Tag: ভোট কারচুপি

  • ঢাকা-৮ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ, কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে হামলার মুখে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ, কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে হামলার মুখে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    এবিএনএ: ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বৃহস্পতিবার দুপুরে শাহজাহানপুর রেলওয়ে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন।

    পাটওয়ারীর অভিযোগ, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরও কেন্দ্র এলাকায় বহিরাগতদের উপস্থিতির খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান। তবে সেখানে পৌঁছানোর পর পরিকল্পিতভাবে তাকে ঘিরে ধরে প্রতিপক্ষের একদল কর্মী উত্তেজনা সৃষ্টি করে এবং হামলার চেষ্টা চালায়। ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা বাহিনী থাকলেও পরিস্থিতি ছিল উত্তপ্ত।

    তিনি বলেন, কেন্দ্র এলাকায় প্রবেশের পর তার ওপর আক্রমণের চেষ্টা করা হয় এবং একটি পক্ষ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও জানান, দুটি ভোটকেন্দ্রকে তিনি বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং সেখানে অতিরিক্ত নজরদারি প্রয়োজন। তিনি প্রশাসনের প্রতি কঠোর অবস্থান নেওয়ার দাবি জানান, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারেন।

    ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভয় না পেয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

  • ঢাকা-৮: ভোটের আগেই মেস-হোস্টেলে সশস্ত্র অবস্থান, মির্জা আব্বাসের অভিযোগ

    ঢাকা-৮: ভোটের আগেই মেস-হোস্টেলে সশস্ত্র অবস্থান, মির্জা আব্বাসের অভিযোগ

    এবিএনএ: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ঢাকা-৮ আসনে ভোটকেন্দ্র দখল ও কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, জামায়াত-শিবির ও এনসিপির কর্মীরা দলবলে বিভিন্ন কেন্দ্র দখল করে অনিয়মের চেষ্টা চালাচ্ছে।

    শাহজাহানপুরে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নিজ বাসভবনে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মির্জা আব্বাস জানান, সাধারণ জনগণ ও বিএনপির কর্মীরা তাদের আটকও করেছে। অনেকে পালিয়ে গেছে, তবে তারা এখনও নির্বাচনী সহিংসতার ঝুঁকি তৈরি করছে।

    প্রার্থী আরও বলেন, ফকিরাপুল ও আরামবাগের মেস-হোস্টেলগুলোতে সশস্ত্র অবস্থান নিয়েছে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা। তারা আগামী ভোটের দিন কেন্দ্রগুলোতে যেতে পারে। রাত ১১টার পর পুনরায় কেন্দ্র দখল করলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে, হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    মির্জা আব্বাস দাবি করেন, তার আসন নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী কারচুপির চেষ্টা চলছে। তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা হবে।

  • ছাত্রদল-শিবিরের বাকযুদ্ধে উত্তেজনা, পুলিশ প্রস্তুত

    ছাত্রদল-শিবিরের বাকযুদ্ধে উত্তেজনা, পুলিশ প্রস্তুত

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ফলাফলের আগে ঢাবি এলাকায় উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ভোট গণনার সময় ছাত্রদল ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছে।

    অভিযোগ রয়েছে, বিকেল থেকে ক্যাম্পাসের বাইরে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, জামায়াত ও বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অস্থিরতা বিরাজ করছে, পুলিশ সতর্ক অবস্থানে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে।

    ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “ডাকসু নির্বাচনের কারণে ঢাবি এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি করা হচ্ছে এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আগেই প্রতিরোধ করা হচ্ছে।”

    ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান অভিযোগ করেছেন, “ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও বাধা দেওয়া হয়েছে। আমাদের অনেক কেন্দ্রে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।”

    ছাত্রশিবির সমর্থিত নেতা সাদিক কায়েম বলেন, “ছাত্ররা যাকে ম্যান্ডেট দেবে, তা মেনে নিতে হবে। সকল প্রার্থীকে শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের উচিত তা বন্ধ করা।”

    নির্বাচনের ফলাফলের আগে ঢাবি এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

  • ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

    এবিএনএ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদ

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টিএসসি থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি। ছাত্রদলের নেতা ও কর্মীরা স্লোগান দেন, “নির্বাচনে কারচুপি, মানি না মানব না।”

    আবিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনে ভোট কারচুপি করেছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স দেওয়া হয়নি। ভোট গণনার দুই ঘণ্টা পার হওয়ার পর ছাত্রদলের এজেন্টদের ভোট গণনা কক্ষে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া আমরা নির্বাচনী ফলাফল মেনে নেব না।”

    উল্লেখ্য, প্রায় ৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন। ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে এবং বিরতিহীনভাবে চলে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

  • ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে টিএসসিতে উত্তেজনা

    ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগে টিএসসিতে উত্তেজনা

    এবিএনএ:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছে ছাত্রদলসহ কয়েকজন প্রার্থী। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলামসহ কয়েকটি প্যানেলের প্রার্থীরা টিএসসিতে গিয়ে ভোট গণনা প্রত্যক্ষ করার চেষ্টা করেন। তবে প্রশাসন তাদের প্রবেশে বাধা দেয়। এ সময় প্রার্থীরা ভেতরে প্রবেশের দাবি জানিয়ে অবস্থান নেন এবং স্লোগান দিতে থাকেন—“ভোট চোর ভোট চোর, শিবির ভোট চোর”, “প্রহসনের নির্বাচন মানি না, মানবো না।”

    প্রার্থীদের অভিযোগ, টিএসসিতে স্থাপিত এলইডি স্ক্রিনে ব্যালট বাক্সের দৃশ্য দেখানো হচ্ছিল না। তারা দাবি করেন, প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট বাক্স লুকিয়ে কারচুপি করছে। স্বতন্ত্র এজিএস প্রার্থী হাসিবুল অভিযোগ করেন, “শিবির প্রার্থীদের ভোট গণনার সময় ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হলেও আমাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। এটি স্পষ্টতই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ।”

    অবস্থান কর্মসূচি আধাঘণ্টারও বেশি সময় চলার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে প্রশাসন গেট খুলে দিলেও ছাত্রদল নেতারা ভেতরে প্রবেশ না করে টিএসসি ত্যাগ করেন এবং পরবর্তীতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

    টিএসসি থেকে বের হয়ে আবিদুল ইসলাম বলেন, “প্রশাসন কারচুপি লুকোতে চাইছে। তাই আমরা এই প্রহসনের নির্বাচন মানি না।”

    এ ঘটনার পর টিএসসির এলইডি স্ক্রিন বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থান নেয়।