Tag: আবহাওয়া পূর্বাভাস

  • উত্তরাঞ্চলে টানা বৃষ্টির সতর্কতা, সিলেট–সুনামগঞ্জে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

    উত্তরাঞ্চলে টানা বৃষ্টির সতর্কতা, সিলেট–সুনামগঞ্জে আকস্মিক বন্যার শঙ্কা

    এবিএনএ: দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী কয়েকদিন ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে, যার প্রভাবে কিছু এলাকায় সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, উত্তরাঞ্চল ও সংলগ্ন অঞ্চলে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হয়েছে, যা অন্তত ৯৬ ঘণ্টা সক্রিয় থাকতে পারে। এর ফলে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। অতিবৃষ্টির কারণে এসব অঞ্চলের শহর ও নিম্নাঞ্চলে অস্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    এদিকে আবহাওয়া বিষয়ক বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম জানিয়েছে, প্রাক-মৌসুমী শক্তিশালী বৃষ্টিবলয় ‘ঝুমুল’ বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই বৃষ্টিবলয় ২৫ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ৭ মে পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। এ সময় দেশের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি, কালবৈশাখী ঝড় এবং কোথাও কোথাও অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেশি হলেও ২৮ বা ২৯ এপ্রিল থেকে ধীরে ধীরে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ২৯ এপ্রিল থেকে ৫ মে পর্যন্ত অধিকাংশ এলাকায় নিয়মিত ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে, যদিও মাঝেমধ্যে স্বল্প বিরতি থাকতে পারে।

    উজানের মেঘালয়, আসাম ও চেরাপুঞ্জি এলাকায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকায় ৫০০ থেকে ৭০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর প্রভাবে পাহাড়ি ঢল নেমে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় এই বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, এই সময় দমকা হাওয়া বা ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। কিছু স্থানে এর চেয়েও বেশি বা কম গতিবেগ দেখা যেতে পারে।

    টানা বৃষ্টিপাতের কারণে হাওর অঞ্চলে চলমান ধান কাটার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কৃষকরা সময়মতো ধান কাটতে না পারলে ফসলের ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

    এদিকে বৃষ্টিপাত বাড়ার ফলে আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে পারে। ২৮ বা ২৯ এপ্রিল থেকে আবহাওয়া তুলনামূলকভাবে স্বস্তিদায়ক হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৪৫ থেকে ৫৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধির গুজবও নাকচ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, অতিবৃষ্টির কারণে বরং তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনাই বেশি।

  • গরম আরও বাড়ছে, ৬ জেলায় তাপপ্রবাহ—আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা, সামনে বাড়তে পারে বৃষ্টি

    গরম আরও বাড়ছে, ৬ জেলায় তাপপ্রবাহ—আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা, সামনে বাড়তে পারে বৃষ্টি

    এবিএনএ: দেশজুড়ে তাপমাত্রা বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে দেশের ছয়টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা ধীরে ধীরে নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বইছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে এবং দেশের অন্যান্য এলাকাতেও বিস্তার লাভ করতে পারে। একই সঙ্গে সারাদেশে তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের কয়েকটি স্থানে এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের অধিকাংশ এলাকায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে, যদিও আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে।

    পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ১৫ এপ্রিল থেকে দেশের কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ১৮ এপ্রিলের পর আবারও তাপমাত্রা বাড়তে পারে, ফলে গরমের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল রাজারহাটে ২০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, তাপপ্রবাহ চলাকালে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান এবং শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি। গরমের তীব্রতা বাড়লে স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

  • আগামী ৫ দিন দেশে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, কোথাও দমকা হাওয়ার সতর্কতা

    আগামী ৫ দিন দেশে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, কোথাও দমকা হাওয়ার সতর্কতা

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচ দিন বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে Bangladesh Meteorological Department। পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকার উপর অবস্থানরত লঘুচাপের বর্ধিতাংশের প্রভাবে এই আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়াও বইতে পারে।

    শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানায়, মৌসুমি স্বাভাবিক লঘুচাপ বর্তমানে Bay of Bengal-এর দক্ষিণাংশে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    প্রথম দিনের পূর্বাভাস

    প্রথম দিনে Rangpur Division, Dhaka Division, Mymensingh DivisionSylhet Division-এর কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া Rajshahi Division, Khulna Division, Barishal DivisionChattogram Division-এর দুই-একটি জায়গায় একই ধরনের আবহাওয়া দেখা যেতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    দ্বিতীয় দিনের পরিস্থিতি

    শনিবারও দেশের কয়েকটি বিভাগে একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

    তৃতীয় দিনের সম্ভাবনা

    রোববার রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

    চতুর্থ ও পঞ্চম দিনের পূর্বাভাস

    সোমবার ও মঙ্গলবার দেশের প্রায় সব বিভাগের দুই-একটি স্থানে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই সময় তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে পঞ্চম দিনে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তাই বিশেষ করে খোলা জায়গায় কাজ করা মানুষ ও নৌযান চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঢাকা এ বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল প্রায় ৫৭ শতাংশ। সে সময় পশ্চিম বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল। মাঝে মাঝে দমকা হাওয়ার গতি ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, শনিবার ঢাকায় সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৯ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে।

  • মার্চেই তাপপ্রবাহের আঁচ, কালবৈশাখীর ঝাপটা—কতটা বাড়বে তাপমাত্রা?

    মার্চেই তাপপ্রবাহের আঁচ, কালবৈশাখীর ঝাপটা—কতটা বাড়বে তাপমাত্রা?

