Category: বিনোদন

  • শাকিব খান আমাদের অনেক ঊর্ধ্বে, এই তুলনাই ভুল—স্পষ্ট বার্তা অপু বিশ্বাসের

    শাকিব খান আমাদের অনেক ঊর্ধ্বে, এই তুলনাই ভুল—স্পষ্ট বার্তা অপু বিশ্বাসের

    এবিএনএ: বর্তমান সময়ে শোবিজ অঙ্গনের নানা আলোচনা ও সমালোচনার বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি ট্রল সংস্কৃতি, সিনিয়র শিল্পীদের প্রতি সম্মান এবং শোরুম উদ্বোধন নিয়ে চলমান বিতর্কে খোলাখুলি কথা বলেন।

    শাকিব খানকে নিয়ে ওঠা বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে অপু বিশ্বাস স্পষ্ট ভাষায় জানান, তুলনার জায়গাটাই এখানে ভুল। তার কথায়, শাকিব খান ঢালিউডের একজন বড় মাপের অভিনেতা, যার অবস্থান অনেক উঁচুতে। তিনি মনে করেন, চলচ্চিত্র শিল্প এগিয়ে যাচ্ছে—এটি ইতিবাচক এবং আশাব্যঞ্জক বিষয়।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে ঘিরে ট্রল প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, যারা পরিচিত মুখ, বড় পরিসরে যাদের গ্রহণযোগ্যতা আছে, তাদের নিয়েই বেশি ট্রল হয়। এমনকি দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বরাও ট্রলের শিকার হন বলে মন্তব্য করেন তিনি। পরিচিত মুখকে কেন্দ্র করে কনটেন্ট তৈরি করলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে—এ কারণেই ট্রল বেশি হয় বলে তার ধারণা।

    নিজের ব্যক্তিত্ব নিয়ে অপু বিশ্বাস জানান, তিনি স্বভাবগতভাবেই সহজ-সরল ও স্পষ্টভাষী। মিথ্যা বলা বা কৃত্রিমতা তার স্বভাবে নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ক্যামেরার সামনে বা পেছনে—সব জায়গাতেই তিনি নিজের মতো করেই কথা বলেন বলে জানান এই অভিনেত্রী।

    শোরুম উদ্বোধন বা ফিতা কাটাকে কেন্দ্র করে সমালোচনার জবাবে অপু বিশ্বাস বলেন, কোনো কাজই ছোট নয়। একজন শিল্পী হিসেবে এসব আয়োজনের মধ্য দিয়েই সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয়। শোরুম উদ্বোধনের মাধ্যমে একটি বার্তা অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যায় এবং ফ্যানদের সঙ্গে সংযোগ আরও দৃঢ় হয় বলেও মত দেন তিনি।

  • বলিউডি গ্ল্যামারে ঝড় তুললেন বিদ্যা সিনহা মিম, ভাইরাল নতুন লুক

    বলিউডি গ্ল্যামারে ঝড় তুললেন বিদ্যা সিনহা মিম, ভাইরাল নতুন লুক

    এবিএনএ: ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম আবারও প্রমাণ করলেন—স্টাইল আর আত্মবিশ্বাসে তিনি অনন্য। অভিনয়ের বাইরে এবার তার ফ্যাশন লুক নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা। সম্প্রতি শেয়ার করা কয়েকটি ছবিতে একেবারে ভিন্ন রূপে ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

    গ্ল্যামার ও আধুনিক ফ্যাশনের মিশেলে টি-শার্ট ও ছোট ডেনিমে মিমের উপস্থিতি নেটদুনিয়ায় যেন ঝড় তুলেছে। ভক্তদের মতে, এই লুক একেবারেই ‘বলিউড স্টাইল’। ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই লাইক, শেয়ার ও মন্তব্যে ভরে উঠেছে তার পোস্ট।

    মিমের লম্বা গড়ন, সাবলীল ভঙ্গি ও আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি বরাবরই তাকে আলাদা করে চেনায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, স্টাইল ও ব্যক্তিত্বে তিনি আন্তর্জাতিক মানের একজন অভিনেত্রী।

    ছবির ক্যাপশনে মিম লেখেন, ‘ডেনিম তার কাজটাই করছে।’ সংক্ষিপ্ত এই ক্যাপশনেই যেন তার লুকের আত্মবিশ্বাস ধরা পড়েছে।

    একজন ভক্ত মন্তব্য করেছেন, ‘এটা পুরোপুরি বলিউড ভাইব।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘মিমের মতো লম্বা ও স্মার্ট অভিনেত্রী খুব কমই দেখা যায়।’

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে লাক্স–চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ের মাধ্যমে শোবিজে পা রাখেন বিদ্যা সিনহা মিম। হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ‘আমার আছে জল’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকের নজর কাড়েন। এরপর নাটক ও সিনেমায় ধারাবাহিক সাফল্যের মধ্য দিয়ে নিজেকে ঢালিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

  • বক্স অফিসে ঝড় তুলল রানি মুখোপাধ্যায়ের ‘মর্দানি ৩’, তিন দিনেই দুই অঙ্কের আয়

    বক্স অফিসে ঝড় তুলল রানি মুখোপাধ্যায়ের ‘মর্দানি ৩’, তিন দিনেই দুই অঙ্কের আয়

    এবিএনএ:  দীর্ঘ সময় পর আবারও বড় পর্দায় ভয়ডরহীন পুলিশ অফিসার শিবানী শিবাজি রাওয়ের ভূমিকায় হাজির হয়েছেন রানি মুখোপাধ্যায়। আর ফিরে এসেই বক্স অফিসে নিজের প্রভাব স্পষ্ট করে দিলেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। গত ৩০ জানুয়ারি মুক্তি পাওয়া ক্রাইম অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা ‘মর্দানি ৩’ মুক্তির শুরুতেই দর্শকদের আগ্রহ কাড়তে সক্ষম হয়েছে।

    বিভিন্ন প্রতিকূলতা এবং একাধিক বড় বাজেটের ছবির সঙ্গে প্রতিযোগিতা সত্ত্বেও ছবিটি প্রথম তিন দিনেই প্রায় ১০ কোটি রুপি আয় করেছে। অভিরাজ মিনাওয়ালা পরিচালিত এই সিনেমাটি মুক্তির প্রথম দিন থেকেই দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে।

    ট্রেড অ্যানালিস্টদের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম দিনে ‘মর্দানি ৩’ আয় করে প্রায় ৪ কোটি রুপি। সপ্তাহান্তে দর্শকসংখ্যা বাড়ায় রবিবার সেই আয় প্রায় ৬ কোটিতে পৌঁছায়। ফলে তিন দিনের মধ্যেই সিনেমাটি দুই অঙ্কের ঘরে প্রবেশ করে।

    বর্তমানে প্রেক্ষাগৃহে একাধিক আলোচিত ও বড় বাজেটের সিনেমা চললেও ‘মর্দানি ৩’ তার অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে। এমনকি একটি যুদ্ধভিত্তিক সিনেমার সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নেমেও ছবিটির আয় স্থিতিশীল থাকায় অবাক হয়েছেন ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই।

    যশ রাজ ফিল্মসের ব্যানারে আদিত্য চোপড়ার প্রযোজনায় নির্মিত এই সিনেমাটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে আরেকটি কারণে। কারণ, ভারতীয় চলচ্চিত্রে রানি মুখোপাধ্যায়ের তিন দশকের ক্যারিয়ার পূর্তির সময়েই মুক্তি পেয়েছে ‘মর্দানি ৩’। শক্তিশালী নারী পুলিশের চরিত্রে রানির প্রত্যাবর্তন যে এখনো দর্শকদের টানতে সক্ষম, বক্স অফিস সাফল্যই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

  • হেলিকপ্টারে বসে মিসাইল হাতে শাকিব খান! ‘প্রিন্স’ লুকে ঢালিউড কিংয়ের নতুন বিস্ফোরণ

    হেলিকপ্টারে বসে মিসাইল হাতে শাকিব খান! ‘প্রিন্স’ লুকে ঢালিউড কিংয়ের নতুন বিস্ফোরণ

