Tag: আমদানি শুল্ক

  • ট্রাম্প আবারো শুল্ক বাড়ালেন: বিশ্বের দেশগুলোর আমদানি পণ্যে এবার ১৫% কর কার্যক্রম শুরু

    ট্রাম্প আবারো শুল্ক বাড়ালেন: বিশ্বের দেশগুলোর আমদানি পণ্যে এবার ১৫% কর কার্যক্রম শুরু

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সর্বজনীন আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বের সকল দেশের পণ্য আমদানি করার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বেড়ে গিয়েছে।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির সুপ্রিম কোর্ট গত বছর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা ১০% পারস্পরিক শুল্কটি বাতিল করে দেয়। সেই রায়ের কিছুক্ষণ পরই ট্রাম্প আবার নতুন করে ১০% শুল্ক কার্যকর করার ঘোষণা দেন। এর ঠিক কয়েক ঘণ্টা পর তিনি ঘোষণা করেন, এই শুল্ক আরও বাড়িয়ে বর্তমানে ১৫ শতাংশ করা হচ্ছে।

    ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে লেখেন, “আজ থেকে বিশ্বের সব দেশের ওপর আমদানি শুল্ক ১০% থেকে ১৫% করা হলো। বহু বছর ধরে বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে বাণিজ্যিকভাবে অসম মুক্ত বাণিজ্যের সুযোগ দিয়ে এসেছে এবং এর বিচার হয়নি। এখন থেকে কঠোরভাবে আইন অনুযায়ী এই শুল্ক কার্যকর হবে।”

    যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, এই ১৫ শতাংশ শুল্ক আগামী ১৫০ দিনের জন্য কার্যকর থাকবে। তবে ট্রাম্প বলেছেন, তার প্রশাসন এটি স্থায়ীকরণ এবং যথাযথ আইনগত বৈধতা দিতে কাজ করবে।

    গত বছর ট্রাম্প জরুরি অর্থনৈতিক শক্তি আইনের (IEEPA) আওতায় বিশ্বের সব দেশের পণ্য আমদানি করার ওপর ১০% শুল্ক আরোপ করেছিলেন। সেই সময় ওই সিদ্ধান্তের কারণে দেশটিতে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করে।

    মুলত সুপ্রিম কোর্ট শুল্ক আরোপের আগে ট্রাম্পের উচিত ছিল কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া—এটিও রায় দিতে গিয়ে আদালত উল্লেখ করে। এই রায়ে ট্রাম্পের ক্ষমতার ব্যাপক ব্যবহারকে সীমিত করা হয় এবং এখন নতুনভাবে ১৫% শুল্ক কার্যকর করা হয়েছে।

  • মোবাইল ফোনে বড় সুখবর, আমদানি শুল্ক ৬০% কমলো, বৈধ হচ্ছে বাজারের স্টক-লট

    মোবাইল ফোনে বড় সুখবর, আমদানি শুল্ক ৬০% কমলো, বৈধ হচ্ছে বাজারের স্টক-লট

    এবিএনএ: মোবাইল ফোন বাজারে বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের ওপর কাস্টমস ডিউটি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা প্রায় ৬০ শতাংশ হ্রাস। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের হাতে থাকা বৈধভাবে আমদানি করা মোবাইল ফোনগুলোকে অতিরিক্ত শুল্ক ছাড়াই স্টক-লট হিসেবে বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশীয় মোবাইল উৎপাদকদের জন্যও কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। সরকারের আশা, এতে দেশীয় উৎপাদন ও বৈধ আমদানি বাড়বে এবং বাজারে মোবাইল ফোনের দাম সহনীয় হবে।

    সরকারি ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, বিটিআরসির নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আমদানি করা এবং বর্তমানে বাজারে থাকা ফোনগুলো এনইআইআর সিস্টেমে স্টক-লট হিসেবে অনুমোদন পাবে। এর মাধ্যমে বিদ্যমান হ্যান্ডসেটগুলোকে বৈধ করার সুযোগ মিলবে।

    এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব কিছুটা কমতে পারে বলে স্বীকার করা হয়েছে। তবে বাজার স্থিতিশীল রাখা ও অবৈধ আমদানি কমানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    এ ছাড়া প্রবাসীদের বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশে ফেরার পর তিন মাস পর্যন্ত তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করা হবে না। একইভাবে সাধারণ গ্রাহকদের ফোনও আগামী তিন মাস ব্লক করা হবে না। এই সময়ের মধ্যেই ব্যবসায়ীরা স্টক-লট নিয়মিত করার সুযোগ পাবেন।

    অবৈধ মোবাইল আমদানি ও বিক্রয় ঠেকাতে স্থলবন্দর, বিমানবন্দর ও কাস্টমস হাউজে কঠোর নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হবে বলেও সতর্ক করেছে সরকার।

  • সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণে শুরু হচ্ছে বড় আইনি লড়াই

    সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণে শুরু হচ্ছে বড় আইনি লড়াই

    এবিএনএ:  যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ নিয়ে বড় আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেগুলো তাকে একের পর এক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।

    গত সপ্তাহে ১১১ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার ফেডারেল রিজার্ভের একজন গভর্নরকে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প। লিসা কুক নামে ওই গভর্নরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মনোনয়ন পাওয়ার আগে বন্ধক-সংক্রান্ত কাগজে ভুয়া তথ্য জমা দিয়েছিলেন। তবে কুক অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে অবৈধ ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ বলে দাবি করেছেন। এ বিষয়ে আদালতে শুনানি হলেও এখনও রায় ঘোষণা হয়নি।

    অর্থনীতিতে ট্রাম্পের আরেকটি বড় পদক্ষেপ হলো নতুন শুল্ক আরোপ। যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের আমদানির ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত কর বসানোর পাশাপাশি কানাডা, মেক্সিকো, ভারত ও চীনের পণ্যের ওপরও বিশেষ শুল্ক আরোপ করেছেন তিনি। কিন্তু ফেডারেল আপিল আদালত এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে জানিয়েছে, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট এককভাবে কর আরোপ করতে পারেন না।

    রবিবার ট্রাম্প প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, তিনি এই রায় সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করবেন। আদালতের রায়কে তিনি ‘র‍্যাডিকাল লেফটের ষড়যন্ত্র’ বলে অভিহিত করে দাবি করেন, “শুল্ক ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র টিকতে পারবে না, ধ্বংস হয়ে যাবে।”

    এদিকে বিদেশি সহায়তা আটকে রাখার বিষয়েও ট্রাম্প প্রশাসন নতুন জটিলতার মুখে পড়েছে। সবকিছু মিলিয়ে, সুপ্রিম কোর্টের সামনে এখন অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো—মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার প্রকৃত সীমা কোথায় নির্ধারণ হবে তা স্থির করা।