    এবিএনএ: চলতি মার্চ মাসে দেশে গরমের তীব্রতা বাড়ার পাশাপাশি কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবণতা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। মাসের শেষ দিকে দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে দু-এক দফা মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই সময় দিনের তাপমাত্রা বেড়ে সর্বোচ্চ প্রায় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।

    মার্চজুড়ে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও দিন ও রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে এবং কিছু অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মাসে ২ থেকে ৩ দিন বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার ঝড় হতে পারে। পাশাপাশি এক থেকে দুই দিন তীব্র কালবৈশাখীর ঝাপটা লাগার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মার্চ মাসে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টির উল্লেখযোগ্য আভাস নেই। নদ-নদীগুলোতে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বজায় থাকতে পারে বলেও ধারণা দেওয়া হয়েছে।

    কৃষি আবহাওয়ার দিক থেকে দেখা যাচ্ছে, এই সময়ে দৈনিক গড় বাষ্পীভবনের হার বাড়তে পারে। ফলে জমিতে আর্দ্রতা ধরে রাখতে অতিরিক্ত সেচের প্রয়োজন হতে পারে। সম্ভাব্য ঝড় ও তাপপ্রবাহের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে কৃষকদের আগাম প্রস্তুতি ও সেচ ব্যবস্থাপনায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

  • রাতে বাড়তে পারে শীতের অনুভূতি, ঢাকাবাসীর জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন সতর্কবার্তা

    রাতে বাড়তে পারে শীতের অনুভূতি, ঢাকাবাসীর জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের নতুন সতর্কবার্তা

    এবিএনএ: রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সন্ধ্যার পর থেকে রাতের দিকে শীতের আমেজ কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাপমাত্রা সামান্য কমে যাওয়ায় রাতে ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়, এ সময় ঢাকাসহ আশপাশের এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। একই সঙ্গে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, এই সময়ে উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে, যা রাতের শীতল অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

    সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই সময় বাতাসের আর্দ্রতার মাত্রা ছিল ৫৮ শতাংশ। আজ রাজধানীতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছে ২৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

    এদিকে গত ছয় ঘণ্টায় ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৩৭ মিনিটে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • শুষ্ক আবহাওয়ার দাপট সারা দেশে, নদী অববাহিকায় ভোরে কুয়াশার সতর্কতা

    শুষ্ক আবহাওয়ার দাপট সারা দেশে, নদী অববাহিকায় ভোরে কুয়াশার সতর্কতা

    এবিএনএ: সারা দেশে আপাতত শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকা এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও দেশের সার্বিক আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে। একই সঙ্গে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন ভোরের দিকে নদী অববাহিকার কিছু এলাকায় কুয়াশা দেখা দিতে পারে। তবে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    এছাড়া বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। তবে এদিন সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি। এই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাঙামাটিতে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

    সিনপটিক পরিস্থিতি অনুযায়ী, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

  • কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপট: রাতে ঢাকায় আরও বাড়তে পারে শীত

    কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার দাপট: রাতে ঢাকায় আরও বাড়তে পারে শীত

    এবিএনএ: গত কয়েক দিন ধরে সারা দেশের মতো রাজধানী ঢাকাতেও শীতের দাপট স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকেই কুয়াশার আস্তরণে ঢেকে যায় আকাশ, সঙ্গে হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়ে স্বাভাবিক জনজীবন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

    সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার জন্য দেওয়া ঢাকা ও আশপাশের এলাকার আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময় আকাশ প্রধানত শুষ্ক থাকবে। তবে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা বিরাজ করতে পারে, যা শীতের অনুভূতিকে আরও তীব্র করে তুলবে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এর ফলে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ছিল ৯১ শতাংশ।

    দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ১৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আগামীকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে।

  • রাত বাড়লেই বাড়বে শীতের কামড়, উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশার সতর্কতা

    রাত বাড়লেই বাড়বে শীতের কামড়, উত্তরাঞ্চলে ঘন কুয়াশার সতর্কতা

    এবিএনএ: দেশজুড়ে রাতের শীত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় কুয়াশা পড়তে পারে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে কোথাও কোথাও ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাব বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি মৌসুমী স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় দেশের আবহাওয়ায় শুষ্কতা বজায় থাকলেও কুয়াশা ও তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটতে পারে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রথম দিন সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। তবে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমার আশঙ্কা রয়েছে।

    ২৬ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী কয়েক দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা দিতে পারে। কিছু দিনে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও সামগ্রিকভাবে শীতের অনুভূতি বজায় থাকবে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে, ফলে শীতের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • ঢাকাসহ ১৭ অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের মতো দমকা হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

    ঢাকাসহ ১৭ অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের মতো দমকা হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

    এবিএনএ:  ঢাকাসহ দেশের ১৭টি অঞ্চলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর।

    রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রকাশিত সর্বশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাসে এই সতর্কতা জানানো হয়।

    আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী এবং কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    এই সময়ে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

    সতর্কতামূলক বার্তায় আরও বলা হয়েছে, উল্লিখিত এলাকার সব নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয়ভাবে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে সন্ধ্যার পর হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

    নাগরিকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, বজ্রপাতের সময় খোলা স্থানে অবস্থান না করতে এবং নদীপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকতে।

  • চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, আবহাওয়া দপ্তরের নতুন পূর্বাভাস

    চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, আবহাওয়া দপ্তরের নতুন পূর্বাভাস

    এবিএনএ:  দেশের চারটি বিভাগে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দেওয়া সর্বশেষ পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় একটি লঘুচাপ অবস্থান করছে। বর্তমানে এটি উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে সরে গেছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে আরেকটি নতুন লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকার কিছু এলাকায়ও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করবে। কোথাও কোথাও মাঝারি ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

    এ ছাড়া বুধবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, দেশের আটটি বিভাগেই কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। তবে সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    আবহাওয়া দপ্তর আরও জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।