    এবিএনএ: ঢালিউড কিং শাকিব খান আবারও হাজির হচ্ছেন ভিন্ন এক রূপে। আকাশচুম্বী হেলিকপ্টারে বসে, এক হাতে মিসাইল—কিন্তু মুখে নেই যুদ্ধের হিংস্রতা। বরং চোখেমুখে ছড়িয়ে পড়েছে এক ধরনের রাজকীয় স্থিরতা ও গাম্ভীর্য। কালো রোদচশমায় ঢাকা চোখ, আর তার ব্যক্তিত্বের ঝলকে ম্লান হয়ে যায় চারপাশের সব আলো। এভাবেই ‘প্রিন্স’ সিনেমার মোশন পোস্টারে ধরা দিয়েছেন শাকিব খান।

    আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে মুক্তির প্রস্তুতি নেওয়া এই সিনেমার মোশন পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা চলছে। পোস্টারের ট্যাগলাইন— “একটা শহর, একটা উপাখ্যান— ঢাকা এবার বলবে প্রিন্সের গল্প”— দর্শকদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    নব্বইয়ের দশকের ঢাকা শহরের আন্ডারওয়ার্ল্ড আর অভিজাত জীবনের মিশ্রণেই গড়ে উঠেছে ‘প্রিন্স’-এর গল্পের পটভূমি। সিনেমার চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে রয়েছেন ভারতের আলোচিত সিনেমা ‘অ্যানিম্যাল’-এর সিনেমাটোগ্রাফার অমিত রায়। প্রযোজনায় আছে ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মস।

    বর্তমানে শুটিংয়ের কাজে শ্রীলঙ্কায় অবস্থান করছেন শাকিব খান। টানা দশ দিন শুটিং শেষে সেখানে আরও প্রায় ২০ দিনের কাজ বাকি রয়েছে। এই অংশের শুটিংয়ে তার সঙ্গে রয়েছেন কলকাতার নবাগত অভিনেত্রী জ্যোতির্ময়ী কুন্ডু।

    সিনেমায় জ্যোতির্ময়ীকে দেখা যাবে এক মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ের চরিত্রে। তবে গল্পের প্রয়োজনে তাকেও নামতে হবে টানটান অ্যাকশনে। ‘প্রিন্স’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে থাকছেন দুই নায়িকা—তাসনিয়া ফারিণ ও জ্যোতির্ময়ী কুন্ডু।

    ঈদের বড় পর্দায় ‘প্রিন্স’ ঠিক কতটা ঝড় তুলতে পারে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা দর্শকদের।

  • মাতৃত্বের পর বদলে গেছে ভাবনা, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে সরে যাওয়ার কথা ভাবছেন আলিয়া ভাট

    মাতৃত্বের পর বদলে গেছে ভাবনা, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে সরে যাওয়ার কথা ভাবছেন আলিয়া ভাট

    এবিএনএ: বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় হিসেবেই পরিচিত। সিনেমার প্রচার থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত মুহূর্ত—সবই নিয়মিত শেয়ার করেন তিনি। তবে সম্প্রতি এই সোশ্যাল মিডিয়া নিয়েই দ্বিধায় ভুগছেন আলিয়া।

    এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, এমন অনেক দিন আসে যখন ঘুম থেকে উঠেই মনে হয়, সব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ মুছে ফেলবেন। বিশেষ করে মা হওয়ার পর এই অনুভূতি আরও তীব্র হয়েছে তার মধ্যে। আলিয়ার ভাষায়, একজন অভিনেত্রী হিসেবে শুধু কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত—এমন ভাবনাও মাথায় আসে।

    তবে বাস্তবতা ভিন্ন। আলিয়া মনে করেন, সোশ্যাল মিডিয়া ছেড়ে দিলে তার কাজ ও জীবনের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। আর সে কারণেই চাইলেও এই প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে নিজেকে পুরোপুরি সরিয়ে নিতে পারছেন না তিনি।

    অভিনেত্রী আরও বলেন, ব্যক্তিগত জীবন গোপন রাখতে তিনি বরাবরই সচেতন। কিন্তু বর্তমান সময়ে তা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। তার মোবাইলের গ্যালারি জুড়ে ছোট্ট রাহার ছবি, সেগুলো ব্যক্তিগত রাখার জন্য তাকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে।

