
নিজস্ব প্রতিবেদক: সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার পর আরোপিত বিধিনিষেধের প্রভাব পড়েছে ঢাকা-সৌদি আরব রুটের বিমান চলাচলে। ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত এ রুটে সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে মোট ১৩৪টি ফ্লাইটের চলাচল বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ২০ হাজার ২৫৪ জন যাত্রী। <Cite refs={[“turn801547search0”]}/>
সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইটে বড় প্রভাব
বেবিচকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বাতিল ও স্থগিত হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে ৬১টি সরাসরি এবং ৭৩টি ট্রানজিট ফ্লাইট। এর ফলে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এয়ারলাইনসের যাত্রাসূচি ব্যাহত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সৌদিগামী যাত্রী, দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা প্রবাসী এবং ট্রানজিটের মাধ্যমে ভ্রমণকারীরা।
যেসব এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত
বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত ফ্লাইটের সংখ্যায় একাধিক এয়ারলাইনস রয়েছে। এর মধ্যে ইন্ডিগোর ২৮টি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২২টি এবং সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১৯টি ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে।
এ ছাড়া এমিরেটসের ১৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৮টি, সালামএয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট এ তালিকায় রয়েছে। <Cite refs={[“turn801547search0”]}/>
যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে
ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন ও বাতিলের কারণে অনেক যাত্রীকে নতুন করে ভ্রমণ পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে। কেউ সৌদি আরবে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন, আবার কেউ দেশে ফেরার জন্য বিকল্প ফ্লাইটের খোঁজ করছেন। ট্রানজিট ফ্লাইট ব্যাহত হওয়ায় তৃতীয় কোনো দেশে অপেক্ষমাণ যাত্রীদেরও যাত্রা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
নতুন ফ্লাইটের সময় নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত অনেককে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে যাঁদের জরুরি প্রয়োজনে ভ্রমণ করতে হবে, তাঁদের জন্য এ পরিস্থিতি বাড়তি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বেবিচক
বিমান চলাচলে সৃষ্ট বিঘ্ন কাটিয়ে উঠতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। বাতিল ও স্থগিত হওয়া ফ্লাইটগুলোর নতুন সময়সূচি নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে চলাচল স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোর পরিস্থিতি ও বিধিনিষেধের ওপর পরবর্তী ফ্লাইট পরিচালনা নির্ভর করছে। এ অবস্থায় যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের কাছ থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা ও নতুন সময়সূচি নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।




