Tag: অপরাধ

  • হ্যালোইন পার্টি শেষে নির্মম হত্যাকাণ্ড: ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেনের মৃত্যুর পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    হ্যালোইন পার্টি শেষে নির্মম হত্যাকাণ্ড: ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেনের মৃত্যুর পেছনে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    এবিএনএ:হ্যালোইন পার্টি শেষে বাড়ি ফেরার পথে ভয়াবহ হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারান ব্রিটিশ মডেল লুক হার্ডেন। ঘটনাটি ঘিরে শুরু হয়েছে আদালতে বিচার প্রক্রিয়া, যেখানে তদন্তে উঠে এসেছে বেশ কিছু নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি-এর তথ্য অনুযায়ী, হত্যার মাত্র দুই দিনের মধ্যেই ২৬ বছর বয়সী ভেকি সানি মাতাবিসওয়ানা নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশ।

    কোথায় এবং কীভাবে ঘটেছিল ঘটনা?

    ঘটনাটি ঘটে ইংল্যান্ডের ল্যাঙ্কাশায়ার অঞ্চলে, গত বছরের ১ নভেম্বর ভোরে। হঠাৎ ও অপ্রত্যাশিত হামলায় হার্ডেন আত্মরক্ষার কোনো সুযোগই পাননি।

    বর্তমানে মামলাটি শুনানি চলছে প্রিস্টন ক্রাউন কোর্ট-এ। বিচার চলাকালে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ভেকি এবং নিহত হার্ডেন আগে থেকে একে অপরকে চিনতেন না।

    পার্টি থেকে বের হওয়ার পরই বিপর্যয়

    ঘটনার রাতে দুজনই উপস্থিত ছিলেন স্ট্যাকস্টেডস এলাকার ‘রোজমাউন্ট ওয়ার্কিং মেনস ক্লাব’-এ আয়োজিত একটি হ্যালোইন পার্টিতে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাতের দিকে মদ্যপ অবস্থায় ক্লাব ত্যাগ করেন হার্ডেন।

    কিছুক্ষণ পর নিউচার্চ রোডে তার সঙ্গে দেখা হয় ভেকি ও তার বান্ধবীর। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রথমে স্বাভাবিকভাবে কথা বললেও হঠাৎ করেই কোনো কারণ ছাড়াই ভেকি হামলা চালান।

    আকস্মিক হামলা ও মৃত্যুর কারণ

    সিসিটিভি অনুযায়ী, ভেকি হার্ডেনকে মাটিতে ফেলে মাথায় জোরালোভাবে আঘাত করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গুরুতর আঘাতের কারণে হার্ডেন দ্রুত অচেতন হয়ে পড়েন এবং জরুরি সহায়তা চাওয়ার আগেই তার অবস্থার অবনতি ঘটে।

    ফরেনসিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাতের ফলে তার খুলিতে ফাটল ধরে এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়—যা তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    আদালতে কী বলা হয়েছে?

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নিকোলাস রোডস কেসি আদালতে জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বান্ধবীর সঙ্গে হার্ডেনের কথা বলা দেখে উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান।

    গ্রেপ্তার ও বর্তমান অবস্থা

    ঘটনার পর অভিযুক্ত ভেকি একাধিকবার দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যানচেস্টার বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    বর্তমানে মামলার বিচার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

  • অস্ত্র ও ড্রোনসহ রাজধানীতে গোপন তৎপরতা: নিষিদ্ধ সংগঠনের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

    অস্ত্র ও ড্রোনসহ রাজধানীতে গোপন তৎপরতা: নিষিদ্ধ সংগঠনের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

    এবিএনএ: রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও কেরাণীগঞ্জ এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ড্রোনসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে তাদের কাছ থেকে নাশকতার প্রস্তুতিতে ব্যবহারের সন্দেহে বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।

    গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মো. ইমরান চৌধুরী (২৯), মো. মোস্তাকিম চৌধুরী (২৫), রিপন হোসেন শেখ (২৮) এবং আবু বক্কর (২৫)। মঙ্গলবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত পৃথক সময়ে পরিচালিত অভিযানে ডিবি রমনা বিভাগের একটি দল তাদের আটক করে।

    ডিবি সূত্র জানায়, প্রথমে ভোর ৩টা ৫ মিনিটে কামরাঙ্গীরচর থানার তারা মসজিদ সংলগ্ন কয়লাঘাট এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ইমরান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সকাল ৫টা ৪০ মিনিটে কেরাণীগঞ্জের জিয়ানগর এলাকা থেকে মোস্তাকিম চৌধুরীকে আটক করা হয়। একই দিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুর শিকসন ব্রিজের আশপাশে অভিযান চালিয়ে রিপন হোসেন শেখ ও আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ওয়ান শ্যুটারগান, ১৪ রাউন্ড গুলি, তিনটি খালি কার্তুজ, কয়েকটি স্মার্টফোন, একটি মেটাল ডিটেক্টর, একটি ড্রোন ও ড্রোন পরিচালনার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এছাড়া উগ্রবাদী মতাদর্শ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বই ও লিফলেটও জব্দ করা হয়েছে।

    তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গ্রেপ্তারকৃতরা নিষিদ্ধ সংগঠন ‘আকসা’র সঙ্গে যুক্ত। তারা রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নাশকতা ও গোপন হামলার পরিকল্পনা করছিল। এ উদ্দেশ্যে তারা অস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম সংগ্রহ করে সংগঠিত হচ্ছিল বলে মনে করছে পুলিশ।

    গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং তাদের নেটওয়ার্কের অন্য সদস্যদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

  • যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যা: পরিবারে শোকের ছায়া

    যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যা: পরিবারে শোকের ছায়া

    এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা নিতে গিয়ে প্রাণ হারালেন দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। অভিযোগ উঠেছে, পরিকল্পিতভাবে তাদের হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে লিমনের রুমমেট, মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও এখনো বৃষ্টির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে পাওয়া বিপুল রক্তের চিহ্ন দেখে তদন্তকারীরা ধারণা করছেন—দুজনকেই হত্যা করা হয়েছে। এ কারণে বৃষ্টির পরিবারের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে সম্ভাব্য আলামতের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায়।

    রাজধানীর মিরপুরে বৃষ্টির বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মাত্র এক বছর আগে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের স্বপ্ন ছিল মেয়ের সফলতা দেখার; কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের ভিড় থাকলেও কেউ এই মর্মান্তিক খবর মেনে নিতে পারছেন না।

    জানা গেছে, গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন বৃষ্টি ও লিমন। তদন্তে নেমে পুলিশ লিমনের রুমমেটকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রায় ১০ দিন পর হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড সেতু এলাকার কাছ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও বৃষ্টির কোনো হদিস মেলেনি।

    বৃষ্টির স্বজনরা জানান, ক্রাইমসিনে পাওয়া আলামত থেকে ধারণা করা হচ্ছে ঘটনাস্থলে তিনিও উপস্থিত ছিলেন। তাই ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে।

    অন্যদিকে লিমনের গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামে শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। তার মৃত্যুতে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী স্তব্ধ। হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

    জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি দুজনই ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী ছিলেন। লিমন ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে গবেষণা করছিলেন। অন্যদিকে বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যয়নরত ছিলেন। ১৬ এপ্রিল তাদের শেষবার দেখা যাওয়ার পর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন তারা, যা শেষ পর্যন্ত মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়।

  • পুলিশের ৯৯% সদস্য সৎ—কিছু অনিয়মে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না: আইজিপি

    পুলিশের ৯৯% সদস্য সৎ—কিছু অনিয়মে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না: আইজিপি

    এবিএনএ:পুলিশ বাহিনীর অধিকাংশ সদস্য সৎ ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, সামান্য কিছু অনিয়মের কারণে পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া উচিত নয়। এজন্য অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, তদারকি ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত জানুয়ারি–মার্চ ২০২৬ সময়ের দুই দিনব্যাপী ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    আইজিপি বলেন, দায়িত্বশীলতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং ছিল, তবে সম্মিলিত উদ্যোগে তা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সফলভাবে একটি জাতীয় নির্বাচন সম্পন্ন করায় পুলিশ সদস্যদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে এবং জনগণের আস্থাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    তিনি বলেন, অপরাধ তদন্তে সিআইডি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও শীর্ষ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে। সিআইডির সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, আইনি ক্ষমতা ও দায়িত্ববোধ বিচারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করছে। তাই তদন্ত কার্যক্রমের গতি বাড়ানো, মান উন্নয়ন এবং সময়মতো নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে পেশাদারিত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

    আলী হোসেন ফকির বলেন, প্রত্যেক কর্মকর্তা ও সদস্যকে নিজের দায়িত্বকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে। তদন্তের অগ্রগতি নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক তদন্ত পদ্ধতির ওপর জোর দেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, অপরাধের মূল কারণ বিশ্লেষণ করে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা এবং মাদক ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন আইজিপি।

    পুলিশ বাহিনীর নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হলে পুরো প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ বা অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জনে পেশাদার আচরণ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, দুই দিনের সম্মেলনে জেলা ইউনিট, বিশেষায়িত ইউনিট ও সদর দপ্তরের কার্যক্রম, সাফল্য, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়েছে। আলোচনা থেকে পাওয়া সুপারিশের ভিত্তিতে আগামী তিন মাসের জন্য একটি বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, একজন সদস্যের ভুলে পুরো পুলিশ বাহিনীর সুনাম নষ্ট হতে পারে—এ বিষয়টি মাথায় রেখে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সাম্প্রতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পুলিশ বাহিনী সফলভাবে এগিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    অনুষ্ঠান শেষে সিআইডির বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাদের সাহসী ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার প্রদান করা হয়। সভায় সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এবং জেলা ইউনিটগুলোর কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে অংশ নেন।