    আলিয়া ভাটের মতে, মাতৃত্ব তার জীবনে এক বড় পরিবর্তন এনেছে। এই অভিজ্ঞতা তার চিন্তাভাবনা ও জীবনবোধে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

    কাজের দিক থেকে সামনে আলিয়াকে দেখা যাবে অ্যাকশনধর্মী সিনেমা ‘আলফা’-তে, যেখানে তার সহশিল্পী শর্বরী। পাশাপাশি সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ ছবিতে ভিকি কৌশল ও রণবীর কাপুরের সঙ্গে অভিনয় করতে দেখা যাবে তাকে।

  • হালকা নীল ম্যাক্সি ড্রেসে শীতকে বিদায়: গ্ল্যামার ছড়িয়ে নেটদুনিয়ায় ঝড় তুললেন সুনেরাহ

    হালকা নীল ম্যাক্সি ড্রেসে শীতকে বিদায়: গ্ল্যামার ছড়িয়ে নেটদুনিয়ায় ঝড় তুললেন সুনেরাহ

    এবিএনএ: সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ও ব্যস্ত অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল আবারও আলোচনার কেন্দ্রে। অভিনয়ের পাশাপাশি তার ফ্যাশন সেন্স ও গ্ল্যামার বরাবরই ভক্তদের নজর কাড়ে। এবার শীত বিদায়ের মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে নতুন কিছু ছবি শেয়ার করে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন এই অভিনেত্রী।

    সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুনেরাহ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন। ছবিতে তাকে দেখা যায় স্লিভলেস ও ব্যাকলেস হালকা নীল রঙের ম্যাক্সি ড্রেসে। খোলা চুলে রোদেলা দুপুরে তার স্বাভাবিক কিন্তু আবেদনময় উপস্থিতি মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কেড়ে নেয়। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘মিষ্টি শীতকে এক টুকরো বিদায়’, যা ভক্তদের আবেগ আরও বাড়িয়ে দেয়।

    শেয়ার করা ছবিগুলোতে ভক্তরা মন্তব্যে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সুনেরাহকে। কেউ তার গ্ল্যামারকে প্রশংসা করেছেন, কেউ আবার তার পোশাক নির্বাচনের রুচিশীলতা নিয়ে মন্তব্য করেছেন। খোলামেলা লুক হলেও ছবির নান্দনিকতা ও সাবলীলতা দর্শকদের কাছে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

    ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দা এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম—সব মাধ্যমেই সমান দক্ষতায় কাজ করে চলেছেন সুনেরাহ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার অভিনয় যেমন পরিণত হচ্ছে, তেমনি তার ফ্যাশন সচেতন উপস্থিতি তাকে সমসাময়িক অভিনেত্রীদের ভিড়ে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।

  • ঘোষণা এলো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের: সেরা নায়ক আফরান নিশো, নায়িকা আইনুন পুতুল

    ঘোষণা এলো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের: সেরা নায়ক আফরান নিশো, নায়িকা আইনুন পুতুল

    এবিএনএ: চূড়ান্ত বিচার ও মূল্যায়ন শেষে ঘোষণা করা হয়েছে ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম। এবারের আসরে অভিনয়ে সেরা সম্মান অর্জন করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও অভিনেত্রী আইনুন পুতুল।

    ‘সুরঙ্গ’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন আফরান নিশো। অন্যদিকে ‘সাঁতাও’ সিনেমায় শক্তিশালী ও সংবেদনশীল অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন আইনুন পুতুল।

    এবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননায় যৌথভাবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রয়াত চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা আব্দুল লতিফ বাচ্চু। বাংলা চলচ্চিত্রে তাদের অবদানকে সম্মান জানাতেই এই বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

    এছাড়া, খন্দকার সুমন পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘সাঁতাও’ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২৩ এ সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। গল্প, নির্মাণশৈলী ও অভিনয়ের সমন্বয়ে সিনেমাটি দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণার পর চলচ্চিত্রাঙ্গনে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবারের পুরস্কার তালিকা সমসাময়িক বাংলা চলচ্চিত্রের মান ও বৈচিত্র্যকে যথাযথভাবে তুলে ধরেছে।

