Tag: এডিস মশা

  • ডেঙ্গুতে আবারও মৃত্যু ৫ জনের, একদিনে হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১১৬২ রোগী

    ডেঙ্গুতে আবারও মৃত্যু ৫ জনের, একদিনে হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১১৬২ রোগী

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ডেঙ্গুর সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১১৬২ জন রোগীকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

    শনিবার (২ নভেম্বর) প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অ্যান্ড অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত একদিনে বরিশাল বিভাগে ১৬৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৮ জন, ঢাকা বিভাগের বাইরে ৭৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ২৬১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৭৫ জন, খুলনায় ১৫৪ জন, ময়মনসিংহে ৮৭ জন, রাজশাহীতে ৯৮ জন এবং সিলেটে ৮ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৫১ জন রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ৬৮ হাজার ৪১০ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজার ৬৭৫ জন রোগী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ২৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সচেতনতা ও মশা নিধন কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে নতুন ৭৮২ রোগী

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, হাসপাতালে নতুন ৭৮২ রোগী

    এবিএনএ:  সারা দেশে আবারও বাড়ছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নতুন করে ৭৮২ জন রোগী।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। তাদের হিসাবে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৫ জনে, আর শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৬৮৯ জনে।

    সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৭৪ জন, চট্টগ্রামে ৮৩ জন, ঢাকা বিভাগে ১৪৫ জন (এর মধ্যে উত্তর সিটিতে ১১৮ ও দক্ষিণ সিটিতে ৯০ জন), খুলনায় ৫৭ জন, ময়মনসিংহে ৩৫ জন, রাজশাহীতে ৬৪ জন, রংপুরে ১১ জন এবং সিলেটে পাঁচজন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

    এ সময় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় এবং একজনের খুলনা বিভাগে। একই সময়ে ৭৪৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে মোট ৪৮ হাজার ১ জন রোগী চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরেছেন।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস ডেঙ্গু বিস্তারের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। এ সময় নাগরিকদের সতর্ক থাকা, জমে থাকা পানি অপসারণ ও নিয়মিত মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

    তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। তার আগের বছর ২০২৩ সালে রেকর্ড ১ হাজার ৭০৫ জন মারা যান এবং ৩ লাখ ২১ হাজারেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরও ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নাগরিক সচেতনতা ও স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয় অংশগ্রহণই এ সংকট মোকাবিলার মূল চাবিকাঠি।

  • ডেঙ্গুতে ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনেই রেকর্ড ৬ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে ভয়াবহতা বাড়ছে: একদিনেই রেকর্ড ৬ জনের মৃত্যু

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ক্রমেই বাড়ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, সেই সঙ্গে মৃত্যুও। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে একদিনে মৃত্যুর এ সংখ্যা সর্বোচ্চ।

    নতুন এই ৬ মৃত্যুর ঘটনায় এ বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে। এর আগে ২১ আগস্ট ও ১৩ জুন আলাদাভাবে ৫ জন করে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।

    শুধু মৃত্যুই নয়, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৫৮৬ জন ডেঙ্গু রোগী।

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

  • জুনে ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়েছে ৬ গুণ, জুলাইয়ে ভয়াবহ রূপ নেওয়ার শঙ্কা

    জুনে ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়েছে ৬ গুণ, জুলাইয়ে ভয়াবহ রূপ নেওয়ার শঙ্কা

    এবিএনএ:  ২০২৫ সালের জুন মাসে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা আগের মাসের তুলনায় ছয় গুণ বেড়েছে। মে মাসে যেখানে তিনজনের মৃত্যু হয়েছিল, সেখানে জুনের ২৮ দিনের মধ্যে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮-তে। স্বাস্থ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, মশা নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতার কারণেই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বাড়ছে এবং জুলাইয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে ২৬২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে বরিশাল বিভাগে—১৪১ জন।

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, “মে মাসের তুলনায় জুনে মৃতের সংখ্যা ছয় গুণ। এ হার অব্যাহত থাকলে আগামী মাসে মৃত্যুর সংখ্যা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। উদ্বেগের বিষয় হলো, এবার ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার বেশি। কিন্তু সেখানে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ হয়নি।”

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব বলছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯,৪৮৪ জন এবং মারা গেছেন ৪১ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৯ জন মারা গেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়, বরিশালে ১১ জন এবং চট্টগ্রামে ৪ জন।

    বর্তমানে সারা দেশের হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ১,০৬৩ জন। তাদের মধ্যে ৩১২ জন ঢাকায় এবং ৭৫১ জন ঢাকার বাইরে চিকিৎসাধীন।

    পিছনের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ ছিল সবচেয়ে বেশি—৩ লাখ ২১ হাজার ১৭ জন রোগী ভর্তি এবং ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন এবং মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৫৭৫।

    🟥 পাথরঘাটায় সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যু

    বরগুনার পাথরঘাটায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে উপজেলা পরিষদের চিফ অ্যাসিস্ট্যান্ট (সিএ) সিরাজুম মুনিরা (৩৮) মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের পদ্মা গ্রামের বাসিন্দা এবং মনির মিয়ার স্ত্রী। তার একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে।

    মঙ্গলবার তিনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। প্লাটিলেট দ্রুত কমে যাওয়ায় বরিশালে স্থানান্তর করা হয়, কিন্তু পথে মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে এ মৃত্যুর তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

    পাথরঘাটার সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফাত্তাহ বলেন, “ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে চললেও প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতি রয়েছে। মশা নিধনে পৌরসভার ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়, যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলছে।”

  • নগর ভবন বন্ধ, ডিএসসিসির মশা নিধন পরিকল্পনা গৃহীত হলো ওয়াসা ভবনে!

