদনে বড় কোনো বাধা দেখা দেবে না বলেই আশা করা হচ্ছে।

    আগামী ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হবে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভা। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেবেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। সভায় বর্তমান ঋণ কর্মসূচি, রাজস্ব ঘাটতি এবং ভবিষ্যৎ আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে।

    আইএমএফের ডেভেলপমেন্ট মাইক্রো ইকোনমিক্স বিভাগের প্রধান ক্রিস পাপাজর্জির নেতৃত্বে একটি দল ২৯ অক্টোবর ঢাকা সফরে আসছে। তারা দুই সপ্তাহের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ষষ্ঠ কিস্তির (প্রায় ৮০ কোটি ডলার) ছাড়ের শর্তগুলো পর্যালোচনা করবে।

    ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত কর রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তবে অর্জিত হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা—অর্থাৎ ঘাটতি প্রায় ৬৪ হাজার কোটি টাকা। যদিও অন্য পাঁচটি সূচক পূরণ হয়েছে, যেমন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়া এবং বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখা।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কর আদায় ছাড়া আইএমএফের অন্য সব শর্ত প্রায় পূরণ হয়েছে—যেমন ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ, আর্থিক খাত সংস্কার এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ। এ কারণে রাজস্ব ঘাটতির বিষয়টি যুক্তিযুক্তভাবে ব্যাখ্যা করে অব্যাহতি চাওয়া হবে।

    বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশের অন্যান্য অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য। তাই আইএমএফের সঙ্গে আলোচনায় কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা শিথিল হতে পারে। তবে বিষয়টি বাধ্যতামূলক হওয়ায় চাপ থাকবে।”

    এদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, এটি সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হলেও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও রাজস্ব সংস্কার পরিকল্পনা আইএমএফকে আশ্বস্ত করবে। পূর্বে রিজার্ভ ঘাটতিতেও অব্যাহতি পাওয়া গিয়েছিল, ফলে এবারও ইতিবাচক ফল আসবে বলে প্রত্যাশা।

  • এনবিআর বিলুপ্ত, দুটি নতুন বিভাগ গঠনের অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন

    এনবিআর বিলুপ্ত, দুটি নতুন বিভাগ গঠনের অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের রাজস্ব কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে দুটি পৃথক বিভাগ গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ জন্য আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৩৯তম বৈঠকে ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এ পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী হবে বলে আশা করছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নে নতুন অধ্যাদেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    একই বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তির খসড়াও অনুমোদন করা হয়। এতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    এছাড়া, বৈঠকে সংস্কার কমিশনের দেওয়া সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কেও উপদেষ্টা পরিষদকে অবহিত করা হয়।

    সরকারি নীতিনির্ধারকদের মতে, এনবিআর বিলুপ্তির পর দুটি পৃথক বিভাগ গঠনের ফলে রাজস্ব আদায়, নীতি প্রণয়ন এবং ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় আরও জোরদার হবে এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমবে।

  • বদলির চিঠি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় এনবিআরের ৮ কর্মকর্তা বরখাস্ত

    বদলির চিঠি ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় এনবিআরের ৮ কর্মকর্তা বরখাস্ত

    এবিএনএ: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) প্রকাশ্যে বদলির আদেশ ছিঁড়ে প্রতিবাদ জানানোর ঘটনায় পাঁচ যুগ্ম কর কমিশনার ও তিন উপ-কর কমিশনারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে জারি হওয়া পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

    সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন—মাসুমা খাতুন (কর অঞ্চল-২), মুরাদ আহমদ (কর অঞ্চল-১৫), মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দিন (কুষ্টিয়া), মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা (নোয়াখালী), আশরাফুল আলম প্রধান (কক্সবাজার), শিহাবুল ইসলাম (উপ-কর কমিশনার), নুশরাত জাহান শমী (রংপুর) এবং ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল (কুমিল্লা)।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২২ জুন জারি হওয়া বদলির আদেশ প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলা এবং ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের কারণে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী, তাদেরকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকালীন তারা বিধি মোতাবেক খোরপোশ ভাতা পাবেন।

    এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটে ২৪ জুন, যখন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে একদল কর্মকর্তা বদলির আদেশকে ‘প্রতিহিংসামূলক’ উল্লেখ করে প্রকাশ্যে তা ছিঁড়ে ফেলেন। ঘটনাটি ঘটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ে। এর ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে শুরু হয় বিতর্ক।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বরখাস্তের পাশাপাশি একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

  • আন্দোলন থামিয়েও রেহাই নেই! এনবিআরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, বিপাকে মধ্যস্থতাকারীরা

    আন্দোলন থামিয়েও রেহাই নেই! এনবিআরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, বিপাকে মধ্যস্থতাকারীরা

    এবিএনএ:  এনবিআরের চলমান উত্তেজনার মাঝেই সরকার চারজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে অবসর ও এক কমিশনারকে বরখাস্ত করেছে। এদের মধ্যে আছেন এনবিআরের কর, শুল্কনীতি, মূসক নীতি ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। একই সঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আরও আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করেছে।

    আন্দোলনকারীদের দাবি, তারা ব্যবসায়ী নেতাদের অনুরোধে আন্দোলন থামিয়ে কাজে ফিরেছিলেন। সরকারের আশ্বাস ছিল—কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। কিন্তু বর্তমানে যা ঘটছে, তা পুরোপুরি উল্টো। এতে বিব্রত অবস্থায় পড়েছেন মধ্যস্থতাকারী ব্যবসায়ী নেতারাও।

    বুধবার যাদের অবসরে পাঠানো হয়েছে তারা হলেন এনবিআরের কর বিভাগের আলমগীর হোসেন, শুল্কনীতি ও আইসিটি বিভাগের হোসেন আহমদ, মূসক নীতি বিভাগের আবদুর রউফ ও কমিশনার মো. শব্বির আহমেদ। এর আগে মঙ্গলবার বরখাস্ত করা হয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার জাকির হোসেনকে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, সরকারি চাকরি আইন ২০১৮-এর ৪৫ ধারা অনুযায়ী ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় চারজনকে জনস্বার্থে অবসর দেওয়া হয়েছে।

    বিসিআই সভাপতি আনোয়ার উল আলম পারভেজ বলেন, “ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে মধ্যস্থতা করা হয়েছিল দেশের স্বার্থে। সরকার আশ্বস্ত করেছিল, কারও চাকরি যাবে না। এখন যা হচ্ছে, তাতে আমরাও বিব্রত।”

    আন্দোলন প্রত্যাহারকারী কর্মকর্তারা জানান, সরকারের প্রতিশ্রুতি ও মধ্যস্থতাকারী ব্যবসায়ীদের সম্মান রক্ষায় তারা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন বন্ধ করেন। কিন্তু এখন সেই কর্মকর্তারাই শাস্তির মুখে।

    দুদক একাধিক দফায় এনবিআরের সদস্য ও অতিরিক্ত কমিশনারদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে অবৈধ অর্থ উপার্জন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের।

    ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, “বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বন্ধ করে আন্দোলন করা সমর্থনযোগ্য নয়, তবে সরকারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা উচিত ছিল। যেভাবে কর্মকর্তাদের মনোবল ভাঙা হচ্ছে, তা দেশের জন্যও ক্ষতিকর।”

    উল্লেখ্য, গত মে মাসে এনবিআর বিলুপ্ত করে রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগে বিভাজনের পর থেকেই এনবিআরের কর্মকর্তারা সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। সরকারের আশ্বাসে আন্দোলন সাময়িক বন্ধ হলেও, সাম্প্রতিক ঘটনায় আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে রাজস্ব প্রশাসনে।

    সরকারের কঠোর অবস্থানের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীরা এখন আরও সতর্ক এবং সংলাপের মাধ্যমে সমাধান চান বলে জানিয়েছেন।

