Category: লিড নিউজ

  • ২৫ মার্চে ব্ল্যাকআউট বাতিল: শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্তে নতুন বার্তা

    ২৫ মার্চে ব্ল্যাকআউট বাতিল: শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্তে নতুন বার্তা

    এবিএনএ:  একাত্তরের ২৫ মার্চের ভয়াল গণহত্যা স্মরণে সারা দেশে এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাকআউট’ কর্মসূচি পালনের পরিকল্পনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা বাতিল করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় জানানো হয়, নির্ধারিত ২৫ মার্চ রাতের ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি আর বাস্তবায়ন করা হবে না।

    এর আগে, ২৩ মার্চ প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল—গণহত্যা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের অংশ হিসেবে ২৫ মার্চ রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত সারা দেশে প্রতীকী অন্ধকার কর্মসূচি পালন করা হবে। তবে সর্বশেষ সিদ্ধান্তে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    প্রসঙ্গত, এরও আগে ৮ মার্চ সচিবালয়ে এক প্রস্তুতি সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এ বছর ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসেও দেশব্যাপী আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এই প্রেক্ষাপটে ২৫ মার্চের ব্ল্যাকআউট কর্মসূচি বাতিলের সিদ্ধান্তও জ্বালানি সাশ্রয় নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ২৫ মার্চের কালরাত স্মরণে দেশজুড়ে ‘ব্ল্যাক আউট’—এক মিনিটের অন্ধকারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

    ২৫ মার্চের কালরাত স্মরণে দেশজুড়ে ‘ব্ল্যাক আউট’—এক মিনিটের অন্ধকারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

    এবিএনএ: ১৯৭১ সালের বিভীষিকাময় 1971 Bangladesh Genocide-এর সেই ভয়াল রাতের স্মরণে আগামী ২৫ মার্চ সারা দেশে প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করা হবে। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এদিন রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত এক মিনিটের জন্য সব আলো নিভিয়ে রাখা হবে।

    Ministry of Liberation War Affairs এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ‘গণহত্যা দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    তবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, কেপিআইভুক্ত এলাকা এবং বিদেশি মিশনগুলো এই কর্মসূচির বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দিবসটির মর্যাদা রক্ষায় ২৫ মার্চ রাতে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জা না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে ৮ মার্চ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতি সভা শেষে Salahuddin Ahmed জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বিবেচনায় ২৬ মার্চ Independence Day of Bangladesh-এও সারা দেশে আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ২৫ মার্চের এই প্রতীকী অন্ধকার কর্মসূচি মূলত জাতির ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর অধ্যায় স্মরণ এবং শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানোর একটি নিদর্শন। পাশাপাশি এটি জাতির ঐক্য ও চেতনার প্রতিফলন হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

  • ৩ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস—তাপমাত্রাও বাড়তে পারে, জানালো আবহাওয়া অফিস

    ৩ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস—তাপমাত্রাও বাড়তে পারে, জানালো আবহাওয়া অফিস

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে Bangladesh Meteorological Department। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের কয়েকটি বিভাগে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে।

    রোববার (২২ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির এ তথ্য জানান। পূর্বাভাস অনুযায়ী, Mymensingh Division, Chattogram Division এবং Sylhet Division-এর দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।

    এছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রাও সামান্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

    পরবর্তী দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সোমবার (২৩ মার্চ) রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় একই ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে। অন্যদিকে দেশের বাকি অংশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে।

    মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে বৃষ্টির পরিধি আরও কিছুটা বাড়তে পারে। এদিন রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১৬ মিলিমিটার। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ৩৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এছাড়া মৌসুমি লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যা দেশের আবহাওয়ার ওপর প্রভাব ফেলছে।

  • দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর—নিরাপত্তা জোরদারে জরুরি নির্দেশ

    দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর—নিরাপত্তা জোরদারে জরুরি নির্দেশ

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সড়ক ও রেল দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman। বিশেষ করে কুমিল্লার ট্রেন-বাস সংঘর্ষসহ ফেনী ও হবিগঞ্জের দুর্ঘটনাগুলোকে অত্যন্ত মর্মান্তিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

