এসএ টোয়েন্টির ড্রাফটে বাংলাদেশি ২৩ ক্রিকেটার, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও আছেন তালিকায়
দক্ষিণ আফ্রিকার জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে নাম দিলেন বাংলাদেশের ২৩ ক্রিকেটার, ৯ সেপ্টেম্বর হবে খেলোয়াড় নিলাম


এবিএনএ: দক্ষিণ আফ্রিকার জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এসএ টোয়েন্টি লিগ এবারও জমে উঠতে যাচ্ছে। চতুর্থ আসর মাঠে গড়াবে আগামী ২৬ ডিসেম্বর। তার আগে ৯ সেপ্টেম্বর বসবে খেলোয়াড় নিলাম। এ নিলামের জন্য এবার ৭৮২ জন ক্রিকেটার ড্রাফটে নাম জমা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে রয়েছেন ২৩ জন ক্রিকেটার, যার মধ্যে সাবেক অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও আছেন।
ক্রীড়া বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার পরও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিয়মিত খেলে যাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও ঘরোয়া ও বিদেশি লিগে খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এবার দক্ষিণ আফ্রিকার এই আসরেও খেলতে নাম দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার। তবে রিয়াদের বাইরে বাকি ২২ বাংলাদেশি ক্রিকেটারের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
ড্রাফটে নাম দেওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে ৩২৮ জন দক্ষিণ আফ্রিকার এবং ৪৫৪ জন বিদেশি। বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৫৩ জন এসেছেন ইংল্যান্ড থেকে। এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৫০, পাকিস্তানের ৪০, শ্রীলঙ্কার ৩৬, আফগানিস্তানের ২৭, ভারতের ১৩ এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ও স্কটল্যান্ডের ১১ জন করে ক্রিকেটার আছেন তালিকায়। এমনকি কম্বোডিয়া, উগান্ডা ও মালয়েশিয়ারও একজন করে খেলোয়াড় সুযোগ পেয়েছেন।
জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস থেকে ১০ জন করে, নিউজিল্যান্ডের ৯, নামিবিয়ার ৫ এবং অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও নেপালের ৩ জন করে ক্রিকেটার ড্রাফটে আছেন। এবারের ড্রাফটে অবসর নেওয়া কিছু বড় নামও রয়েছেন—যেমন নিউজিল্যান্ডের মার্টিন গাপটিল, ইংল্যান্ডের জেসন রয়, সাবেক ইংলিশ তারকা পেসার জেমস অ্যান্ডারসন এবং অভিজ্ঞ প্রোটিয়া স্পিনার ইমরান তাহির।
শুধু তাই নয়, বর্তমান আন্তর্জাতিক তারকারাও নিলামের তালিকায় আছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আফগানিস্তানের রহমানউল্লাহ গুরবাজ, ইংল্যান্ডের রিস টপলি, নিউজিল্যান্ডের ডেভন কনওয়ে, শ্রীলঙ্কার মহেশ থিকশানা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের শামার জোসেফ এবং জেইডেন সিলস।
এবার নিলামে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি দল সর্বোচ্চ ৮৪ জন ক্রিকেটার দলে নিতে পারবে। এর জন্য তাদের ব্যয় সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।