  • মঙ্গলবার থেকে আমদানি-রফতানির সনদ কেবল অনলাইনে, এনবিআরের বাধ্যতামূলক নির্দেশনা

    মঙ্গলবার থেকে আমদানি-রফতানির সনদ কেবল অনলাইনে, এনবিআরের বাধ্যতামূলক নির্দেশনা

    এবিএনএ:  আমদানি ও রফতানি বাণিজ্যে আরও স্বচ্ছতা ও সময়-সাশ্রয়ের লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নতুন এক নির্দেশনা জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, ১ জুলাই মঙ্গলবার থেকে আমদানি-রফতানির সকল ছাড়পত্র ও অনুমতিপত্র শুধুমাত্র অনলাইনে ‘বাংলাদেশ সিঙ্গেল উইন্ডো (বিএসডব্লিউ)’ প্ল্যাটফর্মে জমা দিতে হবে।

    সোমবার এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানিয়েছে, দেশের ১৯টি নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইস্যুকৃত যেকোনো সার্টিফিকেট, লাইসেন্স কিংবা পারমিট (সিএলপি) কাগজপত্র হিসেবে আর গ্রহণযোগ্য হবে না। নির্ধারিত ওয়েবসাইটে অনলাইনে জমা না দিলে সেই আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

    এই পদক্ষেপের ফলে ম্যানুয়াল বা হাতে লেখা কাগজপত্রের মাধ্যমে আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত অনুমোদন কার্যকর হবে না।

    বিএসডব্লিউ সিস্টেমের সুবিধাসমূহ:

    • একটি প্ল্যাটফর্মেই সব লাইসেন্স, ছাড়পত্র ও অনুমতির আবেদন, প্রাপ্তি এবং যাচাইকরণ সম্ভব।

    • সরকারি দপ্তরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছাড়াই কাজ সম্পন্ন হওয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে।

    • সময় ও খরচ কমবে, যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আস্থা তৈরি করবে।

    এনবিআরের তথ্যমতে, ইতোমধ্যে এই সিস্টেমের মাধ্যমে ৩.৮৯ লাখ ছাড়পত্র, লাইসেন্স ও পারমিট ইস্যু করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৫.৯৭ শতাংশ সনদ এক ঘণ্টার মধ্যে এবং ৯৪.৬৩ শতাংশ একদিনের মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইস্যু হয়।

    আগামী ১ জুলাই থেকে অন্তত ১৬টি সংস্থার ইস্যুকৃত ছাড়পত্র সিস্টেমে দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রয়োজনে হটলাইন ১৬১৩৯ অথবা www.bswnbr.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে সহায়তা নেওয়া যাবে।

    এনবিআর আশা করছে, এ পদক্ষেপ আমদানি-রফতানির প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল ও গতিশীল করবে, একইসাথে সরকারি সেবার মানও উন্নত হবে।

  • এনবিআর সংকট নিরসনে পাঁচ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি, সরকারের কঠোর অবস্থান

    এনবিআর সংকট নিরসনে পাঁচ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি, সরকারের কঠোর অবস্থান

    এবিএনএ: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চলমান অস্থিরতা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলন ঘিরে উদ্ভূত সংকট নিরসনে পাঁচ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করেছে সরকার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

    রবিবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “এই কমিটি এনবিআর সংস্কারের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নেবে।” তবে কমিটিতে কারা রয়েছেন, সে বিষয়ে এখনই বিস্তারিত প্রকাশ করতে চাননি তিনি।

    এদিকে, এনবিআরের ছয় কর্মকর্তা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতিদমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করেছে। তবে অর্থ উপদেষ্টা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি, কারণ এটি তার অধিক্ষেত্র নয় বলে জানান।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আইসিসিবি, এফবিসিসিআই, বিসিআই, এলএফএমইএবি, ডিসিসিআই এবং মেট্রোপলিটন চেম্বারসহ দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা। উপস্থিত ছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানও।

