চুল পড়ছে? জেনে নিন কোন খাবারে ফিরবে ঘনত্ব ও প্রাকৃতিক জেল্লা
শুধু তেল-শ্যাম্পু নয়, সঠিক পুষ্টিই পারে চুলকে গোড়া থেকে মজবুত ও ঝলমলে করতে


এবিএনএ: দূষণ, মানসিক চাপ ও অনিয়মিত জীবনযাত্রার কারণে আজকাল চুল পড়া, খুশকি কিংবা রুক্ষ চুলের সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। এসব সমস্যা দূর করতে অনেকেই ভরসা রাখেন দামি তেল ও শ্যাম্পুতে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বাহ্যিক যত্নের পাশাপাশি চুলের প্রকৃত সুস্থতার জন্য ভেতর থেকে পুষ্টি জোগানো অত্যন্ত জরুরি।
চুলের শক্তি ও উজ্জ্বলতা অনেকটাই নির্ভর করে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসের ওপর। নিয়মিত কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করলে চুল হয় মজবুত, ঘন ও প্রাণবন্ত। চলুন জেনে নেওয়া যাক চুলের যত্নে কোন খাবারগুলো সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
প্রোটিন
চুলের প্রধান উপাদান কেরাটিন তৈরি হয় প্রোটিন থেকে। খাদ্যে প্রোটিনের ঘাটতি হলে চুল দুর্বল হয়ে যায় এবং সহজেই ভেঙে পড়ে। ডিম, মাছ, মুরগির মাংস ও বাদাম প্রোটিনের ভালো উৎস। নিরামিষভোজীদের জন্য ডাল, সয়াবিন ও কুইনোয়া হতে পারে কার্যকর বিকল্প।
ভিটামিন এ
মাথার ত্বকে প্রাকৃতিক তেল উৎপাদনে ভিটামিন এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা চুলকে শুষ্কতা থেকে রক্ষা করে। গাজর, মিষ্টি আলু ও পালং শাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ। তবে অতিরিক্ত গ্রহণ করলে উল্টো চুল পড়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ভিটামিন ই
চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে এবং মানসিক চাপজনিত চুল পড়া কমাতে ভিটামিন ই কার্যকর। কাঠবাদাম, সূর্যমুখীর বীজ ও অ্যাভোকাডো নিয়মিত খেলে চুলের উজ্জ্বলতা ফিরে আসে।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
চুলকে প্রাকৃতিকভাবে নরম ও উজ্জ্বল রাখতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড অপরিহার্য। এটি স্ক্যাল্পকে হাইড্রেটেড রাখে ও চুলের গোড়া শক্ত করে। সামুদ্রিক মাছ ছাড়াও তিসি, চিয়া সিড ও আখরোট থেকে এই উপাদান পাওয়া যায়।
আয়রন
শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে চুলের গোড়ায় অক্সিজেনের সরবরাহ কমে যায়, ফলে চুল দ্রুত ঝরে পড়ে। পালং শাক, মসুর ডাল ও কুমড়োর বীজে রয়েছে পর্যাপ্ত আয়রন। আয়রন শোষণ বাড়াতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খাওয়াও জরুরি।