  • লবণহীন পান্তায় দিন কেটেছে ডা. এজাজুল ইসলামের, সংগ্রামী শৈশবের অজানা গল্প

    লবণহীন পান্তায় দিন কেটেছে ডা. এজাজুল ইসলামের, সংগ্রামী শৈশবের অজানা গল্প

    এবিএনএ: বাংলাদেশের বিনোদন অঙ্গনের পরিচিত মুখ এবং একই সঙ্গে একজন পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় যাকে সবসময় হাস্যোজ্জ্বল চরিত্রে দেখা যায়, বাস্তব জীবনে তার শৈশব কেটেছে অভাব আর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে—সেই অজানা গল্পই সম্প্রতি প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি।

    এক সাক্ষাৎকারে ডা. এজাজুল জানান, তার ছোটবেলার দিনগুলো মোটেও স্বচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন সকালের নাস্তা হিসেবে পান্তা ভাতই ছিল ভরসা। তখনকার দিনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, এখন ডায়াবেটিসের কারণে অল্প পরিমাণে পান্তা খেতে হলেও, আগে এক গামলা পান্তা অনায়াসেই খেতেন তিনি। কারণ পান্তা এমন এক খাবার, যা তৃপ্তির জন্য বেশি খেতে হয়।

    বর্তমানে শুটিংয়ের ব্যস্ততায় মাঝে মধ্যে কাজের জায়গাতেই পান্তা খাওয়ার সুযোগ হয় বলে জানান তিনি। বাসায় আলাদা করে পান্তার আয়োজন খুব একটা হয় না। সম্প্রতি কিংবদন্তি অভিনেতা আফজাল হোসেনের একটি নাটকের শুটিং সেটে সকালে পান্তা ভাত খাওয়ার স্মৃতিও শেয়ার করেন ডা. এজাজুল।

    শৈশবের অভ্যাসের কথাও উঠে আসে তার কথায়। তিনি বলেন, ছোটবেলায় যা খেয়ে বড় হওয়া যায়, সেটাই একসময় প্রিয় হয়ে ওঠে। সকালে পান্তা ভাত খাওয়া তখন বাধ্যতামূলক ছিল। এমনকি লবণেরও তীব্র সংকট ছিল সেই সময়। অনেক দিন লবণ ছাড়াই পান্তা ভাত খেয়ে দিন কাটাতে হয়েছে তাদের।

    কাঁচা মরিচ আর পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা খাওয়াই ছিল তার সবচেয়ে প্রিয়। তবে লবণ না থাকলে সেই খাবারও যেন অপূর্ণ লাগত। খাদ্যের অভাব যে কতটা প্রকট ছিল, সে কথাও অকপটে স্বীকার করেন তিনি।

    গ্রামের জীবনযাপনের স্মৃতি তুলে ধরে ডা. এজাজুল বলেন, তিন দিন পরপর বসা ছোট বাজার থেকে এক টাকায় সবজি কিনে তিন দিন চলতে হতো তাদের। নদীর পাড়ে বাড়ি হওয়ায় মাছের অভাব ছিল না, নিজেরাই মাছ ধরতেন—সেই স্মৃতিও আজও স্পষ্ট তার মনে।

    সংগ্রাম, ত্যাগ আর পরিশ্রমের ভেতর দিয়ে গড়ে ওঠা এই জীবনই আজকের সফল ডা. এজাজুল ইসলামকে তৈরি করেছে—যার গল্প অনুপ্রেরণা জোগায় অসংখ্য মানুষের।

  • শেষ ছবির মুক্তিতেই বড় ধাক্কা! আইনি জটিলতায় আটকে বিজয় থালাপতির বিদায়ী সিনেমা

    শেষ ছবির মুক্তিতেই বড় ধাক্কা! আইনি জটিলতায় আটকে বিজয় থালাপতির বিদায়ী সিনেমা

    এবিএনএ: দক্ষিণী চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা বিজয় থালাপতি অভিনয়কে বিদায় জানিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সেই কারণেই তার শেষ ছবি ‘জন নয়গণ’ ঘিরে ভক্তদের আবেগ ছিল তুঙ্গে। কিন্তু মুক্তির আগমুহূর্তে এসে সেই আবেগে বড় ধাক্কা দিয়েছে আইনি জটিলতা।