    নগর ভবন বন্ধ, ডিএসসিসির মশা নিধন পরিকল্পনা গৃহীত হলো ওয়াসা ভবনে!

    এবিএনএ:

    নগর ভবন এখনও তালাবদ্ধ থাকলেও থেমে নেই মশা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম। এডিস মশার ভয়াবহ বিস্তার রোধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়ার নেতৃত্বে ওয়াসা ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হলো জরুরি বৈঠক।

    বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় এই বৈঠকে ডিএসসিসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ১৪ জুন থেকে প্রতিদিন ফগার মেশিন দিয়ে ৩০ লিটার পরিবর্তে ৬০ লিটার কীটনাশক ব্যবহার করা হবে।

    মশা নিয়ন্ত্রণে আরও সিদ্ধান্ত হয়—মশককর্মীদের সকালের পাশাপাশি বিকেলেও উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে, কীটনাশক সঠিক অনুপাতে মেশানো হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করা হবে, এবং মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইন প্রয়োগ করা হবে।

    এছাড়া, প্রতিটি অঞ্চলে বাড়ির আঙিনা, ছাদ ও জমে থাকা পানি পরিষ্কারে নজরদারি জোরদার করতে ডেঙ্গু মনিটরিং টিম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে এই টিমের আহ্বায়ক এবং সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

    ডিএসসিসির পক্ষ থেকে ডেঙ্গু ও করোনা বিষয়ে ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফারিয়া ফয়েজকে। যেকোনো তথ্যের জন্য তার মোবাইল নম্বর: ০১৮৪১২১১০৯৮।

    সভায় ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. জিল্লুর রহমান, সচিব মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নিশাত পারভীনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়র পদে শপথ গ্রহণে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে গত ১৪ মে থেকে নগর ভবন তালাবদ্ধ রয়েছে। যার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থানান্তর করে ওয়াসা ভবনে আয়োজন করা হয়।

  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে নতুন দিগন্ত: ঢাকায় সফল ‘ভালো মশা’ প্রযুক্তি

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে নতুন দিগন্ত: ঢাকায় সফল ‘ভালো মশা’ প্রযুক্তি

    এবিএনএ:  বাংলাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি দল উলবাকিয়া ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত এডিস ইজিপ্টি মশা তৈরি করে ঢাকার পরিবেশে সফলভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছেন। এই মশাগুলোকে ‘ভালো মশা’ বলা হচ্ছে, যা ডেঙ্গু ভাইরাসের বিস্তার রোধে কার্যকর।

    এই গবেষণায় অংশ নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কিউআইএমআর বার্গহোফার মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়, আইসিডিডিআর,বি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসির বিজ্ঞানীরা। গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি ‘নেচার’ জার্নালের সায়েন্টিফিক রিপোর্টসে প্রকাশিত হয়েছে।BSS+1Prothomalo+1

    উলবাকিয়া একটি প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া, যা এডিস মশায় সংক্রমিত হলে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া জিকা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করে। মানুষ বা পরিবেশের জন্য এটি ক্ষতিকর নয়। এই মশাগুলো দুটি কৌশলে ব্যবহৃত হয়:Prothomalo+2সময় নিউজ | সময়ের প্রয়োজনে সময়+2Bangla Tribune+2

    1. দমন কৌশল: শুধু পুরুষ উলবাকিয়া মশা ছাড়া হয়, যা স্ত্রী মশার সঙ্গে মিলিত হয়ে ডিম নিষ্ক্রিয় করে, ফলে মশার সংখ্যা কমে যায়।

    2. প্রতিস্থাপন কৌশল: পুরুষ স্ত্রী উভয় মশা ছাড়া হয়, এবং উলবাকিয়া আক্রান্ত স্ত্রী মশা প্রজন্মের পর প্রজন্মে এই ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে দেয়, যা বন্য মশাদের প্রতিস্থাপন করে।Prothomalo

    গবেষণায় দেখা গেছে, উলবাকিয়া-আক্রান্ত মশাগুলো ডেঙ্গু ভাইরাস সংক্রমণের ক্ষমতা ৯২.৭% পর্যন্ত কমিয়ে দিতে সক্ষম। এছাড়া, এদের প্রজননক্ষমতা টিকে থাকার ক্ষমতা স্থানীয় মশার সমান, যা পরিবেশে ছাড়ার জন্য উপযুক্ত করে তোলে।

    আইসিডিডিআর,বি’র বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, “উলবাকিয়া মশা জেনেটিক্যালি পরিবর্তিত নয়, এটি প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া বহন করে। গবেষণায় এটি ক্ষতিকর নয়, বরং উপকারী প্রমাণিত হয়েছে। এটি ডেঙ্গু অনুরূপ ভাইরাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জন্য নতুন প্রতিরক্ষার পথ খুলে দিতে পারে।”

    এই প্রযুক্তি ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর যুক্তরাষ্ট্রে সফলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলাদেশেও এই পদ্ধতি ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।