Tag: উত্তর কোরিয়া

  • যুক্তরাষ্ট্র–দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া ঘিরে তীব্র হুঁশিয়ারি, ‘ভয়াবহ পরিণতি’ সতর্কবার্তা উত্তর কোরিয়ার

    যুক্তরাষ্ট্র–দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া ঘিরে তীব্র হুঁশিয়ারি, ‘ভয়াবহ পরিণতি’ সতর্কবার্তা উত্তর কোরিয়ার

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তেজনা বাড়ছে কোরীয় উপদ্বীপে। এই মহড়া বন্ধ না করলে ‘ভয়াবহ পরিণতি’ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী নেতা Kim Yo-jong, যিনি দেশটির সর্বোচ্চ নেতা Kim Jong-un-এর বোন।

    উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা Korean Central News Agency (কেসিএনএ) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হওয়ার পর মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এই কঠোর সতর্কবার্তা দেন কিম ইয়ো জং।

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, বৃহৎ পরিসরের এই সামরিক মহড়া কোরীয় উপদ্বীপের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে। একই সঙ্গে তিনি জানান, এমন পরিস্থিতির জবাবে উত্তর কোরিয়া তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার পথে এগোবে।

    কিম ইয়ো জং বলেন, যেসব পদক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে, সেগুলো ভবিষ্যতে মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, শত্রুপক্ষ যেন কখনও তাদের ধৈর্য ও সামরিক সক্ষমতা পরীক্ষা করার চেষ্টা না করে।

    সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া তাদের বার্ষিক বসন্তকালীন সামরিক মহড়া Freedom Shield শুরু করে। এই মহড়া শুরুর পরই উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে এমন প্রতিক্রিয়া আসে।

    জানা গেছে, ১১ দিনব্যাপী এই মহড়ায় প্রায় ১৮ হাজার সেনা সদস্য অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে আগের বছরের তুলনায় এবারের মাঠপর্যায়ের মহড়ার সংখ্যা কিছুটা কমানো হয়েছে।

    গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট Yoon Suk Yeol-এর প্রশাসনের সময় ৫১টি ফিল্ড ট্রেনিং মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা কমিয়ে ২২টিতে আনা হয়েছে।

    কিম ইয়ো জং বলেন, উত্তর কোরিয়া তাদের ‘অপ্রতিরোধ্য প্রতিরোধ ক্ষমতা’ আরও শক্তিশালী করবে, যাতে সম্ভাব্য যেকোনো কৌশলগত হুমকির মোকাবিলা করা যায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা সবসময়ই অটুট থাকবে।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই পিয়ংইয়ং যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার এই যৌথ মহড়াকে ‘আক্রমণের প্রস্তুতি’ হিসেবে উল্লেখ করে আসছে। আর সেই কারণেই প্রায় প্রতিবারই এই মহড়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয় কোরীয় উপদ্বীপে।

  • বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক অস্ত্র কার হাতে? অবাক করা তথ্য প্রকাশ

    বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক অস্ত্র কার হাতে? অবাক করা তথ্য প্রকাশ

    এবিএনএ: বিশ্বজুড়ে আবারও বাড়ছে পারমাণবিক উত্তেজনা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা—আসলে কোন দেশের হাতে সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক অস্ত্র?

    আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পৃথিবীতে মোট নয়টি দেশের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে—রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল। এর মধ্যে পারমাণবিক শক্তিতে সবচেয়ে এগিয়ে রাশিয়া।

    স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার হাতে রয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৩০৯টি ওয়ারহেড। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যাদের ওয়ারহেড সংখ্যা ৩ হাজার ৭০০। এরপর চীন (৬০০), ফ্রান্স (২৯০), যুক্তরাজ্য (২২৫), ভারত (১৮০), পাকিস্তান (১৭০), ইসরায়েল (৯০) ও উত্তর কোরিয়া (৫০)।

    এসআইপিআরআই জানিয়েছে, গত কয়েক বছরে চীনের পারমাণবিক ভাণ্ডার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৩ সাল থেকে প্রতিবছর দেশটি গড়ে ১০০টির বেশি নতুন ওয়ারহেড তৈরি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের পেন্টাগন অনুমান করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের হাতে থাকবে অন্তত ১ হাজার পারমাণবিক অস্ত্র।

    অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া পুরোনো কিছু ওয়ারহেড সাময়িকভাবে সরিয়ে ফেললেও, সেগুলো এখনো পুনরায় সচল করা সম্ভব বলে জানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাংক ‘ফেডারেশন অব আমেরিকান সায়েন্টিস্টস’।

    গত সপ্তাহে রাশিয়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে, যা পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। এমনকি পানির নিচে চলা এক ড্রোনও পরীক্ষা করেছে দেশটি, যা উপকূলীয় শহরে তেজস্ক্রিয় সুনামি তৈরি করতে পারে। পুতিনের দাবি, এই ড্রোন শনাক্ত বা প্রতিরোধ করা কার্যত অসম্ভব।

    যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, আমেরিকার পরীক্ষাগুলো পারমাণবিক বিস্ফোরণ নয়, বরং অস্ত্রের প্রযুক্তিগত কার্যকারিতা যাচাইয়ের অংশ। তিনি বলেন, “এগুলোকে আমরা বলি ‘নন-ক্রিটিক্যাল এক্সপ্লোশন’, অর্থাৎ যেখানে প্রকৃত পারমাণবিক প্রতিক্রিয়া ঘটানো হয় না।”

    এই মুহূর্তে বিশ্ব যেন আবারও ঠান্ডা যুদ্ধের ছায়ায় দাঁড়িয়ে—যেখানে পারমাণবিক শক্তির প্রতিযোগিতা এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে।

  • কিমের নির্দেশ — ‘পারমাণবিক ঢাল-তলোয়ার’ আরো ধারালো করুন: দেশকে রক্ষা করতে সব সম্পদ কাজে লাগাতে বললেন কিম জং উন

    কিমের নির্দেশ — ‘পারমাণবিক ঢাল-তলোয়ার’ আরো ধারালো করুন: দেশকে রক্ষা করতে সব সম্পদ কাজে লাগাতে বললেন কিম জং উন

    এবিএনএ:  উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উন দেশরক্ষার উদ্দেশ্যে পারমাণবিক প্রতিরক্ষা আরও মজবুত করার নির্দেশ দিয়েছেন। গত শুক্রবার পারমাণবিক অস্ত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও প্রধান বিজ্ঞানীদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেছেন, জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের সুবিধা রক্ষায় ‘পারমাণবিক ঢাল-তলোয়ার’ ক্রমাগত উন্নত ও নবায়ন করতে হবে এবং এজন্য দেশের সব উপস্থত সক্ষমতা কাজে লাগাতে হবে।

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, কিম পারমাণবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্ত করা দেশের ‘মৌলিক সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’ হিসেবে দেখছেন। তিনি গবেষক ও সামরিক কর্মকর্তাদের একেবারে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে, পারমাণবিক প্রস্তুতি ও কার্যকারিতা বাড়ানোর ওপর জোর রাখতে হবে — যাতে দেশ বাইরের হুমকি মোকাবিলায় নির্ভরযোগ্যভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে।

    আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে জানিয়েছে যে উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক কর্মসূচি তিন দশক ধরে চালিয়ে যাচ্ছে এবং গোপনে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালাচ্ছে; দক্ষিণ কোরিয়ার কিছু সূত্র দাবি করেছেন যে পিয়ংইয়ং বছরে কয়েকটি পর্যন্ত পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন সম্ভাবনা রাখে। এই প্রেক্ষাপটে কিমের নির্দেশকে নিরাপত্তা নীতিতে আরও এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত বলে বিশ্লেষকরা বলছেন।

    সিউল সরকারের সাম্প্রতিক বিবেচনায় উত্তর কোরিয়ার কাছে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বড় মজুদ থাকার অনুমানও উঠেছে। এই খবরের পর কিম শীর্ষ পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও সামরিক প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করে বর্তমান পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ পর্যালোচনা করেছেন এবং উক্ত সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে যে পারমাণবিক উপাদান ও উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।

    উল্লেখ্য, কিমের এই ভাষণের বিস্তারিত কৌশলগত বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি; তবে রাজ্যের রূপরেখা অনুযায়ী তিনি দেশীয় সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্ত করার ওপর জোর দিচ্ছেন — যা কোরীয় উপদ্বীপ ও আন্তর্জাতিক স্তরে সতর্কতার সুর তৈরি করছে।

  • পুতিন-শি-কিম যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন: অভিযোগ ট্রাম্পের

    পুতিন-শি-কিম যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন: অভিযোগ ট্রাম্পের

    এবিএনএ:  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।

    চীনের বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক তিয়ানআনমেন স্কোয়ারে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে এই তিন নেতা একসাথে উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানে চীন তাদের আধুনিক সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করে—যার মধ্যে ছিল লেজার প্রযুক্তি, যা প্রতিপক্ষের বিদ্যুৎ লাইন বিকল করতে সক্ষম। এছাড়া হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, উন্নত সাবমেরিন ও মানববিহীন যুদ্ধ ব্যবস্থা প্রদর্শন করা হয়।