    এনবিআরের অচলাবস্থার জেরে সরকার এক জরুরি বিবৃতিতে জানিয়েছে, জাতীয় স্বার্থে এনবিআরের আওতাধীন সকল কাস্টমস হাউস, বন্ড অফিস, শুল্ক স্টেশন ও আইসিডির সব শ্রেণির চাকরি ‘অত্যাবশ্যকীয় সেবা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, বাজেট বাস্তবায়নে দুর্বল রাজস্ব সংগ্রহ বড় চ্যালেঞ্জ। রাজস্ব ব্যবস্থায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘাটতি দূর করতে এনবিআরের পুনর্গঠন অপরিহার্য। কিন্তু গত দুই মাস ধরে কিছু কর্মকর্তা সচেতনভাবে রাজস্ব আদায় ও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বাধা দিয়ে যাচ্ছে, যা পরিকল্পিত এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী।

    সরকার বলেছে, বারবার আলোচনার প্রস্তাব দেওয়ার পরও আন্দোলনকারীরা তা উপেক্ষা করেছে এবং অর্থনীতির ক্ষতি করছে। ফলে সরকার বাধ্য হয়ে কড়া সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।

    সরকার আশা প্রকাশ করেছে, এনবিআরের কর্মকর্তারা দ্রুত কর্মস্থলে ফিরবেন। তা না হলে জনস্বার্থ ও অর্থনীতির সুরক্ষায় সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।

  • চেয়ারম্যান অপসারণ না হলে ‘মার্চ টু এনবিআর’, অর্থ উপদেষ্টার বৈঠক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

    চেয়ারম্যান অপসারণ না হলে ‘মার্চ টু এনবিআর’, অর্থ উপদেষ্টার বৈঠক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান

    এবিএনএ:  জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চলমান অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে আন্দোলনরত কর্মকর্তারা অর্থ উপদেষ্টার বৈঠক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। একইসঙ্গে শনিবার ‘মার্চ টু এনবিআর’ কর্মসূচির ঘোষণা এসেছে, যদি এর আগেই এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খানকে অপসারণ না করা হয়।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ‘এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ’-এর নেতারা। সংগঠনের সভাপতি হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার ও সহসভাপতি মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২৫ মে অর্থ মন্ত্রণালয় আশ্বাস দিয়েছিল— এনবিআর বিলুপ্ত নয়, বরং এটি বিশেষায়িত ও স্বতন্ত্র বিভাগে রূপান্তরিত হবে। কিন্তু পরবর্তীতে অর্থ উপদেষ্টা এক সাক্ষাৎকারে জানান, এনবিআর বিলুপ্ত করে দুটি বিভাগ গঠনের কোনো বিকল্প নেই— যা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের শামিল।

    ঐক্য পরিষদ দাবি করে, প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর প্ররোচনায় এনবিআর ভাঙার পরিকল্পনা এগোচ্ছে এবং অর্থ উপদেষ্টা এ নিয়ে অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন। তারা এই গোষ্ঠী কারা— তা তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন।

    অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পরদিন বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে কর ও শুল্ক ক্যাডারের প্রতিনিধিদের বৈঠকের ঘোষণা এলেও, ঐক্য পরিষদ জানায়, তাদের কাছে কোনো অফিসিয়াল আমন্ত্রণ পৌঁছেনি। তাছাড়া চেয়ারম্যান অপসারণ না হলে তারা আলোচনায় বসবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন।

    আন্দোলনের অংশ হিসেবে শনিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালিত হবে এবং এরপর ‘মার্চ টু এনবিআর’-এর মাধ্যমে কর্মকর্তারা রাজস্ব ভবনে জমায়েত হবেন।

    সংগঠনটি অভিযোগ করে, বর্তমান চেয়ারম্যান সরকারের দমন-পীড়নমূলক নীতির ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করছেন। তার অপসারণই হবে রাজস্ব সংস্কারের সূচনা। তাই বৃহস্পতিবারও দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশব্যাপী ট্যাক্স, কাস্টমস ও ভ্যাট অফিসে কলম বিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি চলবে। তবে আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা ও রপ্তানি কার্যক্রম এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

    সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্দোলনের কারণে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলি বা অবসরের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে তা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করা হবে।