    সেন্সর বোর্ডের (সিবিএফসি) ছাড়পত্র না পাওয়ায় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ৯ জানুয়ারি ছবিটি মুক্তি পায়নি। বিষয়টি নিয়ে প্রযোজনা সংস্থা মাদ্রাজ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলে প্রথমে আদালতের সিঙ্গল বেঞ্চ দ্রুত ‘ইউএ-১৬’ সার্টিফিকেট দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এতে সাময়িক স্বস্তি ফিরলেও সেই সিদ্ধান্ত দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।

    পরবর্তীতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গল বেঞ্চের আদেশ বাতিল করে জানায়, সেন্সর বোর্ডকে তাদের বক্তব্য জানানোর যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হয়নি। ফলে সিবিএফসির চূড়ান্ত অনুমোদন ছাড়া সিনেমাটি আপাতত প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে না।

    এই সিনেমার মাধ্যমেই অভিনয় জীবন শেষ করে রাজনীতিতে পা রাখতে যাচ্ছেন বিজয় থালাপতি। তাই অনেকের ধারণা, ছবির কিছু রাজনৈতিক ইঙ্গিত বা বার্তাই হয়তো বিতর্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুক্তির আগেই প্রায় এক কোটি টাকার অগ্রিম টিকিট বিক্রি হওয়ায় আইনি জটিলতা প্রযোজকদের জন্য বড় আর্থিক দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে।

    মামলাটি সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে আবার মাদ্রাজ হাইকোর্টে ফিরে আসে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রায় স্থগিত রেখেছিল, যা সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে। এখন নতুন করে সিঙ্গল বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়েছে। ফলে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—বিজয় থালাপতির এই শেষ সিনেমাটি আদৌ দর্শকের সামনে আসবে, নাকি আইনি লড়াইয়েই আটকে থাকবে?

  • রসগোল্লা খেয়েও কেন মোটা হন না জয়া আহসান? বিস্ময়কর রহস্য ফাঁস করলেন প্রসেনজিৎ

    রসগোল্লা খেয়েও কেন মোটা হন না জয়া আহসান? বিস্ময়কর রহস্য ফাঁস করলেন প্রসেনজিৎ

    এবিএনএ: অভিনেত্রী জয়া আহসানের সৌন্দর্য ও ফিটনেস বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রে। বয়স বাড়লেও তার ছিপছিপে গড়ন যেন একেবারেই অপরিবর্তিত। ফলে ভক্তদের মনে প্রশ্ন—কীভাবে নিজেকে এতটা ফিট রাখেন তিনি?

    এই কৌতূহলের উত্তর এবার খানিকটা মিলল ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কথায়। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসানকে নিয়ে মজার কিন্তু বিস্ময়কর কিছু তথ্য শেয়ার করেন তিনি।

    প্রসেনজিৎ জানান, জয়া আদতে ভীষণ ভোজনরসিক। বিশেষ করে মিষ্টির প্রতি তার দুর্বলতা চোখে পড়ার মতো। রসগোল্লা হোক বা অন্যান্য মিষ্টান্ন—সুযোগ পেলেই খেতে ভালোবাসেন তিনি। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, এত কিছু খেলেও জয়ার শরীরে বাড়তি মেদ জমে না।

    প্রসেনজিতের ভাষায়, জয়ার এই অভ্যাস প্রায় অবিশ্বাস্য। নিয়মিত শরীরচর্চা না করলেও তার ফিটনেসে কোনো প্রভাব পড়ে না। বিষয়টি নিয়ে নিজেও নাকি মজা করে জয়ার কাছে প্রশ্ন করেছেন তিনি।

    জয়ার উত্তর ছিল আরও চমকপ্রদ—তিনি খেতে ভালোবাসেন এবং শরীর নিজেই তা সামলে নেয়। এই স্বাভাবিক ফিটনেসই যেন তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।

    সেলিব্রিটি দুনিয়ায় যেখানে কঠোর ডায়েট ও নিয়মিত জিম প্রায় বাধ্যতামূলক, সেখানে জয়া আহসানের এই স্বাভাবিক ফিটনেস সত্যিই অনন্য—এমনটাই মনে করছেন ভক্তরা।