Tag: অস্থিরতা

  • অস্থিরতার বাংলাদেশে গণতন্ত্রের আলোকবর্তিকা ছিলেন মওদুদ আহমদ: মির্জা ফখরুলের আবেগঘন স্মৃতিচারণ

    অস্থিরতার বাংলাদেশে গণতন্ত্রের আলোকবর্তিকা ছিলেন মওদুদ আহমদ: মির্জা ফখরুলের আবেগঘন স্মৃতিচারণ

    এবিএনএ: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আমরা এখন এমন এক অস্থিরতার মধ্যে বাস করছি, যেখানে মানুষের আশা ও গণতন্ত্রের পথ প্রায় অন্ধকারে ঢাকা।” তিনি জানান, এই অনিশ্চয়তার সময়টিতে যে ক’জন মানুষ দেশের জন্য সত্যিকারের দিকনির্দেশনা দিতে পারতেন, তাদের মধ্যে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ছিলেন অন্যতম। তাঁর কণ্ঠে দুঃখের সুর—“খুব আফসোস হয়, তিনি বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন দেখে যেতে পারেননি, যা তিনি জীবনের শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশা করেছিলেন।”

    মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ রচিত নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

    তিনি বলেন, “মওদুদ আহমদ শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, ছিলেন ইতিহাসের একজন গভীর পর্যবেক্ষক। আন্তরিকভাবে ইতিহাসচর্চা ও সত্যিকারের রাজনৈতিক মূল্যবোধ নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি ছিলেন এক অনন্য প্রজ্ঞাবান ও বহুমাত্রিক গণতান্ত্রিক ব্যক্তিত্ব।”

    স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ফখরুল বলেন, “২০১২ সালে আমরা ১৭ জন যখন প্রথমবারের মতো কারাবন্দি হলাম, তখন দেখলাম ব্যারিস্টার মওদুদ খুব দ্রুত ডিভিশন সেলের দিকে যাচ্ছেন। জানতে পারলাম, তিনি রুম নাম্বার ওয়ানে গিয়ে লিখতে বসবেন। কারাগারে তিনি ভোর থেকে রাত পর্যন্ত লিখতেন, শুধু খাবারের সময় একটু উঠতেন। তাঁর লেখালেখির প্রতি যে নিষ্ঠা ছিল, তা সত্যিই অনুকরণীয়।”

    অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতাসহ দেশের বিভিন্ন খ্যাতিমান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, আইনজীবী ও বুদ্ধিজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের অবদান, তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে কথা বলেন এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

  • ছাত্রদল-শিবিরের বাকযুদ্ধে উত্তেজনা, পুলিশ প্রস্তুত

    ছাত্রদল-শিবিরের বাকযুদ্ধে উত্তেজনা, পুলিশ প্রস্তুত

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফলের আগে ঢাবি এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ভোট গণনার সময় ছাত্রদল ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে।

    অভিযোগ রয়েছে, বিকেল থেকে ক্যাম্পাসের বাইরে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, জামায়াত ও বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অস্থিরতা বিরাজ করছে, পুলিশ সতর্ক অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে।

    ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “ডাকসু নির্বাচনের কারণে ঢাবি এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি করা হচ্ছে এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আগেই প্রতিরোধ করা হচ্ছে।”

    ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান অভিযোগ করেছেন, “ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের অনেক কেন্দ্রে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।”

    ছাত্রশিবির সমর্থিত নেতা সাদিক কায়েম বলেন, “ছাত্ররা যাকে ম্যান্ডেট দেবে, তা মেনে নিতে হবে। সকল প্রার্থীকে শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের উচিত তা বন্ধ করা।”

    নির্বাচনের ফলাফলের আগে ঢাবি এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।