Tag: আইডিএফ

  • মধ্যরাতে উত্তাল আকাশ—ইসরায়েলে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইরানের শক্তি প্রদর্শন

    মধ্যরাতে উত্তাল আকাশ—ইসরায়েলে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ইরানের শক্তি প্রদর্শন

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে সংঘাতের মাত্রা বাড়িয়েছে IranIsrael। শনিবার গভীর রাত থেকে রোববার পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ইসরায়েলের একাধিক অঞ্চলে ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

    Israel Defense Forces (আইডিএফ) জানিয়েছে, অন্তত পাঁচ দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এসব হামলার সময় রাজধানী Jerusalemসহ মধ্যাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজিয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়।

    সামরিক সূত্রের দাবি, অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে আকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেছে। সর্বশেষ হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    অন্যদিকে উত্তরাঞ্চলে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র জনবসতিহীন এলাকায় গিয়ে পড়ে। আইডিএফ জানায়, নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত হানতে দেওয়া হয়।

    একই সময় লেবানন সীমান্ত থেকেও উত্তর ইসরায়েলের দিকে একাধিক রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু প্রতিরোধ করা সম্ভব হলেও বেশ কয়েকটি খোলা জায়গায় গিয়ে পড়ে।

    আইডিএফ আরও জানায়, নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সংকেত পাওয়ার পর উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় আগাম সতর্কতা জারি করা হয়। এছাড়া শফেলা অঞ্চল এবং লোহিত সাগর সংলগ্ন এলাকাতেও সতর্ক সংকেত দেওয়া হয়।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরো অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবুও এই ধারাবাহিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

  • ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত, আহত ৫—সাইরেনে কেঁপে উঠল এলাকা

    ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত, আহত ৫—সাইরেনে কেঁপে উঠল এলাকা

    এবিএনএ: মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ধারাবাহিকতায় ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে Israel Defense Forces (আইডিএফ)।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার পরপরই তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল এবং জরুরি সেবা ইউনিটগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যালোচনা শুরু করেছে। কোথায় কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, সর্বশেষ এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাঁচজন সামান্য আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

    আইডিএফ দাবি করেছে, নিক্ষিপ্ত বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে আকাশেই ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে ধ্বংসাবশেষ বা সাব-মিউনিশনের অংশ কিছু স্থানে পড়ে স্থানীয়ভাবে ক্ষয়ক্ষতি ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রকৃতি নির্ধারণে বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

    এদিকে ইসরায়েলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, যেসব এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে, সেখানকার বাসিন্দারা আপাতত আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের হতে পারেন। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আশ্রয়কেন্দ্রের নিকটেই অবস্থান করতে বলা হয়েছে।

    ক্রমবর্ধমান এই উত্তেজনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

  • গাজায় ত্রাণ নিতে গিয়ে প্রাণ হারাল ৬৭ ফিলিস্তিনি: ইসরায়েলি গুলিতে রক্তাক্ত উত্তরের চিত্র

    গাজায় ত্রাণ নিতে গিয়ে প্রাণ হারাল ৬৭ ফিলিস্তিনি: ইসরায়েলি গুলিতে রক্তাক্ত উত্তরের চিত্র

    এবিএনএ: গাজার উত্তরে ত্রাণ সংগ্রহ করতে আসা নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর গুলি চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এতে কমপক্ষে ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫০ জন। রবিবার এই তথ্য জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

    বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতরা জাতিসংঘের সরবরাহকৃত খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিতে জড়ো হয়েছিলেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা ‘তাৎক্ষণিক সতর্কতামূলক গুলি’ চালিয়েছিল। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, গুলি ছিল নির্বিচার এবং হঠাৎ করেই চালানো হয়।

    এর আগের দিন শনিবারও একইভাবে ৩৬ জন নিহত হন, যারা ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ফলে মাত্র দুই দিনে গাজায় এই ঘটনায় প্রাণ হারালেন ১০০ জনের বেশি। আহতদের অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

    উত্তর গাজার শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে অধিকাংশ হতাহতকে। হাসপাতালটির চিকিৎসা পরিচালক ড. হাসান আল-শায়ার জানান, আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে তারা চরম সঙ্কটে পড়েছেন। অনেককে আশপাশের ফিল্ড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হচ্ছে।

    জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজার মানুষেরা বর্তমানে চরম খাদ্য ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছেন। শিশুদের অপুষ্টি এবং রোগব্যাধির ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

    এদিকে গাজার মধ্যাঞ্চলের ঘনবসতিপূর্ণ দেইর আল-বালাহ এলাকা থেকে নতুন করে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। বাসিন্দাদেরকে দ্রুত ভূমধ্যসাগর উপকূলবর্তী আল-মাওয়াসি অঞ্চলে চলে যেতে বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভবিষ্যৎ আক্রমণের পূর্বাভাস হতে পারে।