    এর আগে ২১ জুন দ্বিতীয় দফায় কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় এবং ২৬ মে পর্যন্ত অবস্থান ও কলম বিরতি চলেছিল। যদিও অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি পেয়ে তখন কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। তবে চেয়ারম্যানের পদত্যাগ ও তাকে অসহযোগিতার সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।

    ২০ জুন এনবিআর গঠনগত সংস্কারে ছয় সদস্যের সমন্বয় কমিটি গঠিত হলেও ঐক্য পরিষদ অভিযোগ করে, তাদের কাউকে না রেখে বিতর্কিত সদস্যদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।

  • চেয়ারম্যান অপসারণ দাবি: শনিবার থেকে এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা

    চেয়ারম্যান অপসারণ দাবি: শনিবার থেকে এনবিআরে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা

    এবিএনএ: সব বদলির আদেশ বাতিল ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বর্তমান চেয়ারম্যানকে অপসারণ করা না হলে আগামী শনিবার (২৮ জুন) থেকে দেশের কর, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সকল দপ্তরে লাগাতার কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করেছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ। একইসঙ্গে মঙ্গলবার (২৪ জুন) থেকে লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার (২৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষণা দেন পরিষদের সভাপতি হাছান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার ও মহাসচিব সেহেলা সিদ্দিকা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ঢাকায় এনবিআরের সব দপ্তরের সহস্রাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী এদিন রাজস্ব ভবনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পাশাপাশি সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলে কলম বিরতি কর্মসূচি। অনককে কাফনের কাপড় পরে এ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায়।

    এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে এই আন্দোলনের মধ্যে রবিবার আয়কর অনুবিভাগের পাঁচ কর্মকর্তাকে `তাৎক্ষণিক বদলি’ করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজন আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটের, একজন এনবিআর বোর্ড অফিসের এবং বাকি দুজন ঢাকা ও কুমিল্লার কর অঞ্চলের।

    কর প্রশাসনের এক আদেশে বলা হয়, উপকর কমিশনার শাহ মোহাম্মদ ফজলে এলাহীকে আয়কর গোয়েন্দা থেকে বদলি করে ময়মনসিংহ কর অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে। উপ কর কমিশনার মোহাম্মদ শিহাবুল ইসলামকে ঢাকার কর অঞ্চল-১৬ থেকে থেকে খুলনা কর অঞ্চলে এবং উপ কর কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ ইউসুফকে বোর্ড থেকে সরিয়ে বদলি করা হয়েছে বগুড়া কর অঞ্চলে।

    এছাড়া উপ কর কমিশনার ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিলকে আয়কর গোয়েন্দা থেকে কুমিল্লা কর অঞ্চলে এবং উপ কর কমিশনার নুসরাত জাহান শমীকে কুমিল্লা কর অঞ্চল থেকে রংপুর কর অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে। আদেশে আরও বলা হয়েছে, তাদের নতুন কর্মস্থলে মঙ্গলবার বা তার আগেই যোগ দিতে হবে এবং সোমবার বর্তমান কর্মস্থলে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে হবে।

  • আবারও কলমবিরতির ডাক এনবিআর সংস্কার পরিষদের, সোমবার দেশজুড়ে কর্মসূচি

    আবারও কলমবিরতির ডাক এনবিআর সংস্কার পরিষদের, সোমবার দেশজুড়ে কর্মসূচি

    এবিএনএ: আবারও কলমবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ‘এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ’। আগামী সোমবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে পালিত হবে এ কর্মসূচি। এতে অংশ নেবেন এনবিআরের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

    শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগঠনটির সভাপতি অতিরিক্ত কর কমিশনার হাসান মোহাম্মদ তারেক রিকাবদার এবং মহাসচিব সেহেলা সিদ্দিকা। এসময় তারা জানান, এনবিআরকে বিভক্ত করে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও নীতি নামে পৃথক দুটি বিভাগ গঠনের প্রক্রিয়ায় সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব রাখার দাবিতে কর্মসূচির আয়োজন।