    কুচকাওয়াজের উদ্বোধন করে শি জিনপিং বলেন, বিশ্ব এখনো শান্তি নাকি যুদ্ধের বিকল্পের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি আরও যোগ করেন, “চীন অপ্রতিরোধ্য।” এই আয়োজনে অতিথি হিসেবে শি-র পাশে ছিলেন পুতিন ও কিম।

    ট্রাম্প পরে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে সমালোচনা করেন। তিনি শি জিনপিংকে উদ্দেশ করে লেখেন, “আপনারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, দয়া করে পুতিন ও কিমকে আমার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেবেন।” যদিও বার্তার শেষে তিনি চীনের জনগণের জন্য শুভকামনা জানান।

    অন্যদিকে, ট্রাম্পের অভিযোগকে গুরুত্বহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়া। ক্রেমলিনের শীর্ষ কূটনৈতিক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ জানান, “এখানে কোনো ষড়যন্ত্র নেই। শি, পুতিন ও কিম—কোনও নেতার মধ্যেই এমন ভাবনা ছিল না।”

  • চ্যাম্পিয়ন চীনের সঙ্গেই শুরু! এশিয়ান কাপে কবে কবে মাঠে নামবে ঋতুপর্ণারা?

    চ্যাম্পিয়ন চীনের সঙ্গেই শুরু! এশিয়ান কাপে কবে কবে মাঠে নামবে ঋতুপর্ণারা?

    এবিএনএ: প্রথমবারের মতো এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপে জায়গা করে নেওয়া বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল পড়েছে একদম চ্যালেঞ্জিং গ্রুপে। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতায় গ্রুপ ‘বি’-তে জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ তিন শক্তিশালী দল—শেষবারের চ্যাম্পিয়ন চীন, ঐতিহাসিকভাবে ভয়ংকর উত্তর কোরিয়া এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ উজবেকিস্তান।

    বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আয়োজিত ড্র অনুষ্ঠানে দলগুলোকে ভাগ করা হয়। আগামী ১ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত সিডনি, পার্থসহ তিনটি শহরে অনুষ্ঠিত হবে এই মহাযজ্ঞ। বাংলাদেশ তাদের তিনটি ম্যাচই খেলবে সিডনি ও পার্থে।


    📅 এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের ম্যাচ সূচি:

    • ৩ মার্চ: বাংলাদেশ 🆚 চীন – ভেন্যু: সিডনি

    • ৬ মার্চ: বাংলাদেশ 🆚 উত্তর কোরিয়া – ভেন্যু: সিডনি

    • ৯ মার্চ: বাংলাদেশ 🆚 উজবেকিস্তান – ভেন্যু: পার্থ


    এই টুর্নামেন্টের জন্য এএফসি ১২টি দলকে চারটি পটে ভাগ করেছিল। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও উত্তর কোরিয়া ছিল পট ১-এ। চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনাম ছিল পট ২-এ। উজবেকিস্তানসহ আরও দুটি দেশ ছিল পট ৩-এ। আর বাংলাদেশ ছিল পট ৪-এ, যেখানে ছিল ভারত ও ইরানও।

    ফলে নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত বা ইরানের একই গ্রুপে পড়ার সম্ভাবনা ছিল না। ড্র অনুযায়ী গ্রুপগুলো হলো:


    🏆 এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপ ২০২৫ গ্রুপ বিভাজন:

    • গ্রুপ ‘এ’: অস্ট্রেলিয়া (স্বাগতিক), দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, ফিলিপাইন

    • গ্রুপ ‘বি’: চীন, উত্তর কোরিয়া, বাংলাদেশ, উজবেকিস্তান

    • গ্রুপ ‘সি’: জাপান, ভিয়েতনাম, ভারত, চাইনিজ তাইপে


    এই ঐতিহাসিক ড্র ও ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে এএফসি আমন্ত্রণ জানালেও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কোনো প্রতিনিধি পাঠায়নি। অথচ বাকি ১১টি দেশই প্রতিনিধি পাঠিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দেয়।

    বাংলাদেশের হয়ে ড্রয়ে নাম তোলার সম্মান পান ভারতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সানজিতা বাসফো, যা বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব না থাকার বিষয়টিকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।

    প্রথমবারের মতো এত বড় মঞ্চে অংশ নিতে যাওয়া ঋতুপর্ণা, আফিঈদারা দেশের হয়ে লড়বেন এক কঠিন পরীক্ষায়, যেখানে প্রতিটি ম্যাচ হবে মূল্যবান অভিজ্ঞতার সোপান।