হাড় কাঁপানো শীতের সতর্কতা: আগামীকাল দেশের কিছু এলাকায় নামতে পারে ৬ ডিগ্রিতে তাপমাত্রা
ঘন কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে সূর্যের দেখা মিলতে পারে দেরিতে, আবহাওয়াবিদদের বিশেষ সতর্কবার্তা।


এবিএনএ: দেশজুড়ে কনকনে ঠাণ্ডার দাপট আরও বাড়তে যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল বুধবার দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। একই সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে ভোরের দিকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, বুধবার ভোরে রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু জেলায় ভোর ৬টার দিকে তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কুয়াশার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ফেনী, সিলেট ও সুনামগঞ্জ ছাড়া দেশের প্রায় ৬১টি জেলার ওপর কুয়াশার চাদর বিস্তৃত রয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকলেও অন্যান্য বিভাগে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় দুপুর ১২টার আগ পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলবে না। অন্য বিভাগগুলোতে সকাল ১০টা থেকে দুপুরের মধ্যে ধীরে ধীরে কুয়াশা কেটে রোদ উঠতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, চলতি জানুয়ারি মাসে একাধিক শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, সোমবার রাত থেকেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে এবং মাসের মধ্যে এক থেকে দুইটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শীতের তীব্রতা বাড়ায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক ও আবহাওয়াবিদরা।