    রোববার (২২ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, ঈদের আনন্দঘন সময়ে এ ধরনের দুর্ঘটনা জাতির জন্য গভীর বেদনার। তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষের জীবন অমূল্য এবং প্রতিটি মৃত্যু অপূরণীয় ক্ষতি। নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। যাতায়াত ব্যবস্থায় কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না। রেলক্রসিং, সেতু ও সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থার নিরাপত্তা জোরদারে দুর্বলতা চিহ্নিত করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বার্তায় উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বগুড়া ও কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনায় বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ইতোমধ্যে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন।

    আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে এসব দুর্ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, কুমিল্লার দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন পৃথকভাবে এই কমিটিগুলো গঠন করেছে এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

    এছাড়াও ফেনী, হবিগঞ্জ ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতিও শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে।

  • ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা: ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলের নদীবন্দরে সংকেত জারি

    ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা: ঢাকাসহ ২০ অঞ্চলের নদীবন্দরে সংকেত জারি

    এবিএনএ: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকস্মিক ঝড়ো আবহাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাজধানী ঢাকাসহ অন্তত ২০টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    শনিবার রাত ১টা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এই সতর্কতা জারি করা হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোর নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদদের মতে, পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা ঝড়ো হাওয়ার গতি ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এর সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রপাত ও স্বল্পমেয়াদি বৃষ্টিপাত।

    যেসব অঞ্চল এই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সেগুলো হলো—রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারিপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট।

    এই পরিস্থিতিতে নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে ঝড়ের সময় নিরাপদ স্থানে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • জাতীয় ঈদগাহে ঐতিহাসিক ঈদের জামাত—রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে লাখো মুসল্লির মিলনমেলা

    জাতীয় ঈদগাহে ঐতিহাসিক ঈদের জামাত—রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে লাখো মুসল্লির মিলনমেলা

    এবিএনএ: রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বসহ হাজারো মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেন।

    ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারা জাতীয় ঈদগাহে সাধারণ মুসল্লিদের সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়িয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন, যা উপস্থিত মুসল্লিদের মাঝে বিশেষ আবেগের সৃষ্টি করে।

    এছাড়া মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিচার বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সরকারি আমলা এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরাও এই জামাতে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    ঈদের নামাজে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে খুতবা প্রদান করা হয়, যেখানে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও ঐক্যের জন্য দোয়া করা হয়।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানকে ঈদের জামাতের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়। মুসল্লিদের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত অযুখানা, চিকিৎসা সেবা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়।

    বিশেষভাবে নারীদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান, প্রবেশপথ ও অযুর ব্যবস্থা রাখা হয়। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকলেও সাধারণ মুসল্লিদের সুবিধাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়, যার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার নারী মুসল্লির জন্যও আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

  • ঈদের চাঁদ উঠতেই প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা: সবার মাঝে আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান

    ঈদের চাঁদ উঠতেই প্রধানমন্ত্রীর আবেগঘন বার্তা: সবার মাঝে আনন্দ ভাগাভাগির আহ্বান

    এবিএনএ: পবিত্র ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর জাতির উদ্দেশে ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি দেশবাসীকে ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রচারিত ওই বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঈদ মোবারক। প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম।” তিনি উল্লেখ করেন, এক মাসের সিয়াম সাধনার পর পবিত্র মাহে রমজান বিদায় নিয়েছে, যা মানুষকে ত্যাগ, সংযম ও তাকওয়ার শিক্ষা দেয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর জন্য নিয়ে আসে আনন্দ, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহমর্মিতার বার্তা। এই উৎসব যেন সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ে, সে আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি পরিবারে ঈদের আনন্দ পৌঁছে যাক—এই কামনা সবার। রমজানের শিক্ষা ধারণ করে সবাই যেন একে অপরের পাশে দাঁড়ায় এবং আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়, সেটিই হওয়া উচিত ঈদের মূল বার্তা।

    বার্তার শেষে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

  • ঈদের দিনই কালবৈশাখীর হানা! ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাত নিয়ে আবহাওয়ার নতুন সতর্কবার্তা

    ঈদের দিনই কালবৈশাখীর হানা! ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাত নিয়ে আবহাওয়ার নতুন সতর্কবার্তা

