বিশ্ব অস্থিরতার অজুহাতে সামরিক বাজেটে ইতিহাস গড়তে চান ট্রাম্প, প্রতিরক্ষা ব্যয় ৫০ শতাংশের বেশি
২০২৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা খাতে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার বরাদ্দের আহ্বান, শেয়ারবাজারে প্রতিরক্ষা কোম্পানির উত্থান


এবিএনএ: যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে প্রতিরক্ষা ব্যয়ে বড় ধরনের বৃদ্ধি চান সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৭ অর্থবছরের জন্য তিনি প্রতিরক্ষা বাজেট এক দশমিক পাঁচ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছেন, যা কংগ্রেস অনুমোদিত ২০২৬ সালের বাজেটের তুলনায় ৫০ শতাংশেরও বেশি।
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত অস্থির ও ঝুঁকিপূর্ণ সময়’ হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন হলে যুক্তরাষ্ট্র বহুদিনের কাঙ্ক্ষিত ‘ড্রিম মিলিটারি’ গড়ে তুলতে পারবে। এতে দেশটি শুধু নিজের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে না, বরং প্রতিপক্ষদের কাছেও শক্ত বার্তা পৌঁছাবে।
আরেকটি পোস্টে ট্রাম্প প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঠিকাদার ও শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশে কড়া হুঁশিয়ারি দেন। দ্রুত অস্ত্র সরবরাহ এবং নতুন উৎপাদন স্থাপনা গড়ে তোলার লক্ষ্যে অর্থ প্রদানে কঠোর নজরদারির কথাও জানান তিনি।
এই ঘোষণার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন, নর্থরপ গ্রুম্যান ও রেথিয়নের শেয়ারের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায়, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তবে অর্থনীতিবিদরা আগেই সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ও আয়ের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা ক্রমেই উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। এসব আশঙ্কা সত্ত্বেও ট্রাম্প দাবি করেছেন, শুল্ক ও অন্যান্য রাজস্ব আয়ের মাধ্যমে প্রস্তাবিত বিশাল প্রতিরক্ষা বাজেট বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।