  • গুলশানে অভিযান: ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ৩, জব্দ প্রাইভেটকার

    গুলশানে অভিযান: ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ আটক ৩, জব্দ প্রাইভেটকার

    এবিএনএ: রাজধানীর গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল নোটসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকার জাল নোট এবং একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।

    ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন রোববার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. আবু হানিফ পালোয়ান (৫০), রেজাউল শেখ (৪০) এবং আব্দুল্লাহ মজুমদার আশিক (২৪)। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে গুলশান থানার একটি দল ৩৬ নম্বর সড়কে অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে।

    অভিযানকালে তাদের হেফাজত থেকে ৫০ লাখ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়েছে।

    থানা সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক যাচাইয়ে উদ্ধার হওয়া নোটগুলো জাল বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকার লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেছেন।

    এ ঘটনায় আটক তিনজনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ছাত্রীনিবাসে দুঃসাহসিক গণচুরি, নিরাপত্তাহীনতায় ক্ষোভ

    ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ছাত্রীনিবাসে দুঃসাহসিক গণচুরি, নিরাপত্তাহীনতায় ক্ষোভ

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটে ঈদের ছুটিকে কেন্দ্র করে ফাঁকা পড়ে থাকা একটি ছাত্রীনিবাসে সংঘটিত হয়েছে পরিকল্পিত গণচুরির ঘটনা। শহরের মুণিগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (ম্যাটস্)-এর আবাসিক ভবনে চোরের দল প্রবেশ করে একাধিক কক্ষ ভেঙে মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে।

    ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।

    সরেজমিনে দেখা যায়, চারতলা বিশিষ্ট এই ছাত্রীনিবাসের অন্তত ১৫টি কক্ষের তালা ভাঙা হয়েছে। প্রতিটি কক্ষের ভেতরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে জিনিসপত্র, যা থেকে চুরির ব্যাপকতা স্পষ্ট।

    ছাত্রীনিবাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী নাইমা ইসলাম জানান, ঈদের ছুটিতে অধিকাংশ ছাত্রী বাড়িতে চলে যাওয়ায় ভবনটি প্রায় খালি ছিল। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা নিচতলার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কক্ষে চুরি চালায়।

    তার দাবি, চোরেরা নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার, জামাকাপড়, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, টেলিভিশন ও ইন্টারনেট রাউটারসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে। দূরে অবস্থান করেই তিনি ফোনে এ ঘটনার খবর পেয়ে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।

    অন্যদিকে, আবাসিক ছাত্র তন্ময় দাস জয় ও অন্তর শীল জানান, চুরির ঘটনা একদিনে সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রথম দিন নিচতলার কয়েকটি কক্ষে চুরি হয়, এরপর পরদিন আবার অন্য তলায় ঢুকে একই ধরনের ঘটনা ঘটে।

    শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে জনবল সংকট রয়েছে এবং রাতে কোনো নৈশপ্রহরী দায়িত্ব পালন করেন না। এই নিরাপত্তা ঘাটতির সুযোগ নিয়েই চোরের দল বারবার ভবনে প্রবেশ করতে পেরেছে।

    তারা দ্রুত নিরাপত্তা জোরদার এবং স্থায়ী পাহারার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

    বাগেরহাট সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নিচতলার গ্রিল কেটে চোরেরা ভেতরে ঢুকে কক্ষগুলোতে চুরি চালায়। ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া মালামালের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।

  • বাগেরহাটে দুঃসাহসিক হামলা—পুলিশকে কুপিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া হলো আসামি

    বাগেরহাটে দুঃসাহসিক হামলা—পুলিশকে কুপিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া হলো আসামি

    এবিএনএ,বাগেরহাট: বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন এবং এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে মঘিয়া ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি নাদিম শেখ (৩৩)কে গ্রেপ্তার করতে এসআই আনিছুর রহমান ও এএসআই ইমদাদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল তার বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে তাকে আটক করে ফিরিয়ে আনার সময় হামলার শিকার হয় পুলিশ।

    এ সময় নাদিমের ছোট ভাই সাগর শেখ ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়। হামলার একপর্যায়ে কনস্টেবল রাজু খানকে লক্ষ্য করে কোপ দিলে তার ডান হাত মারাত্মকভাবে জখম হয়।

    এই সুযোগে নাদিম ও সাগর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে আহত পুলিশ সদস্যকে দ্রুত উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুর রহমান জানান, পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু হয়েছে এবং হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

    এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • ছাত্রনেতা মাসুম হত্যার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    ছাত্রনেতা মাসুম হত্যার প্রতিবাদে শরণখোলায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

