,
প্রচ্ছদ | জাতীয় | আন্তর্জাতিক | অর্থনীতি | আমেরিকা | লাইফ স্টাইল | ভিডিও নিউজ | ফিচার | আমেরিকা | বিনোদন | রাজনীতি | খেলাধুলা | বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি | শিক্ষা

সব হারিয়ে যারা এসেছেন তাদের বেদনা বুঝি : প্রধানমন্ত্রী

এবিএনএ : মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে যারা সব হারিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন তাদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছে, সেখানে এখনো আতঙ্ক চলছে, অনেকে আপনজনের হদিস পাচ্ছেন না। নাফ নদীতে শিশুর লাশ, নারীদের লাশ! এটা সম্পূর্ণ মানবতাবিরোধী কাজ। এ ধরনের ঘটনা অমানবিক, মানবাধিকারের লঙ্ঘন। তিনি বলেন, সাধারণ নিরীহ মানুষ তারা কী অপরাধ করেছে? যারা কোনো অপরাধ করেনি তাদের সাথে এ ধরনের কাজ আমরা সহ্য করতে পারি না। এদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে, নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কেন এই অত্যাচার? এরা তো মিয়ানমারেই লোক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ওখানে কোনো ঘটনা ঘটলে আমাদের এখানেও চাপ পড়ে। আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের আশ্রয় দিচ্ছি। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন তিনি।

রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রীএ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বজন হারানোর বেদনা আমরা বুঝি।১৯৭৫-এ বাবা-মা হারিয়ে আমাদেরও রিফিউজি হিসেবে বিদেশে থাকতে হয়েছে। ১৯৭১-এ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের ওপর এভাবেই অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে।

পাক হানাদার বাহিনী আমাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছিল, আমাদের দেশের মানুষকেও ভারতে আশয় নিতে হয়েছিল। গত ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের পুলিশ পোস্ট ও সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে রোহিঙ্গাদের বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) হামলার কথা তুল ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিছু লোক ঘটনা ঘটাল, তারপর সেখান থেকে তারা চলে গেল, এরপর সেখানে নিরীহ মানুষের ওপর অত্যাচার শুরু হলো। কিছু মানুষ ঘটনা ঘটায়, তারা তো ঘটিয়ে চলে যায় কিন্তু ভুক্তভোগী হয় কারা? শিশু-নারী, একেবারে নিরীহ মানুষ। মিয়ানমার সরকারের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার সরকারকে বলব তারা যেন নিরীহ মানুষের ওপর কোনোরকম নির্যাতন না করে। নিরীহ মানুষের ওপর নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। যারা প্রকৃত দোষী তাদের খুঁজে বের করুন, এ ব্যাপারে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে যে সহযোগিতা দরকার, আমরা তা করব। সন্ত্রাসী কার্যক্রম আমরা কখনোই মেনে নেব না। আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে বেলা সোয়া ১০টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ১৯০৯ ফ্লাইটটি। সেখান থেকে সড়কপথে উখিয়ার কুতুপালংয়ে পৌঁছান তিনি।

Chairman & Editor-in-Chief : Shaikh Saokat Ali
Managing Director: Akbar Hossain
Executive Editor: Mehedi Hasan
E-mail : abnanewsusa@gmail.com
Usa Office: 289 West Koach Avenue, Egg harbor City, New Jersey-08215, Bangladesh Office : 60/1. Purana Paltan (2nd Floor), Dhaka-1000, Usa. Phone: +16094649559, Cell:+8801711040113, +8801912-621573
Server mannarged BY PopularServer
Design & Developed BY PopularITLimited