    গাজার পরিস্থিতি দিন দিন আরও সংকটময় হয়ে উঠছে। যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও অব্যাহত রয়েছে সংঘাত, যা গোটা অঞ্চলের জন্য মানবিক বিপর্যয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • দামেস্কে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের কাছে ইসরায়েলি বিমান হামলা, উত্তপ্ত সিরিয়া

    দামেস্কে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের কাছে ইসরায়েলি বিমান হামলা, উত্তপ্ত সিরিয়া

    এবিএনএ:  ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যকার উত্তেজনা ফের চরমে পৌঁছেছে। বুধবার ভোরে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের আশপাশে ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরের কাছে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের সুয়েইদা শহরে সরকারি বাহিনীর ওপর ধারাবাহিক আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

    আল জাজিরা জানিয়েছে, দক্ষিণ সিরিয়ায় দ্রুজ সম্প্রদায়ের বসবাসকারী এলাকাগুলোতে কয়েকদিন ধরে সরকারবিরোধী উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই এলাকাতেই ইসরায়েলি ড্রোন ও বিমান হামলার তীব্রতা বেড়েছে।

    বিবিসির তথ্যমতে, বুধবারের এই হামলায় অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। তারা সবাই সিরিয়ার নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।

    ইসরায়েল কয়েকদিন আগেই সিরিয়ার সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলেছিল, তাদের বাহিনী দক্ষিণ থেকে না সরালে আঘাত আসবে। সেই হুঁশিয়ারির বাস্তবায়ন হিসেবেই এই হামলা বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

    আইডিএফ-এর দাবি, দামেস্কের উপকণ্ঠে অবস্থিত সরকারি সামরিক সদর দপ্তরের প্রবেশপথে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলে আরও কিছু কৌশলগত স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বার্তায়, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ লেখেন—“সতর্কবার্তা শেষ, এবার যন্ত্রণাদায়ক প্রতিক্রিয়া শুরু।”

    এই হামলার পর রাজধানী দামেস্কে বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো শহর। আকাশে উড়তে দেখা গেছে বিশাল ধোঁয়ার কুন্ডলি।

    এমন এক সময় এই হামলা চালানো হলো, যখন সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনা চরমে, এবং দ্রুজ সম্প্রদায়ের সঙ্গে সরকারপন্থীদের সংঘর্ষ ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের এই পদক্ষেপ সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

  • ইরানের বাবলসারে বিস্ফোরণের শব্দ, যুদ্ধবিরতি ভাঙার আশঙ্কায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি

    ইরানের বাবলসারে বিস্ফোরণের শব্দ, যুদ্ধবিরতি ভাঙার আশঙ্কায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি

    এবিএনএ: ইরানের উত্তরের শহর বাবলসারে মঙ্গলবার রাতের দিকে আকস্মিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইসনা জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরপরই ওই অঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়।

    স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ঘটনাটি ছিল অত্যন্ত জোরালো এবং বিস্ফোরণের পর আকাশে অস্বাভাবিক আলো দেখা গেছে। ঘটনার সঠিক কারণ এখনো জানা না গেলেও সামরিক তৎপরতার আশঙ্কা বাড়ছে।

    এরই মধ্যে ইসরায়েল অভিযোগ করেছে, ইরান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে সরকারিভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জমির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “ইরান ভয়ানকভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে এবং এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে।”

    তবে ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি ও ইসনা জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর তেহরান থেকে কোনো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়নি। ইরানের সামরিক প্রধান আবদুলরহিম মুসাভি দাবি করেন, তারা শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করছে এবং উসকানিতে সাড়া দিচ্ছে না।

    এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানান, ইরান ও ইসরায়েল পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, “উভয় দেশকে বলছি, কেউ এই চুক্তি ভঙ্গ করবেন না।”

    তবে সাম্প্রতিক বিস্ফোরণ এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগে স্পষ্ট হয়েছে, উত্তেজনা এখনও প্রশমিত হয়নি। ইরান-ইসরায়েল সংঘর্ষ নতুন করে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

  • ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উত্তাল ইসরায়েল, ফের বাজল সাইরেন

    ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উত্তাল ইসরায়েল, ফের বাজল সাইরেন

    এবিএনএ:

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও ঘনীভূত হয়েছে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সামরিক উত্তরের পাল্টা উত্তরের মাধ্যমে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ইরান ফের ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।

    এই হামলার জবাবে ইসরায়েল রাজধানীসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সতর্কতা সাইরেন বাজিয়েছে এবং জনগণকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলাগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।

    তবে এখন পর্যন্ত এই নতুন হামলায় ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

    এর আগে শনিবার রাতভর দুই দেশের মধ্যে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা হয়। তাতে বহু হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। সেসব হামলার রেশ না কাটতেই আবারও ইরানের আক্রমণ পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে প্রতিটি পক্ষ নিজের অবস্থান শক্তিশালী করতে মরিয়া।