    এবিএনএ,শরণখোলা(বাগেরহাট): শরণখোলায় ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মাসুমকে নৃশংসভাবে হত্যা করার প্রতিবাদে এবং হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। ৬ মার্চ (শুক্রবার) সকালে উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়ন এর খুড়িয়াখালী গ্রামে নিহত মাসুমের বাড়ির সামনে এ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী ও পুরুষ অংশ নেয়। উল্লেখ্য গত ১ মার্চ রাতে মাসুমকে হত্যা করা হলে অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং বাকী আসামীরা পালিয়ে যায়।

    মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এলাকাবাসীরা বলেন, মাসুমের হত্যায় যারা জড়িত তারা পূর্বে বনদস্যুতার সাথে যুক্ত ছিলো। বর্তমানেও পালিয়ে যাওয়া আসামীরা সুন্দরবনে অবস্থান করছে এবং রাতে তারা তাদের নিজেদের বাড়ীতে থাকে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কোনো তৎপরতা নেই বলে এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন।

    নিহত মাসুমের পরিবার জানায়, আসামীর পরিবারের নারীরা সন্ধ্যা হলেই ধারালো দা নিয়ে রাস্তায় বের হয়। গতকাল রাতে নিহত মাসুমের বড় ভাইকে একা পেয়ে দা- বটি নিয়ে তেড়ে আসে অভিযুক্ত আসামী পরিবারের দুই নারী সদস্য। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে ওই নারীরা পালিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো বটি উদ্ধার করে।

    এ ব্যাপারে শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, অভিযুক্ত আসামীরা ঘটনার পর থেকে এলাকা থেকে পালিয়েছে। তবে তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আমাদের বিশেষ অভিযান চলছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতায় ২ ঘণ্টায় অপহরণ নাটকের অবসান:চামেলীবাগ থেকে উদ্ধার স্কুলছাত্র

    প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতায় ২ ঘণ্টায় অপহরণ নাটকের অবসান:চামেলীবাগ থেকে উদ্ধার স্কুলছাত্র

    এবিএনএ: রাজধানীতে অপহরণের ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে দুই ঘণ্টার মধ্যে অপহৃত এক স্কুলছাত্রকে উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। সরকারি উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনার পরপরই অভিযান জোরদার করা হয়। উদ্ধার হওয়া কিশোর রাজধানীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

    ঘটনার দিন বিকেলে সাইকেল চালাতে বেরিয়ে নিখোঁজ হয় ওই কিশোর। কিছুক্ষণ পর পরিবারের কাছে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে পরিবার। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলে পৌঁছালে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

    এরপর ডিএমপির একটি দল রাজধানীর চামেলীবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি নির্মাণাধীন বহুতল ভবন থেকে অপহৃত কিশোরকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। অভিযানে রমনা বিভাগের কর্মকর্তারা নেতৃত্ব দেন। উদ্ধার-পরবর্তী মুহূর্তে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বস্তি ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়।

    উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীর বাবা বলেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ছেলেকে সুস্থভাবে ফিরে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ত। অপহরণকারীরা প্রথমে বেশি অঙ্কের টাকা দাবি করলেও পরে দ্রুত অর্থ দিতে চাপ সৃষ্টি করে এবং কাউকে জানালে ক্ষতির হুমকি দেয়।

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ঘটনায় জড়িতরা ওই এলাকার অপরাধচক্রের সদস্য। বিষয়টি আরও তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, রাজধানীতে শিশু-কিশোরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

  • ভোরের নীরবতা ভেঙে পল্লবীতে গুলির শব্দ: মুদি দোকানদারকে গুলি করে টাকা লুট

    ভোরের নীরবতা ভেঙে পল্লবীতে গুলির শব্দ: মুদি দোকানদারকে গুলি করে টাকা লুট

    এবিএনএ: রাজধানীর পল্লবী এলাকায় ভোররাতে সশস্ত্র হামলার শিকার হয়েছেন এক মুদি দোকানদার। দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়েছেন মুহাম্মদ হোসেন দীপু (৪৬)। হামলার পর তার কাছে থাকা নগদ টাকা লুট করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে হামলাকারীরা।

    ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

    দীপুর স্ত্রী আফরোজা জানান, ভোরের দিকে পল্লবী থানার ৫ নম্বর রোডের ১২ নম্বর সেকশনের একটি বাসার নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন তার স্বামী। এ সময় তিনজন অজ্ঞাত পরিচয়ের মুখোশধারী ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলি তার বাম পায়ের হাঁটুর ওপর অংশে লাগে। এরপর দুর্বৃত্তরা তার কাছে থাকা প্রায় ১৭ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

    বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দীপুর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গেছে।

    এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পৃথক দুটি টিম পাঠিয়েছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। দ্রুত বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানান তিনি।