Day: November 8, 2025

  • দেশজুড়ে নামছে শীতের আমেজ: রাতের তাপমাত্রা কমবে, ভোরে পড়বে কুয়াশা

    দেশজুড়ে নামছে শীতের আমেজ: রাতের তাপমাত্রা কমবে, ভোরে পড়বে কুয়াশা

    এবিএনএ:  দেশজুড়ে ধীরে ধীরে বাড়ছে শীতের প্রভাব। সন্ধ্যার পর থেকেই ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে, আর রাতের দিকে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী কয়েক দিন সারাদেশেই শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করবে, তবে ভোরের দিকে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় হালকা কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। দিনের তাপমাত্রাও সামান্য কমবে।

    আবহাওয়া অফিস জানায়, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সারাদেশে আপাতত বৃষ্টি নেই, তবে রাতের তাপমাত্রা ক্রমেই নিচের দিকে নামছে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, আগামী চার দিন শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত থাকবে। প্রতিদিন ভোরে উত্তরাঞ্চলে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। ১০ নভেম্বর থেকে রাতের তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ১১ নভেম্বর রাতের তাপমাত্রা আবারও সামান্য নামতে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। পাঁচ দিনের শেষ দিকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শীতের অনুভূতি টিকে থাকবে।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সময় থেকেই ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের আমেজ শুরু হচ্ছে। উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ডিসেম্বরের শুরুতেই শীত পুরোপুরি প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    শীতপ্রবণ অঞ্চলগুলোর বাসিন্দাদের এখন থেকেই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

  • “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের সেবা, দলীয় স্বার্থ নয়”—হুঁশিয়ারি তারেক রহমানের

    “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের সেবা, দলীয় স্বার্থ নয়”—হুঁশিয়ারি তারেক রহমানের

    এবিএনএ:  অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ জনগণের স্বার্থে, কোনো দলের নয়—এ কথা জোর দিয়ে বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই সরকারের দায়িত্ব হলো একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠন করা, যেখানে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।

    শনিবার রাজধানীর ফার্মগেট কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে মতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্য জোটের আয়োজিত হিন্দু প্রতিনিধি সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ কারও দলীয় স্বার্থ বাস্তবায়ন নয়। বিএনপি সবসময় ভিন্ন মতকে শ্রদ্ধা করে, আর মতভেদের জায়গায় আমরা রাখি ‘নোট অফ ডিসেন্ট’। এটাই আমাদের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি।”

    হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “নিজেদের ধর্মীয় পরিচয় যেন কেউ দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা সবাই এই স্বাধীন বাংলাদেশের সমান নাগরিক। বিএনপির কাছে দেশ ও জনগণের স্বার্থই সবার আগে।”

    তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন, “ফ্যাসিবাদের সময়ে বিএনপির প্রায় ৫০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দেড় লাখ মামলা করা হয়েছিল, শত শত কর্মী গুম ও খুনের শিকার হয়েছিলেন। কারণ দেশে তখন আইনের শাসন ছিল না।”

    তারেক রহমান বলেন, “ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন ছাড়া সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু—কোনো নাগরিকই নিরাপদ নয়। ন্যায়বিচারই পারে নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।”

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, “রামু বৌদ্ধ বিহার বা নাসিরনগর হামলার মতো ঘটনাগুলোর কোনো সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। বিএনপি সবসময় নাগরিক তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে, কিন্তু তা বাস্তবায়ন হয়নি।”

    বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি সতর্ক করে বলেন, “দেশ অস্থিতিশীল হলে পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকার ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।”

    তিনি বলেন, “গুপ্ত কৌশলে অপশক্তি যাতে দেশকে অস্থিতিশীল না করতে পারে, তার জন্য জাতীয় ঐক্য অটুট রাখা জরুরি। বিএনপি সহযোগিতা ও সমঝোতার রাজনীতি বজায় রাখবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, ক্ষমতায় এলে বিএনপি প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের ফার্মাস কার্ড, এবং বেকার যুবকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ভাষা শিক্ষা প্রদানের উদ্যোগ নেবে।