    এবিএনএ: পবিত্র ঈদের দিনে দেশজুড়ে আবহাওয়ার বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। শনিবার (২১ মার্চ) কালবৈশাখী ঝড়, বজ্রপাত ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান জানান, ঈদের দিন দেশের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি এবং বিদ্যুৎ চমকানোর ঘটনা।

    রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড়-বৃষ্টি দেখা যেতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

    তবে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ২২ মার্চের পর থেকে বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে।

    এদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যশোর, খুলনা, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    অন্যদিকে ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও সিলেট অঞ্চলেও ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

    ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি তাই সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • রাজধানীতে কোথায় কখন ঈদের নামাজ? জেনে নিন ঢাকার সব জামাতের সময়সূচি এক নজরে

    রাজধানীতে কোথায় কখন ঈদের নামাজ? জেনে নিন ঢাকার সব জামাতের সময়সূচি এক নজরে

    এবিএনএ: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় এবার ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১ হাজার ৭৭১টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১২১টি ঈদগাহ এবং ১ হাজার ৫৯৯টি মসজিদে মুসল্লিরা নামাজ আদায় করবেন। ইতোমধ্যে এসব জামাতকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

    রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায় হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, কোনো কারণে সেখানে জামাত অনুষ্ঠিত না হলে বিকল্প হিসেবে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    জাতীয় ঈদগাহে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। এখানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ প্রায় ৩৩০ জন ভিআইপি এবং প্রায় এক লাখ সাধারণ মুসল্লির জন্য নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নারীদের জন্য আলাদা পর্দার ব্যবস্থাও থাকবে।

    জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সময়গুলো হলো—সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা এবং ১০টা ৪৫ মিনিট।

    এছাড়া জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সকাল ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সংসদ সদস্য ও সাধারণ মুসল্লিরা অংশ নেবেন। নারীদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দুটি জামাত হবে—প্রথমটি সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয়টি সকাল ৯টায়।

    পুরান ঢাকার বিভিন্ন স্থানে যেমন লক্ষ্মীবাজার মিয়া সাহেবের ময়দান, গেন্ডারিয়ার ধূপখোলা মাঠ, দক্ষিণ মুগদা ও অন্যান্য এলাকায় সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    এছাড়া মহাখালী, লালবাগ, মান্ডা, গেন্ডারিয়া, জুরাইনসহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাতেও ১৭টি জামাতের আয়োজন করা হয়েছে।

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সকাল ৮টায় একটি বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রায় ২৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন।

    ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদের দিন নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় নিশ্চিত করতে রাজধানীজুড়ে সমন্বিত নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু থাকবে।

  • ঈদযাত্রায় কড়াকড়ি: সদরঘাটে অভিযান, জরিমানা ৭০ হাজার টাকা—আটক অর্ধশতাধিক

    ঈদযাত্রায় কড়াকড়ি: সদরঘাটে অভিযান, জরিমানা ৭০ হাজার টাকা—আটক অর্ধশতাধিক

    এবিএনএ: ঈদকে সামনে রেখে নৌপথে শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় জোরদার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনভর সেখানে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি তদারকি করেন মো. রাজিব আহসান

    নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিমন্ত্রী সরাসরি ঘাটের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং অনিয়ম রোধে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন। তার উপস্থিতিতেই বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়।

    নির্ধারিত সময়সূচি ভঙ্গ করে বিলম্বে লঞ্চ ছাড়ার অভিযোগে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর ভ্রাম্যমাণ আদালত তিনটি লঞ্চকে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করে। একই সঙ্গে অন্যান্য লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়।

    এ সময় প্রতিমন্ত্রী প্রায় ২০টি লঞ্চ ঘুরে দেখেন এবং যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শোনেন।

    অভিযানের অংশ হিসেবে যাত্রী হয়রানি ও অবৈধভাবে ঘাট দখলের অভিযোগে ৩৭ জন হকারকে আটক করে নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া অনুমতি ছাড়া নৌকা দিয়ে যাত্রী পারাপারের দায়ে আরও ৬ জন মাঝিকেও আটক করা হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।

    পাশাপাশি যাত্রীদেরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো অনিয়ম চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

    অন্যদিকে, সাম্প্রতিক লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজে যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ ও ফায়ার সার্ভিসের দল।