Tag: ইন্দোনেশিয়া

  • ভয়াবহ দুর্যোগ ইন্দোনেশিয়ায়: পশ্চিম জাভায় ভূমিধসে নিহত ৭, নিখোঁজ ৮২ জন

    ভয়াবহ দুর্যোগ ইন্দোনেশিয়ায়: পশ্চিম জাভায় ভূমিধসে নিহত ৭, নিখোঁজ ৮২ জন

    এবিএনএ: ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিধসে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৮২ জন। পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কায় ভূমিধসপ্রবণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

    স্থানীয় সময় শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থার মুখপাত্র আব্দুল মুহারি জানান, নিখোঁজ ব্যক্তির সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেশি এবং উদ্ধার তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

    ইন্দোনেশিয়ার গণমাধ্যম ‘কম্পাস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার ভোররাত আনুমানিক ২টার দিকে পশ্চিম বান্দুং জেলার পাসিরলাঙ্গু গ্রামে পাহাড় ধসে পড়ে। এতে একাধিক বসতঘর ও অবকাঠামো মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, হতাহতদের চূড়ান্ত সংখ্যা নির্ধারণের কাজ চলমান রয়েছে। টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পুরো এলাকাটি জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছিল, যা ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

    আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিমাণ প্রায় ৩০ হেক্টর বা ৭৪ একর। এদিকে ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছে, আগামী এক সপ্তাহ জুড়ে পশ্চিম জাভা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

  • ইন্দোনেশিয়ার সাগরে ভয়াবহ ফেরিডুবি, ৪৩ জন এখনও নিখোঁজ

    ইন্দোনেশিয়ার সাগরে ভয়াবহ ফেরিডুবি, ৪৩ জন এখনও নিখোঁজ

    এবিএনএ: ইন্দোনেশিয়ার বালির উপকূলে ঘটে গেল ভয়াবহ এক নৌদুর্ঘটনা। বুধবার রাতে ‘কেএমপি তুনু প্রতমা জয়া’ নামের একটি ফেরি পূর্ব জাভার কেতাপাং বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে বালি দ্বীপের গিলিমানুক বন্দরের দিকে। কিন্তু রওনা দেওয়ার মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই ফেরিটি সাগরে ডুবে যায় বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা (BASARNAS)।

    ফেরিটিতে ছিল ৫৩ জন যাত্রী, ১২ জন ক্রু এবং ২২টি যানবাহন। যানবাহনের মধ্যে ১৪টি ছিল বড় আকারের ট্রাক। দুর্ঘটনার পরপরই শুরু হয় উদ্ধার অভিযান।

    এখন পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গেছে, ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের অনেকেই ঢেউয়ের মধ্যে অনেকক্ষণ ধরে ভেসে থাকায় শারীরিকভাবে দুর্বল ও অচেতন হয়ে পড়েন।

    বানিউয়াঙ্গি জেলার পুলিশপ্রধান রামা সামতামা পুত্রা জানান, “২০ জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও ৪৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চলছে।”

    জাতীয় উদ্ধার সংস্থা জানিয়েছে, সমুদ্রপথে ফেরি চলাচলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি, নিখোঁজদের সন্ধানে নৌ ও আকাশপথে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

    এই দুর্ঘটনা আবারও ইন্দোনেশিয়ার সামুদ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিকূল আবহাওয়া ও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।