Tag: অনলাইন আবেদন

  • অষ্টম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ মে: সময়সীমা, ফি ও নিয়ম না জানলে মিস হতে পারে সুযোগ

    অষ্টম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন শুরু ২ মে: সময়সীমা, ফি ও নিয়ম না জানলে মিস হতে পারে সুযোগ

    এবিএনএ: ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরুর তারিখ ঘোষণা করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। আগামী ২ মে থেকে শুরু হয়ে এই প্রক্রিয়া চলবে ২৫ মে পর্যন্ত।

    বোর্ডের জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের তথ্য অনলাইনে পূরণ এবং ফি জমা সম্পন্ন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে ইএসআইএফ (eSIF) ফরম পূরণের মাধ্যমে।

    কারা রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে?

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যেসব শিক্ষার্থী ২০২৫ সালে সপ্তম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ২০২৪ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে বোর্ডের আওতায় নিবন্ধিত ছিল, তারাই এই রেজিস্ট্রেশনের জন্য যোগ্য।

    বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে—

    • সর্বনিম্ন: ১১ বছর
    • সর্বোচ্চ: ১৭ বছর

    তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই বয়সসীমা সর্বোচ্চ ২২ বছর পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে।

    রেজিস্ট্রেশন কীভাবে সম্পন্ন হবে?

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বোর্ডের নির্ধারিত অনলাইন সিস্টেমে (OEMS/eSIF) প্রবেশ করে EIIN ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। এরপর নির্ধারিত ফি জমা নিশ্চিত হলে শিক্ষার্থীদের তথ্য পূরণ করা যাবে।

    ফি জমা দিতে হবে নির্ধারিত ব্যাংকিং পদ্ধতিতে (সোনালী সেবা)। কোনো অবস্থাতেই ফরমের ফটোকপি জমা বা নির্ধারিত খাত ছাড়া অন্যভাবে অর্থ প্রদান গ্রহণযোগ্য হবে না।

    গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

    • কেবল বোর্ড স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই নিজ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে
    • অনুমোদনবিহীন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিকটবর্তী স্বীকৃত বিদ্যালয়ের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে
    • প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে তিন সদস্যের একটি যাচাইকরণ কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক
    • শিক্ষার্থীর তথ্য জন্মসনদ ও ভর্তি ফরমের সঙ্গে মিলিয়ে চূড়ান্ত সাবমিট করতে হবে
    • কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থীদের সরাসরি অনলাইন কার্যক্রমে যুক্ত করা যাবে না

    ফি সংক্রান্ত তথ্য

    প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০৬ টাকা। নির্ধারিত সময় পার হলে বিলম্ব ফিসহ মোট ২৫৬ টাকা দিতে হবে। অতিরিক্ত কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

    নতুন প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্দেশনা

    নতুন অনুমোদনপ্রাপ্ত নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোকে প্রথমে ব্যানবেইস থেকে EIIN সংগ্রহ করতে হবে। এরপর ১,৫০০ টাকা জমা দিয়ে লগইন তথ্য নিতে হবে।

    সতর্কবার্তা

    বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন না হলে এর দায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে বহন করতে হবে। পাশাপাশি, সব প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতি হালনাগাদ থাকতে হবে—নইলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র সংযুক্ত করাও বাধ্যতামূলক।

  • ইসির অনলাইন কার্ড আবেদনে ভয়াবহ গাফিলতি, ফাঁস হলো ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য

    ইসির অনলাইন কার্ড আবেদনে ভয়াবহ গাফিলতি, ফাঁস হলো ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য

    এবিএনএ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের কার্ড ও গাড়ির স্টিকার প্রদানের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রথমবারের মতো অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক করা হলেও সাংবাদিকদের প্রবল আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে কমিশন।

    তবে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আগেই প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিক ইসির নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আবেদন করেছিলেন। শনিবার বিকেলে সেই আবেদনকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য হঠাৎ করেই ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ্যে চলে আসে, যা নিয়ে সাংবাদিক মহলে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

    শনিবার বিকেল ৪টার দিকে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট pr.ecs.gov.bd-এ প্রবেশ করলেই দেখা যায়, আবেদন করা ১৪ হাজার সাংবাদিকের তালিকা সরাসরি হোম পেজে দৃশ্যমান। সেখানে আবেদনকারীদের নামের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং সম্পূর্ণ আবেদনপত্র দেখার অপশনও উন্মুক্ত ছিল।

    কিছু সময় পর ওয়েবসাইটটিতে আর প্রবেশ করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তখনই বিষয়টি নজরে এলে সাইটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই জনসংযোগ শাখা অনলাইন আবেদন পদ্ধতি চালু করে। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের বৈঠকের পর আগের পদ্ধতিতেই কার্ড ও স্টিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইসি।

    এ বিষয়ে ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, অনলাইন সিস্টেম আগেই বন্ধ করা হয়েছিল। তবে শনিবার বিকেলে কীভাবে ওয়েবসাইটটি আবার উন্মুক্ত হলো, সে বিষয়ে তদন্ত করে জানা গেছে—ওয়েবসাইটের দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডমিন সাময়িকভাবে সেটি চালু করেছিলেন। বর্তমানে সাইটটি বন্ধ রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

    ইসির অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ই-মেইল, মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হতো। পরে ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন করা হতো।