Tag: অধিবেশন

  • তীব্র আপত্তির মধ্যেই ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল’ পাস, সংসদ থেকে বিরোধীদের ওয়াকআউট

    তীব্র আপত্তির মধ্যেই ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল’ পাস, সংসদ থেকে বিরোধীদের ওয়াকআউট

    এবিএনএ: সংসদে তীব্র আপত্তি ও বিতর্কের মধ্যেই ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ পাস করা হয়েছে। বিলটি অনুমোদনের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধান বিরোধী দল অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেছে।

    শুক্রবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। বিলটি ভোটে পাস হওয়ার পর বিরোধী দল তাদের আপত্তি পুনর্ব্যক্ত করে।

    পরে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ কক্ষ ত্যাগের ঘোষণা দেন। তার ঘোষণার পরই বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা একে একে অধিবেশন থেকে বেরিয়ে যান।

    বিরোধী দলের দাবি, বিলটি নিয়ে পর্যাপ্ত আলোচনা হয়নি এবং তাদের উত্থাপিত আপত্তিগুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে সরকারপক্ষ বিলটি পাসের পক্ষে অবস্থান নেয়।

    ওয়াকআউটের ঘটনায় সংসদে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হলেও পরে নির্ধারিত কার্যসূচি অনুযায়ী অধিবেশন চালিয়ে যাওয়া হয়।

  • সংসদে মাইক বিকল, ক্ষুব্ধ স্পিকার: ‘এটি জাতির জন্য লজ্জাজনক পরিস্থিতি’

    সংসদে মাইক বিকল, ক্ষুব্ধ স্পিকার: ‘এটি জাতির জন্য লজ্জাজনক পরিস্থিতি’

    এবিএনএ: জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে হঠাৎ সাউন্ড সিস্টেমে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম একে ‘অত্যন্ত কলঙ্কজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন।

    রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে অধিবেশন চলাকালে হঠাৎ করে মাইকের শব্দে সমস্যা দেখা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সংসদের কার্যক্রম প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য স্থগিত রাখতে হয়। পরে অধিবেশন পুনরায় শুরু হলে স্পিকার বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন।

    তিনি জানান, মাইক ব্যবস্থার ত্রুটির কারণ অনুসন্ধানে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে সংসদ ভবনের ভেতরে ভাঙচুরের ঘটনায় আসবাবপত্র ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যার প্রভাব এখনো রয়ে গেছে।

    স্পিকার আরও বলেন, সংসদ ভবনে যে সাউন্ড সিস্টেমটি ব্যবহার করা হচ্ছে, তা কয়েক বছর আগে স্থাপন করা হলেও এর গুণগত মান ও স্থায়িত্ব নিয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য নথি পাওয়া যাচ্ছে না। এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজে যথাযথ পরিকল্পনা ও তদারকির অভাব ছিল বলেও তিনি ইঙ্গিত করেন।

    তিনি উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট বিদেশি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সমস্যার সমাধানে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। একই সঙ্গে স্থানীয়ভাবে যারা এই প্রকল্পে যুক্ত ছিলেন, তাদের অনেকেই দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন।

    এ পরিস্থিতিতে স্পিকার সংসদের সচিবকে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় এ ধরনের প্রযুক্তিগত বিভ্রাট কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি রাষ্ট্রের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর।

    তিনি আরও সতর্ক করে জানান, ভবিষ্যতে আবারও এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে স্বল্প সময়ের জন্য অধিবেশন স্থগিত রাখতে হতে পারে, যাতে দ্রুত মেরামত করা যায়।

    সব মিলিয়ে, চলমান এই প্রযুক্তিগত জটিলতা সংসদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে, যা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার।