শিক্ষা

রোববার থেকে একাদশে ভর্তি শুরু

কলেজে যাওয়ার আগে যেসব কাগজ অবশ্যই নেবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর)। অনলাইনে আবেদন ও নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্তভাবে মনোনীত শিক্ষার্থীদের এবার নির্ধারিত কলেজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি সূত্রে জানা গেছে, একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম চলবে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি সম্পন্ন করতে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ নথি না থাকলে ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।

ভর্তির সময় যেসব কাগজ লাগবে

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি রাখতে হবে। এগুলো হলো—

  • এসএসসি পরীক্ষার মার্কশিট ও সার্টিফিকেটের কপি
  • এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র
  • সদ্য তোলা ২ থেকে ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
  • অনলাইনে একাদশ শ্রেণির আবেদন নিশ্চায়নের কপি
  • শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সচল মোবাইল ফোন নম্বর

কলেজভেদে ভর্তির ফি

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ফি কলেজের ধরন ও অবস্থান অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী ভর্তি ফি সর্বনিম্ন ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

এমপিওভুক্ত কলেজের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা ভর্তি ফি নেওয়া যাবে। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন ও বিভাগীয় শহরে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ফি ৩ হাজার টাকা।

জেলা পর্যায়ের এমপিওভুক্ত কলেজে সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা ও মফস্বল এলাকার কলেজে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ টাকা ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, নন-এমপিও ও আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকার মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা ভার্সনে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে।

জেলা সদর এলাকায় এসব প্রতিষ্ঠানে বাংলা ভার্সনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ হাজার এবং ইংরেজি ভার্সনের জন্য ৪ হাজার টাকা ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলা ও মফস্বল এলাকায় বাংলা ভার্সনে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা নেওয়া যাবে।

মেধাভিত্তিক আসন ও কোটা

এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে এসব আসনে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়েছে।

অবশিষ্ট ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী, এই কোটা ব্যবস্থা শুধু ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রমে প্রযোজ্য হবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button