    তিনি বলেন, “আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের জন্য থাকবে সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির নিশ্চয়তা।”

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাবু সোমনাথ দে, উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের নেতারা।

  • মিয়ানমারে ফের জান্তার শক্তি প্রদর্শন: সেদাউগি বাঁধসহ কৌশলগত অঞ্চল পুনর্দখলের দাবি

    মিয়ানমারে ফের জান্তার শক্তি প্রদর্শন: সেদাউগি বাঁধসহ কৌশলগত অঞ্চল পুনর্দখলের দাবি

    এবিএনএ:  মিয়ানমারের সেনা সরকার দাবি করেছে, তারা মান্ডালে অঞ্চলের মাদায়া টাউনশিপ এবং শান রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত সেদাউগি বাঁধ, একটি সামরিক ঘাঁটি ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নিয়ন্ত্রণ পুনরায় নিজেদের দখলে নিয়েছে।

    শনিবার সেনাবাহিনীর এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২০ অক্টোবর থেকে পাঁচটি দিক দিয়ে অভিযানে নামে জান্তা বাহিনী এবং প্রায় দুই সপ্তাহব্যাপী সংঘর্ষের পর ৭ নভেম্বর পুরো এলাকাটি দখলে নেয়।

    ইরাবতী সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযানের সময় অন্তত ৪২টি সংঘর্ষ হয়। এতে সেনাবাহিনী ১৪টি মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ৬০টির বেশি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম জব্দ করেছে বলে জানায়। তবে সেনাবাহিনী নিজেও কিছু হতাহতের ঘটনা স্বীকার করেছে।

    গত কয়েক মাস ধরে মিয়ানমার সেনা সরকার মাদায়া টাউনশিপের প্রতিরোধ বাহিনীর দখলে থাকা অঞ্চলগুলো পুনর্দখলের লক্ষ্যে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আসছে। এর আগে ২৪ আগস্ট ফায়াউং টাউং স্বর্ণখনি এবং ২৮ আগস্ট আলফা সিমেন্ট কারখানা পুনর্দখলের দাবি জানিয়েছিল জান্তা সরকার।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই অভিযানগুলো জান্তার জন্য যেমন সামরিক সাফল্যের প্রতীক, তেমনি দেশের ভেতর প্রতিরোধ আন্দোলনের বিরুদ্ধে তাদের শক্তি প্রদর্শনেরও কৌশল। তবে স্থানীয় সূত্রগুলো দাবি করছে, সংঘর্ষে বহু বেসামরিক নাগরিক বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আশপাশের বসতবাড়ি।

    মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই সেদাউগি বাঁধ পুনর্দখল অভিযান নতুন করে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, সেনাবাহিনীর এসব অভিযান শান্তি নয়, বরং আরও অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে দেশজুড়ে।

  • স্রোতের বিপরীতে আইশা খান: উপস্থাপনা থেকে সিনেমায় নতুন রূপে এক শিল্পী

    স্রোতের বিপরীতে আইশা খান: উপস্থাপনা থেকে সিনেমায় নতুন রূপে এক শিল্পী

    এবিএনএ:  অল্প সময়েই অভিনয়, ব্যক্তিত্ব আর সৌন্দর্য দিয়ে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেত্রী ও মডেল আইশা খান। তবে তিনি কেবল জনপ্রিয় ধারার নাটক বা ওয়েব সিরিজেই সীমাবদ্ধ নন; বরং ভিন্ন ধারার গল্প ও নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেই এগিয়ে যাচ্ছেন নিজের কর্মজীবনে। এবার তিনি হাজির হয়েছেন এক নতুন ভূমিকায়—দেশের অন্যতম বৃহৎ লোকসংগীত প্রতিযোগিতা ‘ম্যাজিক বাউলিয়ানা ২০২৫’-এর প্রধান সঞ্চালক হিসেবে।

    দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অডিশন রাউন্ডে উপস্থাপনার পর এবার পুরো আসরের মূল সঞ্চালনার দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। লোকসংগীতকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা এই জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো নতুন শিল্পীদের সামনে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ দিচ্ছে। আইশা বলেন, “এত বড় একটি আয়োজনের অংশ হতে পারা আমার জন্য গর্বের। প্রতিযোগীদের সংগীতজ্ঞান ও উপস্থাপনা দেখে আমি মুগ্ধ। যদিও আমি গানের মানুষ নই, কিন্তু এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনেক কিছু শিখছি।”

    তিনি জানান, প্রতিযোগীদের গান, সুর, তাল ও মঞ্চ উপস্থাপনা দেখে বাছাই করা হয়েছে সেরা শিল্পীদের। গত ৭ আগস্ট রাজধানীর এক পাঁচতারকা হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মৌসুমের ঘোষণা দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে অনুষ্ঠানটির সম্প্রচার শুরু হয়েছে এবং দর্শকদের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত ইতিবাচক।

    উপস্থাপনার পাশাপাশি আইশা এখন ব্যস্ত সিনেমার কাজ নিয়ে। সম্প্রতি তিনি শেষ করেছেন নিজের তৃতীয় সিনেমা ‘শেকড়’-এর শুটিং। প্রসূন রহমান পরিচালিত এ ছবিতে তাঁর সহ-অভিনেতা এফ এস নাঈম। সিনেমাটি প্রথম প্রদর্শিত হবে কানাডার টরন্টো ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব সাউথ এশিয়া (ইফসা)-তে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের কাজ দেখতে পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত আইশা।

    তাছাড়া, তিনি বর্তমানে সোহেল আরমান পরিচালিত ‘সংবাদ’ সিনেমার কাজ করছেন, যার প্রায় ৪০ শতাংশ শুটিং শেষ হয়েছে। একসময় টেলিভিশন নাটকে নিয়মিত মুখ হলেও এখন ছোটপর্দায় তাঁর উপস্থিতি কিছুটা কম। কারণ জানতে চাইলে আইশা বলেন, “একই ধরনের গল্পে কাজ করতে ভালো লাগে না। আমি চাই প্রতিটি চরিত্রে নতুন কিছু আবিষ্কার করতে।”

    লোকসংগীতের এই বৃহৎ আয়োজন, দুটি নতুন সিনেমা এবং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ—সব মিলিয়ে আইশা খানের ক্যারিয়ারে যুক্ত হয়েছে নতুন গতি ও সম্ভাবনার এক ভিন্ন অধ্যায়। তাঁর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মতে, স্রোতের বিপরীতে চলেই আজ তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন এক অনন্য উচ্চতায়।

  • ক্ষুদ্র ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের ওপর সাইবার হামলা: বাজার দখলে বড় সিন্ডিকেটের চক্রান্ত

    ক্ষুদ্র ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানের ওপর সাইবার হামলা: বাজার দখলে বড় সিন্ডিকেটের চক্রান্ত

    এবিএনএ:  দেশের ক্ষুদ্র ও আঞ্চলিক ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখন বড় সংকটে। অভিযোগ উঠেছে—বড় কিছু কোম্পানি পরিকল্পিতভাবে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর নেটওয়ার্কে সাইবার হামলা চালিয়ে বাজার দখলের চেষ্টা করছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

    ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এক সরকারি বিবৃতিতে জানান, “বড় কিছু ইন্টারনেট সরবরাহকারী বা তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী ছোট অপারেটরদের নেটওয়ার্কে ইচ্ছাকৃতভাবে আক্রমণ চালাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে হামলার মাত্রা এতটাই ভয়াবহ যে, ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা নেটওয়ার্ক সচল রাখতে পারছে না।”

    তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলার মাত্রা কিছু ক্ষেত্রে ৫০০ থেকে ৭০০ গিগাবাইট পর্যন্ত পৌঁছায়—যা ছোট ইন্টারনেট কোম্পানিগুলোর পক্ষে প্রতিরোধ করা প্রায় অসম্ভব। এর ফলে তারা গ্রাহক হারাচ্ছে, অন্যদিকে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যায্যভাবে বাজারে নিজেদের প্রভাব বাড়াচ্ছে।

    সরকারি বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কিছু জাতীয় পর্যায়ের ইন্টারনেট কোম্পানি ‘দূরসংযোগ নেটওয়ার্ক ও অনুমোদন নীতিমালা ২০২৫’-এর ভুল ব্যাখ্যা করে ছোট অপারেটরদের ভয় দেখিয়ে ব্যবসা দখলের চেষ্টা করছে, যা আইনত অপরাধ।

    ফয়েজ আহমদ আরও বলেন, “ছোট ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে তাদের সেবা জেলা পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে পারে, সেই সুযোগ রাখা হয়েছে নতুন নীতিমালায়। তাদের স্বার্থরক্ষা সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।”

    এদিকে, মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসি ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তদন্ত শুরু করেছে। সরকার জানায়, সাইবার হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “ডিজিটাল বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা কোনো বিলাসিতা নয়, এটি নাগরিক অধিকার। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা মানেই দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত হওয়া।”

    বর্তমানে দেশে প্রায় দুই হাজার আঞ্চলিক ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠান সক্রিয় রয়েছে, যাদের অধিকাংশ ৫০০ থেকে ৫ হাজার গ্রাহককে স্থানীয়ভাবে সেবা দেয়। গত কয়েক মাসে অন্তত ৩৪টি প্রতিষ্ঠান বড় ধরনের সাইবার হামলার শিকার হয়েছে, যার ফলে অনেকের নেটওয়ার্ক ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হয়েছে এবং গ্রাহকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

  • অতিথি আসছে হঠাৎ? দ্রুত ঘর গোছানোর সহজ ও কার্যকর টিপস

    অতিথি আসছে হঠাৎ? দ্রুত ঘর গোছানোর সহজ ও কার্যকর টিপস

    এবিএনএ:  ব্যস্ত জীবনে ঘর গোছানোর সময় বের করা অনেকের জন্যই কঠিন। কিন্তু পরিস্থিতি সবসময় হাতে থাকে না—হঠাৎ করেই যদি অতিথি ফোন দিয়ে বলেন, “আমি একটু পরে আসছি”, তখন অগোছালো ঘর নিয়ে দুশ্চিন্তা শুরু হয়। এমন সময়ে দ্রুত ঘর গোছানোর কিছু কার্যকর উপায় জানলে বিব্রত হওয়ার সুযোগ থাকবে না।

    ১. অগোছালো জিনিসপত্র গুছিয়ে ফেলুন:
    ঘরের বিভিন্ন কোণে ছড়িয়ে থাকা জামাকাপড় বা ছোটখাটো জিনিসগুলো আগে সরিয়ে ফেলুন। সব কাপড় ভাঁজ করে তোলার সময় না থাকলে ধোয়ার কাপড়গুলো ওয়াশিং মেশিনে দিন, বাকিগুলো ব্যাগে ভরে আড়ালে রাখুন। যেসব জিনিস ঘরে রাখতেই হয়, সেগুলো ধুলোমুক্ত করে সুন্দরভাবে সাজিয়ে ফেলুন।

    ২. জুতার জায়গা গুছিয়ে নিন:
    অতিথির চোখ প্রথমেই পড়ে প্রবেশদ্বারের দিকে। তাই জুতা-স্যান্ডেল এদিক-সেদিক ছড়ানো থাকলে ভালো দেখায় না। জুতার তাক বা কাবার্ড থাকলে সেখানে সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখুন।

    ৩. বাথরুম পরিষ্কার করুন:
    অতিথি এলে বাথরুম ব্যবহারের সম্ভাবনা থাকে। তাই বেসিন, আয়না ও সাবান রাখার জায়গা পরিষ্কার করে নিন। হাতের কাছে একটি পরিষ্কার তোয়ালে রাখুন এবং এয়ার ফ্রেশনার স্প্রে করুন। সম্ভব হলে পানির পাত্রে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল দিন—এতে মনোরম গন্ধ ছড়িয়ে পড়বে।

    ৪. বসার ঘর ছিমছাম করুন:
    অতিথি আসার আগে বসার ঘরটি দ্রুত গুছিয়ে নিন। টেবিলের উপর ছড়ানো জিনিসপত্র ঝুড়িতে ভরে সরিয়ে ফেলুন। ঘরে ফুলদানি, ছোট শোপিস বা ট্রে সাজিয়ে দিলে পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে আভিজাত্যও বাড়বে।

    ৫. ঘরে সুগন্ধ ছড়ান:
    সুগন্ধ মনকে প্রফুল্ল করে এবং ঘরে সজীবতা আনে। কৃত্রিম পারফিউমের পরিবর্তে এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার করুন। অয়েল ডিফিউজারে কয়েক ফোঁটা তেল দিলে বাষ্পের সঙ্গে মনোরম গন্ধ ছড়িয়ে পড়বে গোটা ঘরে।

    এই ছোট ছোট টিপসগুলো মেনে চললে ব্যস্ততার মাঝেও মুহূর্তের মধ্যে অগোছালো ঘর হয়ে উঠবে পরিপাটি ও অতিথিপরায়ণ।

  • আবুধাবি টি-টেন লিগে নতুন মিশনে সাকিব আল হাসান, নেতৃত্বে রয়্যাল চ্যাম্পস

    আবুধাবি টি-টেন লিগে নতুন মিশনে সাকিব আল হাসান, নেতৃত্বে রয়্যাল চ্যাম্পস

    এবিএনএ: দীর্ঘ ১৩ মাস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে না খেললেও সাকিব আল হাসানের ব্যস্ততা কমেনি একটুও। বিশ্বের নানা প্রান্তের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিয়মিত এই অলরাউন্ডার এবার নতুন দায়িত্ব পেলেন আবুধাবি টি-টেন লিগে। প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়া দল ‘রয়্যাল চ্যাম্পস’-এর অধিনায়ক হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে বাংলাদেশের এই তারকা ক্রিকেটারের।

    শনিবার রয়্যাল চ্যাম্পস তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ৩০ সেকেন্ডের এক ভিডিও প্রকাশ করে জানায়, “অপেক্ষার অবসান, অবশেষে রাজাকে খুঁজে পাওয়া গেছে। সাকিব আল হাসান রয়্যাল চ্যাম্পসকে নেতৃত্ব দেবেন।” ভিডিওর ক্যাপশনে আরও লেখা হয়, “তিনি এক নির্ভীক যোদ্ধা, প্রকৃত চ্যাম্পিয়ন এবং এখন আমাদের অভিজাত অধিনায়ক।”

    গত বছর সাকিব বাংলা টাইগার্সের হয়ে টি-টেন লিগে খেলেছিলেন। এবার নতুন দলে যোগ দিয়ে নতুন করে শুরু করতে উচ্ছ্বসিত তিনি। যোগদানের পর সাকিব বলেন, “রয়্যাল চ্যাম্পসে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। টি-টেন লিগের ফরম্যাট যেমন উত্তেজনাপূর্ণ, তেমনি দ্রুতগতিরও। আমি দলের সাফল্যের জন্য সর্বোচ্চটা দিতে চাই।”

    দলটির প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার কোর্টনি ওয়ালশ। তিনি বলেন, “টি-টেনের মতো সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এমন একটি দল তৈরি করেছি, যারা দ্রুতগতির ক্রিকেটে মানিয়ে নিতে পারবে।”

    আগামী ১৮ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে টি-টেন লিগের নতুন মৌসুম। পরদিন ১৯ নভেম্বর সাকিবের নেতৃত্বে রয়্যাল চ্যাম্পস নামবে প্রথম ম্যাচে, প্রতিপক্ষ ভিস্তা রাইডার্স। ক্রিকেটপ্রেমীরা এখন অপেক্ষায় আছেন—সাকিবের নেতৃত্বে নতুন দল কতদূর যেতে পারে তা দেখার।

  • হলিউডে কাজ করেও নিজের মূল্যবোধে অটল: দীপিকা পাড়ুকোনের খোলামেলা স্বীকারোক্তি

    হলিউডে কাজ করেও নিজের মূল্যবোধে অটল: দীপিকা পাড়ুকোনের খোলামেলা স্বীকারোক্তি

    এবিএনএ:  বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন এখন আন্তর্জাতিক মঞ্চেও পরিচিত নাম। তবে হলিউডে কাজের অভিজ্ঞতা তার জন্য খুব সহজ ছিল না। পশ্চিমা দুনিয়ার ভারত সম্পর্কে এখনো অনেক পুরনো ও ভুল ধারণা বিরাজমান—সম্প্রতি সিএনবিসি টিভি১৮–এর এক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন দীপিকা।

    তিনি বলেন, “ভারতকে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করা আমার কাছে সব সময়ই গর্বের বিষয়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে পশ্চিমা সমাজে এখনো আমাদের সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট ধারণা কাজ করে—যেন ভারতীয় শিল্পীদের উচ্চারণ, গায়ের রঙ বা কাজের ধরন একঘেয়ে এবং পুরোনো। বাস্তবে ভারত অনেক এগিয়ে গেছে, কিন্তু তারা এখনো তা বুঝতে পারেনি।”

    ২০১৭ সালে ‘ট্রিপল এক্স: রিটার্ন অব জেন্ডার কেজ’ ছবির মাধ্যমে দীপিকার হলিউডে অভিষেক হয়। সেখানে নিজের সংস্কৃতি বা পরিচয় বিক্রি করে জনপ্রিয় হওয়ার পথ না বেছে, নিজের বিশ্বাসে অটল থাকেন তিনি। দীপিকার ভাষায়, “আমি জানতাম, আমি আমার মূল্যবোধের সঙ্গে আপস করব না। হয়তো সময় লেগেছে, কিন্তু আমি নিজের নিয়মেই এগিয়েছি।”

    ২০২০ সাল থেকে বিলাসবহুল ব্র্যান্ড লুই ভ্যুটনের সঙ্গে যুক্ত আছেন দীপিকা। সম্প্রতি তিনি এই ব্র্যান্ডের গ্লোবাল আইকন হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এবং এলভিএএইচ প্রাইজ ২০২৫-এর জুরি সদস্য হন—যা কোনো ভারতীয় নারীর জন্য প্রথমবার। এমনকি কান চলচ্চিত্র উৎসবে লুই ভ্যুটনের মোট মিডিয়া ইমপ্যাক্ট ভ্যালুর ২৫ শতাংশ এসেছে শুধু দীপিকার উপস্থিতি থেকেই।

    দীপিকার মতে, “লস অ্যাঞ্জেলেসের সানসেট বুলেভার্ডে একজন ভারতীয় নারীকে বিলবোর্ডে দেখা শুধু আমার নয়, প্রতিটি ভারতীয় নারীর জন্যই গর্বের মুহূর্ত।”

  • গণভোট ইস্যু নিয়ে উত্তাপ, নির্বাচন বানচালের চক্রান্তের অভিযোগ করলেন মির্জা ফখরুল

    গণভোট ইস্যু নিয়ে উত্তাপ, নির্বাচন বানচালের চক্রান্তের অভিযোগ করলেন মির্জা ফখরুল

    এবিএনএ: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণভোটের নামে দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া ভেস্তে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল সচেতনভাবেই ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ব্যাহত করতে মাঠে নেমেছে।

    গতকাল শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে এ শোভাযাত্রাপূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    ফখরুল বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার, যাদের আমরা সমর্থন দিচ্ছি, তারাই এখন এমন পরিস্থিতি তৈরি করছে, যা নির্বাচনের স্বাভাবিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। যারা গণভোটের দাবি তুলেছে, তারা আসলে নির্বাচনের পথ রুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র করছে।”

    তিনি স্পষ্টভাবে জানান, বিএনপি গণভোটের পক্ষে, তবে সেটি সংসদ নির্বাচনের দিনেই হতে হবে। তার ভাষায়, “দুটি ভোট আলাদাভাবে আয়োজন করলে জনগণের অর্থ ও সময় অপচয় হবে এবং মূল নির্বাচন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই গণভোট ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের দিনেই হওয়া উচিত।”

    সমাবেশ শেষে শোভাযাত্রা শান্তিনগর, মালিবাগ, মগবাজার হয়ে বাংলামোটরে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খানসহ দলের হাজারো নেতা-কর্মী।

    এ সময় মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “৭ নভেম্বরের চেতনা হচ্ছে গণতন্ত্রের চেতনা। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনে দেশে সংস্কারের সূচনা করেছিলেন। আজ তারেক রহমান নতুন সংস্কারের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন ৩১ দফা প্রস্তাবের মাধ্যমে। আমরা সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি।”

    গণভোট প্রসঙ্গে তিনি উপদেষ্টা পরিষদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, “যে ঐকমত্য কমিশন মাসের পর মাস ধরে বৈঠক করেছে, সেই আলোচনার ফলাফল কোথায়? এখন আবার নতুন করে সাত দিনের সময়সীমা ঘোষণা করে কী বোঝাতে চায় উপদেষ্টা পরিষদ?”

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আজ গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার নতুন চক্রান্ত চলছে। আমাদের আবারও ৭ নভেম্বরের চেতনায় ফিরে যেতে হবে— সেই পথেই বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।”

    সকালে বিএনপি নেতারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এতে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    পরে মহানগর বিএনপি, যুবদল, মহিলা দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনও জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সারা দেশজুড়ে দিবসটি পালিত হয় সিলেট, খুলনা, কুমিল্লা, দিনাজপুর, টাঙ্গাইল ও নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলায়।

    মির্জা ফখরুলের ভাষায়, “যে ঐতিহাসিক দিনে দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতা এক হয়ে স্বাধীনতা রক্ষার লড়াইয়ে নেমেছিল, আজ সেই চেতনায় আবারও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার শপথ নিতে হবে।”

  • নারী বিশ্বকাপে দল বাড়াচ্ছে আইসিসি, বাংলাদেশের সুযোগ আরও উজ্জ্বল

    নারী বিশ্বকাপে দল বাড়াচ্ছে আইসিসি, বাংলাদেশের সুযোগ আরও উজ্জ্বল

    এবিএনএ: আইসিসি নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরবর্তী আসরে বড় পরিবর্তন আনছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ২০২৯ সালের আসর থেকে মূল পর্বে অংশ নেবে মোট ১০টি দল। ফলে বাংলাদেশের নারী দলের সামনে খুলে যাচ্ছে নতুন সম্ভাবনার দরজা।

    সর্বশেষ নারী বিশ্বকাপে মাত্র আটটি দল অংশ নিয়েছিল। এবার দুই দল বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে আইসিসি। শুক্রবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, নারী ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা ও প্রতিযোগিতার মান বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ভারতে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ নারী বিশ্বকাপে রেকর্ডসংখ্যক দর্শক উপস্থিতি ছিল। প্রায় তিন লাখ দর্শক সরাসরি মাঠে বসে খেলা উপভোগ করেছেন, যা নারী ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন উচ্চতা। টেলিভিশন দর্শকসংখ্যাও ছিল অভূতপূর্ব।

    এই দর্শক আগ্রহই আইসিসিকে অনুপ্রাণিত করেছে পরবর্তী বিশ্বকাপে দল সংখ্যা বাড়াতে। ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। কারণ দল সংখ্যা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ দলের মূল পর্বে খেলার সুযোগ আরও দৃঢ় হলো।

    উল্লেখযোগ্যভাবে, আইসিসি ইতিমধ্যে নারী বিশ্বকাপের প্রাইজমানিও বাড়িয়েছে। সর্বশেষ আসরে মোট পুরস্কারের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার, যা আগের আসরের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, আইসিসির এই উদ্যোগ নারী ক্রিকেটে আগ্রহ, প্রতিযোগিতা ও বিনিয়োগ—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশসহ উদীয়মান দলগুলোর জন্য বড় প্রেরণা হয়ে উঠবে।