সব শঙ্কা পেরিয়ে ঢাকার পর্দায় চীনা সিনেমা, যেভাবে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
দেশের অনিশ্চিত পরিস্থিতির মধ্যেও নির্ধারিত সময়েই শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে থাকছে চীনের ছবি।


এবিএনএ: দেশের সাম্প্রতিক সার্বিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে বিনোদন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও। ঢাকায় একাধিক আন্তর্জাতিক কনসার্টের অনুমতি না মেলায় সাংস্কৃতিক আয়োজন নিয়ে তৈরি হয়েছিল শঙ্কা। এ অবস্থায় নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হবে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।
তবে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আয়োজকরা নিশ্চিত করেছেন—আগামী ১০ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। শেষ মুহূর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকরা। সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে এবারের উৎসবের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি।
জানা গেছে, এবারের উৎসবের উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে দেখানো হবে চীনের চলচ্চিত্র ‘দ্য জার্নি টু নো এন্ড’। রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে এবার মোট ১১টি বিভাগে প্রদর্শিত হবে চলচ্চিত্র। বিশ্বের ৭০টির বেশি দেশ থেকে নির্বাচিত পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য মিলিয়ে মোট ২৪৬টি সিনেমা থাকছে উৎসবের তালিকায়।
উৎসবের প্রধান ভেন্যু হিসেবে থাকছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তন এবং স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়াম। ১০ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। পরে বিকেল সাড়ে ৫টায় এশিয়ান ফিল্ম কম্পিটিশন বিভাগে প্রতিযোগী হিসেবে প্রদর্শিত হবে চীনের ‘দ্য জার্নি টু নো এন্ড’। সন্ধ্যা ৭টায় প্রদর্শিত হবে ইরানের চলচ্চিত্র ‘উইদাউট মি’।
এবারের উৎসবে বাংলাদেশ প্যানোরমা বিভাগে স্থান পেয়েছে ৯টি দেশীয় সিনেমা। এগুলো হলো—
সোহেল রানা বয়াতীর নয়া মানুষ, জোবাইদুর রহমানের উড়াল, বিপ্লব কুমার পাল বিপুর ধামের গান, অনন্য প্রতীক চৌধুরীর নয়া নোট, সুমন ধরের আগন্তুক, আহমেদ হাসান সানির এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি, মনিরুল হকের দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল, জ্যাক মিরের দ্য স্টোরি অব আ রক এবং তানিম নূরের উৎসব।
৯ দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের পর্দা নামবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে এবছর উৎসবে ‘চায়নিজ ফিল্ম উইক’ আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে উদযাপন করা হবে চীনা চলচ্চিত্রের ১২০ বছরের ঐতিহ্য।