    তবে বাজেট পাস সংক্রান্ত সংসদীয় কার্যক্রম থাকায় রোববার কর্মসূচি না হয়ে তা সোমবারে স্থগিত রাখা হয়েছে। ঢাকার দপ্তরগুলোতে অফিস প্রাঙ্গণে কর্মসূচি চললেও দেশের অন্যান্য এলাকায় নিজ নিজ দপ্তরে একই সময়সীমায় পালন করা হবে কর্মসূচি।

    এছাড়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজস্ব ভবনের নিচতলার ফ্লোরে ট্যাক্স, ভ্যাট ও কাস্টমস বিভাগের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত সভায় ৩০১ সদস্যের একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে তারেক রিকাবদার সভাপতি ও সেহেলা সিদ্দিকা মহাসচিব মনোনীত হন।

    বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, গত ১৯ জুন ‘কেমন এনবিআর চাই’ শীর্ষক সেমিনারের জন্য কক্ষ বরাদ্দ চাওয়া হলেও অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে আবারও নিচতলায় সভা করতে হয়েছে। এনবিআর কর্তৃপক্ষ একইভাবে গত ২ জুনেও কর্মীদের সভায় বাধা দিয়েছিল।

    এছাড়া বৃহস্পতিবার এনবিআরের জারি করা এক অফিস আদেশে ছয়জন কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয় ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ-২০২৫’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে। ঐক্য পরিষদের দাবি, এই কমিটিতে তাদের কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি এবং পূর্বে কোনো আলোচনাও হয়নি, যা প্রমাণ করে কর্তৃপক্ষ সংস্কার নিয়ে আন্তরিক নয়।

    এনবিআরের বিতর্কিত দুই ভাগে বিভক্তির প্রস্তাব এবং চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে পূর্বেও কর্মসূচি পালন করেছে ঐক্য পরিষদ। যদিও অর্থ মন্ত্রণালয় আলোচনার আশ্বাস দিয়েছিল, আন্দোলনকারীরা এখনো এনবিআর চেয়ারম্যানকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

    সংগঠনের দাবি, আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বদলি ও হয়রানিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং রাজস্ব ভবনের আশপাশে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে উত্তেজনা বাড়ানো হয়েছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

  • রিটার্ন দাখিল না করলেই এবার নজরদারিতে পড়তে হবে-এনবিআর চেয়ারম্যান 

    রিটার্ন দাখিল না করলেই এবার নজরদারিতে পড়তে হবে-এনবিআর চেয়ারম্যান 

    এবিএনএ:  ঢাকায় এক সেমিনারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান জানিয়েছেন, কর রিটার্ন না দেওয়া ব্যক্তিদের এবার কঠোর নজরদারির আওতায় আনা হবে।

    রবিবার বনানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে তিনি বলেন, “কমিশনারদের স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হবে। নন-ফাইলারদের শনাক্ত করে তারা কত কর সংগ্রহ করতে পারছে, তা পরিমাপ করা হবে। এই লক্ষ্যে ২০২৫ সালের বাজেটে শক্তিশালী টার্গেট নির্ধারণ করা হচ্ছে।”

    এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, দেশের মোট রাজস্বের ৯২ শতাংশ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় আসে। সরাসরি আদায় হয় মাত্র ৮ শতাংশ। এবার কর কর্মকর্তাদের দক্ষতা মূল্যায়নের সময় এসেছে।

    তিনি আরও বলেন, “অনেক ক্ষেত্রেই নিয়ম না মেনে করছাড় দেওয়া হয়েছে। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ভবিষ্যতে করছাড়ের ক্ষমতা থাকবে সংসদের হাতে।”

    এ বছর বাজেটে ব্যবসা সহজীকরণের নানামুখী উদ্যোগ থাকলেও রাজস্ব আহরণে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

    এ সেমিনারটি যৌথভাবে আয়োজন করে ফরেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (FICCI), ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (ICAB), ও জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (JBCCI)।

    মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রতিষ্ঠান স্নেহাশীষ মাহমুদ অ্যান্ড কোং এর অংশীদার স্নেহাশীষ বড়ুয়া।