Tag: এনবিআর কর্মসূচি অর্থ মন্ত্রণালয় রাজস্ব সংস্কার এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলন সংস্কার ঐক্য পরিষদ অসहযোগ কর্মসূচি চেয়ারম্যান অপসারণ দাবি

  • সরকারি আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত, চেয়ারম্যান অপসারণ দাবিতে এনবিআর কর্মকর্তাদের অনড় অবস্থান

    সরকারি আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত, চেয়ারম্যান অপসারণ দাবিতে এনবিআর কর্মকর্তাদের অনড় অবস্থান

    এবিএনএ:

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া আশ্বাসের ভিত্তিতে সোমবার থেকে ঘোষিত আমদানি-রপ্তানি বন্ধসহ সবধরনের কর্মসূচি স্থগিত করেছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ। রবিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তার সঙ্গে অসহযোগ কর্মসূচি চলমান থাকবে।

    এর আগে রবিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের নেতারা সোমবার থেকে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে সন্ধ্যার পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিস্তারিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পরিষদের দাবিগুলো নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এনবিআরকে বিলুপ্ত না করে বরং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বতন্ত্র ও বিশেষায়িত বিভাগ হিসেবে উন্নীত করা হবে। একইসঙ্গে এনবিআরের কাঠামো এবং রাজস্ব নীতি পৃথকীকরণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো এনবিআর, রাজস্ব সংস্কার পরামর্শক কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় বিসিএস (কাস্টমস ও এক্সাইজ) এবং বিসিএস (কর) ক্যাডারের স্বার্থ রক্ষা করা হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়।

    বলা হয়, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রস্তাবিত অধ্যাদেশে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে তারপর তা কার্যকর করা হবে। এর আগে অধ্যাদেশটি বাস্তবায়ন করা হবে না।

    সরকারের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ তাদের কর্মসূচি স্থগিত করে জানায়, এ থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে এনবিআর বিলুপ্ত হচ্ছে না, বরং এটি আরও শক্তিশালী করা হবে। সংশোধনের আগে অধ্যাদেশ কার্যকর হবে না এবং অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতেই পরিবর্তন আনা হবে।

    তবে পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এনবিআর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ বা অপসারণ না হওয়ায় সেই দাবিতে তারা তার সঙ্গে অসহযোগ কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। একই সঙ্গে পূর্বের অনিষ্পন্ন কার্যক্রম অফিস সময়ের বাইরে অতিরিক্ত সময় কাজ করে সম্পন্ন করা হবে বলেও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    এই সিদ্ধান্তে আংশিক স্বস্তি এলেও আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ নির্ভর করছে সরকারের বাস্তব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর।