ওসমান হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে অবরোধ, সায়দাবাদ-চট্টগ্রাম রোডে ১২ কিলোমিটার যানজটে নাকাল যাত্রীরা
শনি আখড়া ও যাত্রাবাড়ীতে রাতভর ব্লকেড, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কার্যত অচল যান চলাচল


এবিএনএ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে ছাত্র-জনতার অবরোধ কর্মসূচির কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক সায়দাবাদ থেকে চট্টগ্রাম রোড পর্যন্ত, যেখানে প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটে পড়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।
বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাত ১০টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত শনি আখড়া ও যাত্রাবাড়ীর একাধিক স্থানে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এতে ঢাকা ও চট্টগ্রামমুখী যান চলাচল প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজটের পরিসর আরও বিস্তৃত হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, প্রাইভেটকারসহ সব ধরনের যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে দাঁড়িয়ে আছে। অনেক যাত্রী জানান, সায়দাবাদ থেকে যাত্রাবাড়ী অতিক্রম করতেই দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লেগেছে, যেখানে স্বাভাবিক অবস্থায় কয়েক মিনিটেই পথ পাড়ি দেওয়া যায়।
জরুরি চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত অ্যাম্বুলেন্সগুলোকে বিকল্প ও উল্টো পথে চলাচল করতে দেখা গেছে। এদিকে সাইনবোর্ড এলাকায় বাস কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হয়। কাউন্টার মালিকদের ভাষ্য, দীর্ঘ অপেক্ষার পরও বাস না পেয়ে অনেক যাত্রী ফিরে গেছেন।
মহাসড়ক বন্ধ থাকায় আশপাশের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতেও যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। ফলে যাত্রাবাড়ী, শনি আখড়া ও ডেমরা এলাকার ভেতরের সড়কেও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ট্রাফিক ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ট্রাফিক পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে। তবে অবরোধ প্রত্যাহার না হলে যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।




