Tag: অধ্যাদেশ ২০২৫

  • এনবিআর বিলুপ্ত, দুটি নতুন বিভাগ গঠনের অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন

    এনবিআর বিলুপ্ত, দুটি নতুন বিভাগ গঠনের অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন

    এবিএনএ:  বাংলাদেশের রাজস্ব কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে দুটি পৃথক বিভাগ গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ জন্য আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৩৯তম বৈঠকে ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এ পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী হবে বলে আশা করছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত এই কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়নে নতুন অধ্যাদেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    একই বৈঠকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য পারস্পরিক ভিসা অব্যাহতি চুক্তির খসড়াও অনুমোদন করা হয়। এতে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    এছাড়া, বৈঠকে সংস্কার কমিশনের দেওয়া সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কেও উপদেষ্টা পরিষদকে অবহিত করা হয়।

    সরকারি নীতিনির্ধারকদের মতে, এনবিআর বিলুপ্তির পর দুটি পৃথক বিভাগ গঠনের ফলে রাজস্ব আদায়, নীতি প্রণয়ন এবং ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় আরও জোরদার হবে এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমবে।

  • সন্ত্রাসে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিষিদ্ধে আসছে নতুন অধ্যাদেশ

    সন্ত্রাসে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিষিদ্ধে আসছে নতুন অধ্যাদেশ

    এবিএনএ:   সন্ত্রাসবাদ দমনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। এবার সন্ত্রাসে জড়িত ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া নীতিগত চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

    রবিবার রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই খসড়াটি অনুমোদিত হয়।

    বৈঠকের সারসংক্ষেপে বলা হয়, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়েছিল সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধ শাস্তি নিশ্চিত করতে। তবে বর্তমান আইনে কেবল ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান থাকলেও কোনো সত্তা বা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিষিদ্ধের সুস্পষ্ট ধারা ছিল না।

    নতুন সংশোধনীতে এই ফাঁক পূরণ করা হয়েছে। এখন থেকে যুক্তিসংগত প্রমাণের ভিত্তিতে সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা সত্তাকে সন্ত্রাসে জড়িত হিসেবে চিহ্নিত করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারবে।

    এছাড়াও, সংশোধিত অধ্যাদেশে অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর প্রচারণা বন্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। সংশোধনীটি অধ্যাদেশ আকারে আগামীকাল জারি হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।

    এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী আধুনিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।