Tag: আবহাওয়ার পূর্বাভাস

  • সপ্তাহজুড়ে উষ্ণতার ঊর্ধ্বগতি: শীত সরে গিয়ে ফিরছে শুষ্ক আবহাওয়া

    সপ্তাহজুড়ে উষ্ণতার ঊর্ধ্বগতি: শীত সরে গিয়ে ফিরছে শুষ্ক আবহাওয়া

    এবিএনএ: উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দেশের আবহাওয়ায় বড় কোনো পরিবর্তন না এলেও ধীরে ধীরে উষ্ণতা বাড়তে পারে। পাঁচ দিনের বর্ধিত পূর্বাভাসে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর—এই সময়ে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম, আর সার্বিকভাবে আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকা এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা দিতে পারে। শুরুতে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় স্থির থাকলেও সপ্তাহের শেষভাগে উভয় তাপমাত্রাই ধাপে ধাপে বাড়ার ইঙ্গিত রয়েছে।

    সিনপটিক পরিস্থিতির ব্যাখ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর-এ, যার একটি অংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। এই দুই ব্যবস্থার প্রভাবে দেশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে।

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিদিনই একই ধাঁচের আবহাওয়া বিরাজ করার কথা জানানো হয়েছে—শুষ্ক পরিবেশ, ভোরে হালকা কুয়াশা এবং ধীরে ধীরে উষ্ণতা বাড়ার প্রবণতা। কোনো কোনো দিনে দিনের তাপমাত্রা সামান্য ওঠানামা করতে পারে, তবে সামগ্রিকভাবে উষ্ণতার ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকার আভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, শীতের শেষপ্রান্তে এ ধরনের শুষ্ক ও উষ্ণ প্রবণতা স্বাভাবিক। তাই দিনের বেলা রোদে বের হলে হালকা পানিশূন্যতা এড়াতে পানি পান বাড়ানো এবং সকালে কুয়াশাচ্ছন্ন এলাকায় চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • শীত আরও কয়দিন? কুয়াশা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    শীত আরও কয়দিন? কুয়াশা নিয়ে নতুন পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    এবিএনএ: দেশজুড়ে শীত ও কুয়াশার প্রভাব আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারাদেশে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে এবং রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা দেখা দিতে পারে।

    শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। একই সময়ে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার প্রভাব উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

    প্রথম দিনের পূর্বাভাসে জানানো হয়, সারাদেশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, তবে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাসেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও সারাদেশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন হবে না।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে তৃতীয় দিনে দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা দেখা দিতে পারে। এই সময়ে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমলেও দিনের তাপমাত্রা প্রায় স্থিতিশীল থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে চতুর্থ দিনে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে পঞ্চম দিনেও একই ধরনের আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। কোথাও কোথাও কুয়াশা পড়তে পারে এবং রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনের পরেও দেশের আবহাওয়ায় বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা আপাতত নেই।

  • সারাদেশের আরও কমতে পারে তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদপ্তর

    সারাদেশের আরও কমতে পারে তাপমাত্রা: আবহাওয়া অধিদপ্তর

    এবিএনএ: আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সারাদেশে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সামগ্রিকভাবে তাপমাত্রা নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও স্বল্প সময়ের জন্য রাত ও দিনের তাপমাত্রায় সামান্য ওঠানামা হতে পারে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে বিমান চলাচল, সড়ক ও নৌ যোগাযোগে সাময়িক বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

    বর্তমানে মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কিছু এলাকায় এই শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব ধীরে ধীরে কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    পরবর্তী কয়েক দিনে নদী অববাহিকা ও খোলা এলাকায় কুয়াশার প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। শনিবার থেকে রোববার পর্যন্ত দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার নাগাদ রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা হ্রাস পেতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর নাগরিকদের শীত ও কুয়াশাজনিত ঝুঁকি এড়াতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

  • টানা পাঁচ দিনের বৃষ্টি, নদীর পানি বাড়ছে: বন্যার শঙ্কায় উপকূল ও নিম্নাঞ্চল

    টানা পাঁচ দিনের বৃষ্টি, নদীর পানি বাড়ছে: বন্যার শঙ্কায় উপকূল ও নিম্নাঞ্চল

    এবিএনএ: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ স্থল নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় সারাদেশে টানা বৃষ্টি চলছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই বৃষ্টি আরও অন্তত পাঁচ দিন অব্যাহত থাকবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, রাজধানীসহ বড় শহরে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। উপকূলীয় এলাকাগুলো প্লাবিত হচ্ছে, আর সেন্টমার্টিন দ্বীপে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কয়েকশ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার ঢাকাসহ বিভিন্ন মহানগরে ভারী বর্ষণ ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি রয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    নদীর পানিও দ্রুত বাড়ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ফেনী, মুহুরী, সিলোনিয়া নদী ও উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট, নীলফামারী, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষ করে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপে দুর্ভোগ তীব্র আকার ধারণ করেছে। পূর্বপাড়া, পশ্চিমপাড়া, মাঝেরপাড়া ও নজরুলপাড়ায় শত শত ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্বীপের স্লুইসগেট বন্ধ থাকায় পানি নামতে পারছে না।

    আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিনে দেশের আটটি বিভাগেই ভারী বর্ষণ হবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের নিম্নাঞ্চল বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।

  • চার বিভাগে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা, তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে

    চার বিভাগে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা, তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে

    এবিএনএ:  দেশের চারটি বিভাগে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণ হতে পারে। পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগেও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

    আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সক্রিয় রয়েছে এবং মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় অবস্থায় আছে। এর প্রভাবে আগামী কয়েকদিন দেশজুড়ে বৃষ্টি চলতে পারে।

    রবিবার সকাল পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেটের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনার কিছু এলাকায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেশের আট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

    তবে বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ধীরে ধীরে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কিছুটা কমে আসতে পারে।

  • চার বিভাগে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, সারা দেশে তাপমাত্রা কমতে পারে

    চার বিভাগে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, সারা দেশে তাপমাত্রা কমতে পারে

    এবিএনএ:  সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের চারটি বিভাগে মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ লম্বালম্বিভাবে রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। সেই সঙ্গে এই অক্ষের একটি শাখা উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে। ফলে দেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় এবং সাগরে তা মাঝারি মাত্রায় রয়েছে।

    এই প্রেক্ষাপটে শুক্রবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বেশিরভাগ জায়গায় এবং ময়মনসিংহ ও সিলেটের অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এসব এলাকার কিছু কিছু স্থানে ভারি বর্ষণেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিশেষ করে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। এতে করে সারাদেশেই তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

    পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসেও বলা হয়েছে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। তবে এই সময়ের মধ্যে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে। সপ্তাহজুড়েই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে অধিদফতর।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, সামনের দিনগুলোতে পরিকল্পনা গ্রহণের সময় জনগণকে আবহাওয়ার পরিবর্তনের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

  • উপকূল অতিক্রম করে স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত, ১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

    উপকূল অতিক্রম করে স্থল গভীর নিম্নচাপে পরিণত, ১৪ জেলায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

    এবিএনএ,ঢাকা:

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করে বর্তমানে সাতক্ষীরা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় স্থল গভীর নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। তবে এর প্রভাবে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে।

    বিশেষ করে অমাবস্যার প্রভাবে চট্টগ্রাম, বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, বাগেরহাট, ভোলা, নোয়াখালী, ফেনীসহ ১৪টি উপকূলীয় জেলা এবং তাদের সংলগ্ন দ্বীপ ও চরসমূহ ২ থেকে ৪ ফুট উচ্চতার বায়ু-তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। একইসাথে এসব অঞ্চলের মানুষকে সর্তক অবস্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সমুদ্র এখনো উত্তাল, গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের আশপাশে বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিমি পর্যন্ত উঠছে।

    মৎস্যজীবীদের জন্য জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা—উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত।

    এদিকে, অব্যাহত ভারী বর্ষণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই জনজীবন বিপর্যস্ত। চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

    বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। শুক্রবারও দেশের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, তবে শনিবার থেকে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে বরিশাল নদীবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে সকল লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটেও লঞ্চ চলাচল সাময়িক বন্ধ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। তবে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

    আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের ছয় অঞ্চলে (ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম) ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিমি গতির দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নৌবন্দরগুলোকে দুই নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    সারাদেশের মানুষকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি, অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • বৃষ্টির বিরতির পর আবারও দেশে তাপপ্রবাহের হুমকি, প্রস্তুত থাকুন!

    বৃষ্টির বিরতির পর আবারও দেশে তাপপ্রবাহের হুমকি, প্রস্তুত থাকুন!

    এবিএনএ:  টানা বৃষ্টির পর কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও বাংলাদেশে আবারও গরম বাড়ার আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ফের শুরু হতে পারে তাপপ্রবাহ।

    আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, ২৭ এপ্রিলের পর থেকে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের তাপমাত্রা কিছুটা কমে গিয়েছিল। তবে এবার দক্ষিণাঞ্চলের কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা পার্শ্ববর্তী এলাকায় গরম ফের শুরু হতে পারে। সেই সঙ্গে ধীরে ধীরে তা উত্তরাঞ্চল মধ্যাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।

    বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
    আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় এবং কুষ্টিয়া, যশোর, কুমিল্লাসহ সিলেট ঢাকার কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকতে পারে।

    তাপমাত্রা পরিস্থিতি
    রংপুর রাজশাহী বিভাগে আজ দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য অংশে তা আবারও সামান্যভাবে বাড়তে পারে।

    সতর্কতা প্রস্তুতির পরামর্শ
    আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, যারা বাইরে কাজ করেন বা গরমে বেশি প্রভাবিত হন, তাদেরকে প্রচুর পানি পান, হালকা পোশাক পরিধান দুপুরের রোদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।